বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

জায়েদ আরও বলেন, ‘দিতি আপার সঙ্গে আমার অনেকগুলো দৃশ্য ছিল, একটা গান ছিল। মিজু ভাইয়ের সঙ্গেও অনেকগুলো সিকোয়েন্স করেছি। দিতি আপার প্রেম–বিয়ে নিয়ে মজা করতাম। তখন আপা মজা করে বলতেন, এগুলো শিখে রাখ। মনে আছে মিজু ভাইয়ের সঙ্গে একটি সিকোয়েন্সের ডায়ালগ ছিল, জিলানি সাহেব আপনি, এটা ১৩ বার টেক দিতে হয়েছিল। প্রতিবারই তিনি বলতেন, “আরও ভালো করে দিবি”, কখনোই বিরক্ত হননি। ভুল করলে শিখিয়ে দিতেন।’

default-image

এত দেরিতে ছবিটি সেন্সরে জমা দেওয়া প্রসঙ্গে ছবিটির পরিচালক এফ আই মানিক জানিয়েছিলেন, নানা জটিলতার কারণে কাজ শেষ করতে দেরি হয়ে যায়। তিনি বলেন, ‘দিতি মারা যাওয়ার বেশ কিছুদিন আগে সিনেমার শুটিং শেষ করেছিলাম। এটি ৩৫ মিলিমিটারে শুট করা হয়েছিল, পরে ডিজিটালে ট্রান্সফার করা হয়েছে। সিনেমায় গুরুত্বপূর্ণ একটি চরিত্রে অভিনয় করেছেন ডিপজল। মাঝে তিনি অসুস্থ থাকায় কাজ শেষ করতে সময় লেগেছে।’

default-image

দীর্ঘদিন মরণব্যাধি ক্যানসারের সঙ্গে লড়ে ২০১৬ সালের ২০ মার্চ ঢাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালে শেষনিশ্বাস ত্যাগ করেন দিতি। অন্যদিকে একটি চলচ্চিত্রের শুটিংয়ের জন্য ট্রেনযোগে দিনাজপুর যাওয়ার উদ্দেশে ঢাকার বিমানবন্দর স্টেশনে অপেক্ষা করছিলেন মিজু আহমেদ। রাত ৮টা ২০ মিনিটের দিকে হঠাৎ হার্ট অ্যাটাকে আক্রান্ত হন। তাৎক্ষণিকভাবে রাজধানীর কুর্মিটোলা হাসপাতালে স্থানান্তর করা হলে চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। সিনেমায় নায়িকা চরিত্রে অভিনয় করেছেন রোমানা।

ঢালিউড থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন