default-image

বাসা এবং বাইরে যথেষ্ট সতর্ক ছিলেন পরিচালক কাজী হায়াৎ। কিন্তু ফলপ্রসূ হয়নি। সম্প্রতি জ্বর নিয়ে করোনার নমুনা পরীক্ষা করিয়েছেন এই পরিচালক। ফল হাতে এলে জানতে পারেন, তিনি ও তাঁর স্ত্রী করোনাভাইরাসে আক্রান্ত। দুজনেই এখন বাসায় চিকিৎসা নিচ্ছেন।

মার্চ মাসের শুরুর দিকে হঠাৎ করেই জ্বর বোধ করেন কাজী হায়াৎ, সঙ্গে ছিল হালকা ব্যথা। অসুস্থতা ক্রমেই বাড়তে থাকে। কিছুদিন জ্বরের চিকিৎসা নেওয়ার পর শারীরিক অবস্থা অপরিবর্তিত ছিল তাঁর। ৮ মার্চ ঢাকার একটি হাসপাতালে স্ত্রীকে নিয়ে করোনা পরীক্ষা করান তিনি। তিনি জানান, তিনি ও তাঁর স্ত্রী করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। দুজনই বাসায় চিকিৎসা নিচ্ছেন। তিনি বলেন, ‘এখনো জ্বর কিছুটা আছে। কিন্তু ঘ্রাণ পাচ্ছি না। আমার স্ত্রী আমার চেয়ে একটু বেশি অসুস্থ। আমরা নিয়মিত চিকিৎসা নিচ্ছি। আপাতত কোয়ারেন্টিন মেনে চলছি।’

বিজ্ঞাপন
default-image

করোনা মহামারি শুরু হওয়ার পর থেকে সতর্ক ছিলেন কাজী হায়াৎ। এ সময় কাজ থেকে বিরত ছিলেন এই নির্মাতা, প্রযোজক ও অভিনেতা। তখন থেকেই ঘরের বাইরে বের হতেন না তিনি। কোনো কাজে বের হলেও থাকত বাড়তি সতর্কতা। এবার পরিচালক সমিতির সভাপতি পদে নির্বাচন করছেন তিনি। তাঁর ধারণা, কয়েক দিন হলো নির্বাচনের কাজে এফডিসিতে সময় কাটাতে হয়েছে। সেখান থেকেই করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে থাকতে পারেন। তিনি বলেন, ‘আমি সব সময় সতর্কতা মেনে চলেছি। কেউ কাছে এলে মাস্ক আছে কি না লক্ষ করেছি। দূরত্ব বজায় রাখার চেষ্টাই করতাম। তারপরও কিছু মানুষ খুব কাছে চলে আসতেন, গা ঘেঁষে দাঁড়াতেন। আবার অনেকের সঙ্গেই নির্বাচন নিয়ে কথা বলতে হতো। তা ছাড়া একদিন টিকা নিতে বের হয়েছিলাম। এর মাঝে একটি ছবিতেও অভিনয় করেছি। সেখানে অনেক মানুষ ছিল। এখন কীভাবে করোনাভাইরাস শরীরে প্রবেশ করেছে, সেটা বুঝতে পারছি না।’

সম্প্রতি কাজী হায়াৎ অভিনয় করেছেন হিরো আলম প্রযোজিত ‘টোকাই’ ছবিতে। এ ছবিতে অভিনয়ের জন্য ফেব্রুয়ারির ২৬ তারিখ থেকে মার্চের ৬ তারিখ পর্যন্ত শুটিংয়ে অংশ নেন। ছবিতে কাজী হায়াৎকে দেখা যাবে নায়িকার বাবার চরিত্রে, যিনি টোকাই চরিত্রের অভিনেতা হিরো আলমকে তাঁর বাড়িতে আশ্রয় দেন। কাজী হায়াৎ জানান, ২ মার্চ তিনি করোনার টিকা নিয়েছেন। ৫ মার্চ থেকে জ্বর বোধ করছেন তিনি।

default-image
বিজ্ঞাপন
ঢালিউড থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন