সিনেমাটি কর্তনেরও কোনো সুযোগ পাবে না। সেন্সর বোর্ড সূত্রে জানা যায়, পরিচালক বা প্রযোজক চাইলে পুনরায় সিনেমাটি নির্মাণ করে জমা দিতে পারেন। কটি দৃশ্য এবং কী ধরনের সংলাপের কারণে সিনেমাটি বাতিল করা হয়েছে, এ প্রশ্নের জবাবে সেন্সর বোর্ডের সদস্য মুশফিকুর রহমান গুলজার বলেন, ‘এখন সিনেমা এমনিতেই কম। আমরা চাই সিনেমাগুলো সেন্সর পাক। কিন্তু “সাহস” সিনেমায় এমন কিছু আছে যে বাধ্য হয়েই প্রদর্শন-অযোগ্য ঘোষণা করা হয়েছে। কেন করা হয়েছে, সেটা আমাদের বলা নিষেধ।’
সেন্সর বোর্ডের আরেক সদস্য নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, ‘সিনেমাটি দেখে আমাদের কাছে মনে হয়েছে, এটি দেশের ভাবমূর্তি নষ্ট করবে। একজন তরুণ নির্মাতার বোঝা উচিত সিনেমাটি কোন দৃশ্য দর্শকমনে কী প্রভাব ফেলতে পারে। যা ইচ্ছা তা-ই আমরা সমাজের জন্য যেমন ভাবতে পারিনি, তেমনি সমাজবিরোধী কর্মকাণ্ড দর্শকের ওপর অপ্রয়োজনে চাপিয়ে দিতে পারি না।’

সিনেমাটির নির্মাতা সাজ্জাদ খান গতকাল শুনেছেন, তাঁর সিনেমাটি প্রদর্শন-অযোগ্য বলে বিবেচিত হয়েছে। তাঁর দাবি, সিনেমায় এমন কোনো দৃশ্য নেই, যা প্রদর্শন-অযোগ্য। খুব বেশি অশ্লীলতা থাকার প্রশ্নই ওঠে না। তিনি বলেন, ‘সিনেমায় আমি একজন নারীর ঘুরে দাঁড়ানো দেখিয়েছি। সব বাধা পেছনে ফেলে যে এগিয়ে যায়। গল্পের প্রয়োজনে কিছু তরুণের সংলাপ পরিবেশ অনুযায়ী রাখা হয়েছে। এটা কিছুটা অশ্লীল মনে হতে পারে। সেটা আমাকে সংশোধন করার সুযোগ দিলে কৃতজ্ঞ থাকতাম। সেন্সর বোর্ডের ওপর আমার শ্রদ্ধা ও সম্মান রয়েছে। তাদের চিঠি পেলেই সম্পূর্ণটা জানতে পারব। তখন পরবর্তী পদক্ষেপ নেব।’