default-image

দর্শকদের সঙ্গে অনেক কিছু ভাগাভাগি করলেও অজানাই ছিল এই নির্মাতা অরিজিনাল সিরিজ ‘লেডিজ অ্যান্ড জেন্টলম্যান’–এ তাঁর বাবার উপস্থিতির কথা। ফারুকী মনে করেন, এই সিরিজে কারও কারও সবচেয়ে বেশি পছন্দ আফজাল হোসেন ও ফারিণের অংশগুলো। আবার কারও পছন্দ লরা-সাবিলার অংশগুলো। তবে তিনি সবচেয়ে বেশি শুনেছেন সাবিলার সঙ্গে তাঁর বাবার দৃশ্যগুলোর কথা। ফারুকী লিখেছেন,‘এই অংশগুলো পুরাটাই আমার আব্বাকে যেভাবে দেখেছি সেভাবে নেওয়া। আব্বার শেষ দিকে এসে পারকিনসন রোগ হয় এবং ধীরে ধীরে সেটা থেকে এক্সট্রিম ডিমেনশিয়া হয়। উনি তখন বর্তমান আর অতীতের মাঝখানে এক লুসিড জগতে বাস করতে থাকেন। সন্তান হিসেবে সিংহের মতো বাবাকে এ রকম মিইয়ে যেতে দেখা ছিল আমার জীবনের সবচেয়ে হার্ড এক্সপেরিয়েন্স। “লেডিজ অ্যান্ড জেন্টলম্যান”টা কালকে আবার দেখলাম, বিশেষ করে সাবিলা-বাবার দৃশ্যগুলা। নিজে বানানো জিনিস দেখে ইমোশনাল হওয়া খুব কঠিন কাজ। কিন্তু এই পর্যন্ত যতবারই এই দৃশ্যগুলা দেখেছি, কান্না আটকাতে পারি নাই। কাল তো আরও পারি নাই।’

default-image

ফারুকী আরও লিখেছেন, ‘আব্বা-আম্মা বেঁচে থাকতে নানাভাবে আমাকে দিয়ে গেছেন দৃশ্যের পর দৃশ্য। কাল মারা যাওয়ার সময়ও কিছু না দিয়ে যান নাই উনি। এই মুহূর্তে একটা বড় কাজের স্ক্রিপ্ট করছি। আব্বা মারা যাওয়ার সময় এমন একটা কিছু দিয়ে গেছেন, যেটা ওই স্ক্রিপ্টে নতুন এবং গভীর এক বাঁক তৈরি করেছে। আব্বা তো দিয়েই গেলেন চিরকাল!’

default-image

গত শুক্রবার বেলা ১১টার দিকে মারা যান ফারুকীর বাবা আবদুর রব ফারুকী। তিনি অনেক দিন ধরে বার্ধক্যজনিত নানা সমস্যায় ভুগছিলেন। চার দিন আগে তাঁকে ঢাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বেলা ১১টার দিকে চিকিৎসকেরা তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। তিনি ঢাকার নাখালপাড়ার বাসিন্দা ছিলেন।

ঢালিউড থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন