বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

ছবিটির নির্মাতা রুবাইয়াত হোসেন বলেন, ‘২০১৮ সালে চিত্রনাট্য লেখার সময় সিনেমাটির নাম “শিমু”ই ছিল। সে সময় আমার কাছে মনে হয়েছিল, “শিমু” নামটিই সেরা। কারণ, শিমুর গল্প নিয়েই সিনেমাটি। গল্পে শিমুর সংগ্রামটাই তুলে ধরা হয়েছে। এ নামেই সেই সময় শুটিংয়ের সব অনুমোদন নেওয়া। শুটিং–পরবর্তী সময়ে আমাদের কাছে মনে হয়েছিল, “মেইড ইন বাংলাদেশ” হতে পারে। যে কারণে নামটি দেওয়া। এখন দেশের দর্শকের কাছে মূল নামেই সিনেমাটি নিয়ে যেতে চাই।’ বাংলাদেশ চলচ্চিত্র সেন্সর বোর্ডেও সিনেমাটি ‘শিমু’ নামেই জমা দেওয়া হয়েছে।

সিনেমাটি দেশের প্রেক্ষাগৃহে কবে মুক্তি পাবে, জানতে চাইলে রুবাইয়াত বলেন, ‘আমরা শিগগির সেন্সর পাব বলে আশা করছি। তবে এখনই সিনেমাটি মুক্তি দেওয়ার পরিকল্পনা নেই। প্রচার–প্রচারণা করে আগামী বছরের প্রথম দিকে সিনেমাটি দর্শকের সামনে আনতে চাই।’

‘শিমু’ সিনেমায় নারী পোশাকশ্রমিকদের সংগ্রাম ও সাফল্যের গল্প বলা হয়েছে। বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করেছেন রিকিতা নন্দিনী, দীপান্বিতা মার্টিন, মুস্তাফা মনোয়ার, শতাব্দী ওয়াদুদ, জয়রাজ, মোমেনা চৌধুরী, ওয়াহিদা মল্লিক জলি, সামিনা লুৎফা প্রমুখ। দুটি অতিথি চরিত্রে অভিনয় করেছেন মিতা চৌধুরী ও ভারতের শাহানা গোস্বামী।

default-image

২০১৯ সালের টরন্টো ইন্টারন্যাশনাল ফিল্ম ফেস্টিভ্যালের ‘কনটেমপোরারি ওয়ার্ল্ড সিনেমা’ শাখায় ‘মেইড ইন বাংলাদেশ’ নামে ছবিটি দেখানো হয়েছিল। স্টকহোম, এশিয়া প্যাসিফিক ছাড়াও বেশ কিছু উৎসবে বাংলাদেশ থেকে প্রতিনিধিত্ব করেছিল ‘মেইড ইন বাংলাদেশ’।

প্রথম ছবি ‘মেহেরজান’ ও দ্বিতীয় ছবি ‘আন্ডারকনস্ট্রাকশন’-এর পর এটি রুবাইয়াত হোসেনের তৃতীয় ছবি।

ঢালিউড থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন