বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

কবরীর আরেকটি বড় ইমেজ গড়ে উঠেছিল মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণের মাধ্যমে। পরবর্তীকালে তিনি আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে জড়িয়ে সাংসদও হয়েছিলেন। তাঁর নেতৃত্বে ২০০১ সালে অনুষ্ঠিত হয়েছিল আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব। জীবনের শেষ পর্যায়েও তিনি ছিলেন চলচ্চিত্র অনুদান কমিটির সদস্য।

default-image

একদা রুপালি পর্দার নায়িকা থেকে জাতীয় সংসদের সদস্য হয়ে তিনি বাংলাদেশে নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছিলেন। এ সবই তাঁর অর্জন এবং শ্রদ্ধা ও ভালোবাসার কারণ।

এই শ্রদ্ধাঞ্জলি শেষ করতে চাই কবরীর শেষ ইচ্ছার কথা জানিয়ে। ১৯৭৬ সালের ১৯ মে সাপ্তাহিক বিচিত্রায় এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেছিলেন, ‘আমি যেন জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত আপনাদের ভালোবাসা পাই...।’

হ্যাঁ, চট্টগ্রামের বোয়ালখালী উপজেলার মেয়ে পরবর্তী সময়ে কবরী হয়ে বাংলাদেশের চলচ্চিত্র, মুক্তিযুদ্ধ, রাজনীতি ও সামাজিক ক্ষেত্রে অবদান রেখে জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত মানুষের শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা পেয়েছেন।

ঢালিউড থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন