মাহাদিয়ার মা–বাবা দুজনই ছিলেন বাংলাদেশি চলচ্চিত্রের অন্যতম জনপ্রিয় জুটি। নব্বইয়ের দশকে নাঈম ও শাবনাজ মানেই সুপারহিট সব সিনেমা। সিনেমা ছেড়ে পুরোপুরি সংসারী হয়ে গেলেও, বাংলা ভাষাভাষী মানুষ এই দুজনের নাম শুনলে একটু নস্টালজিক হয়ে যান। সেই প্রিয় দুই মুখের ছোট সন্তান মাহাদিয়া নাঈমকে মাঝেমধ্যে গান গাইতে দেখা যায়। নিজের ইউটিউব প্ল্যাটফর্মে কয়েকটি গান প্রকাশও করেছেন।

default-image

মাহাদিয়া বলেন, ‘আমরা প্রায় সময়ই ঘরোয়া আড্ডায় গান গাই। বাবা গিটারও বাজান, গানও গেয়ে থাকেন। ওভাবে ফেসবুকে দেওয়া হয় না। কিন্তু গতকালকের ভিডিওটি মজাচ্ছলে আপলোড করা। ফেসবুকে পোস্ট করার পর সবাই সুন্দর সুন্দর মন্তব্য করছেন। উৎসাহ দিচ্ছেন, সবার ভালো লাগার কথা জেনে আমিও অনুপ্রাণিত হচ্ছি।’

নাঈমের মা টাঙ্গাইলের করটিয়া জমিদার বাড়ির মেয়ে। বাবা বাড়ি করেছিলেন দেলদুয়ারের পাতরাইলে। নাঈম বলেন, ‘সময় পেলেই আমরা সবাই মিলে টাঙ্গাইলে চলে যাই। সেখানে সুন্দর সময় কাটে। করোনার এই সময়ও আমরা ছয় মাসের বেশি সময় ওখানেই ছিলাম। গতকাল যখন আমরা সকালে পুকুরে নৌকা চালাচ্ছিলাম, গিটারও সঙ্গে ছিল। সবাই মিলে ঠিক করলাম, নৌকা চালাতে চালাতে গান মন্দ হয় না। এখন দেখছি, সবাই আমাদের বাবা–মেয়ের গানের পরিবেশনা ভীষণ পছন্দ করেছে।’

default-image

মাহাদিয়ার গাওয়া প্রথম গান নিউজিল্যান্ডের জনপ্রিয় গায়িকা লর্ডের ‘রয়্যালস’। এই গানের নতুন করে সংগীতায়োজন করেছেন মানাম আহমেদ। রয়াল্যাস গানটি প্রকাশের ঠিক সপ্তাহখানেক পর উপমহাদেশের প্রখ্যাত গায়িকা আশা ভোঁশলের গাওয়া ‘যেতে দাও আমায় ডেকো না’ গানটি ইউটিউবে আপলোড করেন মাহাদিয়া। এই গানের সংগীতায়োজন করেছেন সৈয়দ সুজন।

মাহাদিয়াকে ছোটবেলা থেকে মা–বাবা গানের তালিম দিয়েছেন। শাস্ত্রীয় সংগীত ও গজলের তালিম নিয়েছেন সালাউদ্দিন শান্তনুর কাছে। নজরুলসংগীতের ওপরও তালিম নিয়েছেন মাহাদিয়া। ইংরেজি গানগুলো দেখে দেখে নিজেই শিখেছেন বলে জানান মাহাদিয়া। তবে গানে তাঁকে সবচেয়ে বেশি প্রেরণা জুগিয়েছেন বড় বোন নামিরা নাঈম।

default-image

নাঈমের মেয়ে বলেন, ‘আমার বাবা খুব ভালো গান করেন। দাদি আর ফুফুরাও দারুণ গান। পরিবারের সবাই অনেক ভালো গায়। গানের ব্যাপারটা তাই বংশগতভাবেই আমার ভেতর চলে এসেছে বলতে পারেন। বাবা খুব করে চাইছিলেন আমি যেন গান রেকর্ড করে প্রকাশ করি। বাবার ইচ্ছায় গান গাই, এরপর ভিডিও বানিয়ে ইউটিউবে আপলোড করি।’

ঢালিউড থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন