বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আরিফিন শুভ বলেন, ‘এখন দাঁড়াতেই পারছি না। প্রচণ্ড ব্যথা। সারাক্ষণ বিছানায় শুয়ে আছি। কী হবে, বুঝতে পারছি না। কিছুটা চিন্তিত রয়েছি। শুটিং থাকলে এই অবস্থায় বিপাকেই পড়ে যেতাম। এবারের ঈদটাও শুয়ে শুয়ে কেটে যাচ্ছে।’

default-image

ঈদে সব সময়ই বন্ধু ও পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে আড্ডা দেন শুভ। একান্তই নিজের মতো করে সময় কাটানোর চেষ্টা করেন। অসুস্থ থাকায় এবার তেমন কোনো বন্ধুর সঙ্গে দেখা হয়নি। সিনেমা-সিরিজ দেখে আর বই পড়ে সময় কাটছে। অনেক আগে ‘ফরেস্ট গাম্প’ দেখেছিলেন। সম্প্রতি আবারও দেখে মুগ্ধ হয়েছেন।

শৈশবে ঈদের সিনেমা দেখা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘অনেকের গল্প থাকে বাড়ি থেকে পালিয়ে সিনেমা দেখার, বন্ধুদের সঙ্গে মৌজমাস্তিতে সিনেমা দেখার। আমার তেমন কোনো গল্পই নেই। যখন ভালো সিনেমার যুগ ছিল। সেই সময় পরিবারের সঙ্গে কিছু সিনেমা দেখা হয়েছে। কোন সিনেমাগুলো দেখেছি, তেমন একটা মনেও পড়ছে না। এখন ঈদে নিজের অভিনীত সিনেমা নিয়ে অনেক আগ্রহী থাকি। সেই জায়গা থেকে কিছুটা কষ্ট আছে। পরপর দুই ঈদ সিনেমাহীন। কবে পরিস্থিতি ভালো হবে, সেটাও জানি না।’

default-image

আরিফিন শুভ আফসোস করে বলেন, ‘দেড় বছর ধরে “মিশন এক্সট্রিম” সিনেমার শুটিং করেছি। সিনেমাটির সব কাজ শেষ। গত বছর রোজার ঈদে মুক্তির কথা ছিল। শুরু হয় করোনা। পরে এই বছরও রোজার ঈদে মুক্তিতে বাধা হয়ে দাঁড়ায় করোনা। সিনেমা হল বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। এভাবে চলতে থাকলে আমাদের ইন্ডাস্ট্রি একেবারেই বন্ধ হয়ে যাবে। তখন আমাদের হাল চাষ করে খেতে হবে। তা ছাড়া কোনো উপায় থাকবে না।’

default-image

তারপরও আশাবাদী আরিফিন শুভ। স্বপ্ন দেখেন, সুদিন ফিরবে। তাঁর হাতে রয়েছে একাধিক সিনেমার শিডিউল। আগামী আগস্ট থেকে আবারও ‘নুর’ সিনেমার শুটিং শুরু হওয়ার কথা রয়েছে।

default-image

করোনা পরিস্থিতিতে শুটিং নিয়ে জোর দিয়ে কিছু বলতে চান না তিনি। শুভ বলেন, ‘আমার কাছে এখন আর চূড়ান্ত বলে কিছু নেই। আগস্টে “নুর”, সেপ্টেম্বরে বায়োপিকের শুটিং। আলটিমেটলি কী হবে, জানি না। এসব কারণে মাঝেমধ্যে মানসিক অবস্থারই পরিবর্তন হয়ে যায়।’

ঢালিউড থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন