‘অসম্ভব’ চলচ্চিত্রের গল্প প্রসঙ্গে বেশি কিছু জানাতে না চাইলেও স্বাগতা শুধু এটুকই বললেন, যাত্রাপালার নানা দিক এই চলচ্চিত্রের মাধ্যমে তুলে ধরা হবে। এই চলচ্চিত্রের গল্প সাজানো হয়েছে কয়েকটি যাত্রাপালা নিয়ে। স্বাগতা বললেন, ‘এসব যাত্রাপালার মধ্যে দেবী সুলতানায় আমার চরিত্রের নাম দেবী সুলতানা, মাইকেলে আমি দেবকী, মা-মাটি-মানুষে আদুরি এবং আরেকটি চরিত্রের নাম পুষ্পিতা।

এক চলচ্চিত্রে চার ধরনের চরিত্র পেয়ে আমি সত্যিই ভীষণ আনন্দিত। একসঙ্গে চার ধরনের চরিত্র পাওয়াটা ভাগ্যেরও ব্যাপার। আমি চরিত্রগুলো যথাযথভাবে ফুটিয়ে তোলার চেষ্টা করছি। এই চলচ্চিত্রে কাজ করতে গিয়ে আমি অনেক কিছু শিখছি। সবচেয়ে বেশি শিক্ষা যাঁর কাছ থেকে পাচ্ছি, তিনি জ্যোৎস্না বিশ্বাস। আমাদের দেশের যাত্রাপালার একজন কিংবদন্তিতুল্য তিনি, চরিত্রগুলো হয়ে উঠতে তিনি আমাকে নানাভাবে সহযোগিতা করছেন।’

এদিকে চলচ্চিত্র প্রসঙ্গে পরিচালক ও অভিনয়শিল্পী অরুণা বিশ্বাস বলেন, ‘অভিনয়শিল্পীরা সবাই ভীষণ আন্তরিকতা নিয়ে কাজ করছেন। প্রথমবারের মতো সিনেমা বানাতে এসে বাবার কথা বেশি মনে করছি। মা সার্বক্ষণিক সঙ্গে আছেন। তিনি আমাকে শক্তি ও সাহস জোগাচ্ছেন। চেষ্টা করছি, একটি সুন্দর গল্পের সিনেমা বানাতে। শিল্পী ও কলাকুশলীদের আন্তরিকতা আমাকে সেই কাজটি করতে সহযোগিতা করছে।’

টেলিভিশন নাটকের অভিনয়শিল্পী স্বাগতার প্রথম নায়িকা হিসেবে অভিষেক ঘটে ‘শত্রু শত্রু খেলা’ চলচ্চিত্রে অভিনয়ের মধ্য দিয়ে। এরপর তিনি একে একে অভিনয় করেন ‘কোটি টাকার ফকির’, ‘অশান্ত মন’, ‘ডুব সাঁতার’, ‘ফিরে এসো বেহুলা’, ‘সূচনা রেখার দিকে’, ‘পাপ-পুণ্য’, ‘মানুষের বাগান’ ও ‘লাল মোরগের ঝুঁটি’ চলচ্চিত্রে।