বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
default-image

প্রযোজক আবদুল মমিন খান বলেন, ‘সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে আমরা নির্মাতা পরিবর্তনের আবেদন করেছিলাম। তারা অনুমতি দিয়েছে। এর মধ্যে নির্মাতা হিসেবে ফজলুল কবির তুহিন যুক্ত হয়েছেন। সরকারি আইন মেনে আমরা কাজগুলো এগিয়ে নিচ্ছি, আইন মেনেই আমরা শুটিং করব। এমনিতেই আমাদের দেরি হয়ে গেছে। এখন সরকারকে যদি টাকা ফেরত দিতে হয়, সে ক্ষেত্রে আমাকেই ক্ষতিপূরণসহ ফেরত দিতে হবে। সরকার আমার কাছ থেকেই সব বুঝে নেবে।’ তিনি আরও বলেন, ‘আগেই আমি সিনেমাটি শুটিং শেষ করতে চেয়েছিলাম। কিন্তু পরিচালকের সঙ্গে বোঝাপড়া ভালো না হওয়ায় সম্ভব হয়নি। এগুলো নিয়ে এখন আর কথা বলতে চাই না। সব নিয়ম মেনে আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে সিনেমার শুটিং শুরুর চেষ্টা করছি। আমরা যা–ই করব, সেটা আইন মেনে।’

default-image

সিনেমাটির অনুদান পাওয়া নির্মাতা মনজুরুল ইসলাম এই পদক্ষেপের বিরুদ্ধে আইনগত পদক্ষেপ নেবেন বলে জানান। তিনি বলেন, ‘সিনেমাটিতে মুক্তিযুদ্ধের কিছু অংশ রয়েছে, হিন্দু-মুসলিম পারস্পরিক সম্পর্কের কিছু বিষয় রয়েছে। এগুলো সিনেমার চিত্রনাট্যে ছিল। প্রযোজক এগুলো বাদ দিয়ে করতে বললে আমি রাজি হইনি। কারণ, সরকারের কাছে চিত্রনাট্য জমা দিয়ে পরে সেটা পরিবর্তন করা যায় না। সেখানে অনুদান পাওয়া একজন নির্মাতাকে কীভাবে বাদ দেন, বুঝতে পারছি না।’ তিনি আরও বলেন, ‘আমি সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে ও পরিচালক সমিতিকে ঘটনাটি জানিয়েছি। আমি আইনের আশ্রয় নিব। আমার সঙ্গে তাঁরা অন্যায় করেছেন। মন্ত্রণালয় কী বলে সেই অপেক্ষায় রয়েছি।’

default-image

সিনেমাটি নিয়ে আর দেরি করতে চান না নতুন নিযুক্ত নির্মাতা ফজলুল কবির। এর আগে ‘গাঙকুমারি’ নামের একটি সরকারি অনুদানের সিনেমা বানিয়েছেন ফজলুল কবির। তিনি বলেন, ‘আমাকে সিনেমাটির প্রযোজক দায়িত্ব দিয়েছেন। তিনি বলেছিলেন, আগের পরিচালকের ওপর ভরসা রাখতে পারেন নাই। সব শুনে প্রথমে আমি যুক্ত হতে চাইনি। পরে মন্ত্রণালয় থেকে সব নিয়ম মেনেই কাজ করার কথা জানালে যুক্ত হয়েছি। ইতিমধ্যে প্রি–প্রোডাকশন শেষ করেছি। সিনেমাটির জন্য মোশাররফ করিম, ভারতের পার্নো মিত্র, লুৎফর রহমান জর্জ ভাইসহ অনেকের সঙ্গেই কথা হয়েছে। আজ আমাদের একটি গানের রেকর্ডিংয়ে অংশ নেবেন নিশিতা বড়ুয়া। আজ থেকেই সিনেমাটির কাজ শুরু হচ্ছে। আমরা সব ঠিকঠাক করে শিগগির শুটিংয়ে যাব।’

ঢালিউড থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন