বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

১৯৫২ সাল। সেই সময় বাংলা ভাষার জন্য চারদিকে সোচ্চার দেশের মানুষ। এমন সময় একটি দপ্তরের সাধারণ কেরানির দৈনন্দিন গল্প মুখ্য হয়ে ওঠে। মালিকপক্ষের তৈরি দমবন্ধ পরিস্থিতিতে নির্বিবাদী ছাপোষা এই কেরানির ক্রমশ দ্রোহী হয়ে ওঠার আখ্যান। যেখানে দপ্তরটাই যেন হয়ে উঠেছে পুরো একটি দেশ। বাইরে ভাষার জন্য আন্দোলন চললেও একটি অফিসে ভাষার জন্য সোচ্চার মানুষের সংগ্রাম কেমন ছিল, সেই পরিস্থিতি পর্দায় ভিন্নতার সঙ্গে সুনিপুণভাবে উঠে এসেছে। চঞ্চল বলেন, ‘একজন মানুষ বা একজন শিল্পী হিসেবে আমি মনে করি, ভাষা আন্দোলন বা ইতিহাস নিয়ে অনেক অনেক আন্তর্জাতিক মানের কাজ হওয়া উচিত। ‘শব্দের খোয়াব’ সেই জায়গা সফল। এটা চমৎকার একটি প্রোডাকশন হবে। চরকির এমন একটা কাজের সঙ্গে যুক্ত হতে পেরে ভালো লেগেছে। দর্শকদের এটুকু বলব, এটা কোনো দায়সারা কাজ নয়।’

default-image
আমরা শুরুটা করেছি ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপট নিয়ে। কারণ, এটাই আমাদের প্রথম স্বাধীনতা আন্দোলনের সূচনা ছিল। আমাদের জেগে ওঠার প্রথম সূত্রপাত ঘটে ১৯৫২ সালে; যখন আমাদের ভাষার ওপর আঘাত আসে। আমরা শুধু একটি কথা বলব, চরকি সব সময় বৈচিত্র্যময় কনটেন্ট মুক্তির প্রতিশ্রুতি নিয়েই কাজ করে যাচ্ছে।
রেদওয়ান রনি, চরকির প্রধান পরিচালন কর্মকর্তা
একজন মানুষ বা একজন শিল্পী হিসেবে আমি মনে করি, ভাষা আন্দোলন বা ইতিহাস নিয়ে অনেক অনেক আন্তর্জাতিক মানের কাজ হওয়া উচিত। ‘শব্দের খোয়াব’ সেই জায়গা সফল। এটা চমৎকার একটি প্রোডাকশন হবে।
চঞ্চল চৌধুরী

একটি অফিসকেই দেশের রূপক অর্থে দেখানোর চেষ্টা করেছেন নির্মাতা সিদ্দিক আহমেদ। সিরিজে সেই সময়কে তুলে ধরাটাই ছিল তাঁর জায়গা থেকে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। সেই সময়ের মতো রাস্তাঘাট নেই। সেই সময়ের পোশাক, ভাষাসহ নানা বিষয় যথাযথভাবে তুলে ধরতে গবেষণা করতে হয়েছে। অনেক চলচ্চিত্র দেখার পাশাপাশি বই পড়তে হয়েছে। দিনের পর দিন অভিনয়শিল্পীদের সঙ্গে বসতে হয়েছে। তিনি বলেন, ‘ভিন্ন কিছু করার প্রয়াস থেকেই আমি ভাষা আন্দোলনের গল্পটি বলেছি। যা জাতি হিসেবে আমাদের জেগে ওঠার বা ক্রমশ প্রতিবাদী হয়ে ওঠার যাত্রাটা ধরতে চেয়েছি। আমি এখন যে ভাষায় কথা বলছি, সেটা ভাষা আন্দোলন ও বাঙালির ত্যাগের ফল। নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতেই গল্পটি বেছে নেওয়া।’

চরকির প্রধান পরিচালন কর্মকর্তা রেদওয়ান রনি বলেন, ‘বিজয়ের ৫০ বছর উপলক্ষে বাঙালির জেগে ওঠার, বিপ্লবের ও উত্থানের গল্প মনে করিয়ে দিতেই আমরা বিজয়ের মাসের জন্য বেছে নিয়েছি জাগো বাহের মতো সিরিজকে।

default-image

বাংলাদেশের ইতিহাসের তাৎপর্যপূর্ণ তিনটি বছর ’৫২, ’৭০ এবং ’৭১–এর তিনটি গল্প নিয়ে এই সিরিজ। আমরা শুরুটা করেছি ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপট নিয়ে। কারণ, এটাই আমাদের প্রথম স্বাধীনতা আন্দোলনের সূচনা ছিল। আমাদের জেগে ওঠার প্রথম সূত্রপাত ঘটে ১৯৫২ সালে; যখন আমাদের ভাষার ওপর আঘাত আসে। আমরা শুধু একটি কথা বলব, চরকি সব সময় বৈচিত্র্যময় কনটেন্ট মুক্তির প্রতিশ্রুতি নিয়েই কাজ করে যাচ্ছে।’ অ্যান্থলজি এই সিরিজটিতে চঞ্চল চৌধুরী ছাড়াও অভিনয় করেছেন লুৎফর রহমান জর্জ, ফারহানা হামিদ, এ কে আজাদ সেতু প্রমুখ।

ঢালিউড থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন