বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

১ থেকে ১২ অক্টোবর পর্যন্ত ১২ দিনব্যাপী এই উৎসব বাংলাদেশ শিল্পকলার জাতীয় নাট্যশালার মূল মিলনায়তন, পরীক্ষণ থিয়েটার, স্টুডিও থিয়েটার, জাতীয় সংগীত, নৃত্যকলা ও আবৃত্তি মিলনায়তন এবং জাতীয় নাট্যশালার মুক্তমঞ্চে অনুষ্ঠিত হবে। এবারের উৎসবটি উৎসর্গ করা হয়েছে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে।

default-image

লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, ‘করোনার কারণে গত বছর আমরা উৎসব আয়োজন করতে পারিনি। গত দেড় বছরে হারিয়েছি দেশের অনেক সংস্কৃতিজন, সংস্কৃতিকর্মী, অগণিত আলোকিত মানুষকে। আমরা গঙ্গা-যমুনা সাংস্কৃতিক উৎসব পর্ষদের পক্ষ থেকে সবার প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানাই। করোনার কারণে ভারতের কোনো নাট্যদলের অংশগ্রহণ ছাড়াই এবারের উৎসব হবে। ভারত-বাংলাদেশ অভিন্ন সংস্কৃতির অভিজ্ঞতা বিনিময় এবং জনগণের মৈত্রীর বন্ধন দৃঢ় করার লক্ষ্য নিয়েই মূলত গঙ্গা-যমুনা সাংস্কৃতিক উৎসব আয়োজিত হয়ে আসছে আট বছর ধরে।’

এবারের উৎসবে ঢাকা ও ঢাকার বাইরের ৩৬টি নাট্যদলের মোট ৩৬টি মঞ্চনাটক প্রদর্শিত হবে। সংগীত, নৃত্যকলা ও আবৃত্তি মিলনায়তনে ৪৪টি সংগীত আবৃত্তি ও নৃত্যদল তাদের পরিবেশনা আনবে। উন্মুক্ত মঞ্চে ১২টি পথনাটক, ১১টি আবৃত্তি সংগঠনের পরিবেশনা, ১২টি সংগীত সংগঠন, ১১টি নৃত্য সংগঠন, ১০টি শিশুদল এবং একক আবৃত্তি ও একক সংগীত পরিবেশনা থাকবে উৎসবে। সব মিলিয়ে ১৪০টি সংগঠনের আনুমানিক সাড়ে তিন হাজার শিল্পী-কলাকুশলীর অংশগ্রহণের মধ্য দিয়ে এবারের ‘গঙ্গা-যমুনা সাংস্কৃতিক উৎসব’ উদ্‌যাপিত হবে।

default-image

১ অক্টোবর জাতীয় নাট্যশালা মিলনায়তনে ১২ দিনব্যাপী গঙ্গা-যমুনা সাংস্কৃতিক উৎসবের উদ্বোধন করবেন স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের শব্দসৈনিক সুজেয় শ্যাম। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ। উদ্বোধনী পর্বে অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেবেন সংস্কৃতিজন আসাদুজ্জামান নূর, রামেন্দু মজুমদার, আতাউর রহমান, মামুনুর রশীদ, নাসির উদ্দীন ইউসুফ এবং বাংলাদেশ গ্রুপ থিয়েটার ফেডারেশনের চেয়ারম্যান ও বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক লিয়াকত আলী লাকী। স্বাগত বক্তব্য দেবেন উৎসব পর্ষদের সদস্যসচিব আকতারুজ্জামান এবং সভাপতিত্ব করবেন উৎসব পর্ষদের আহ্বায়ক সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব গোলাম কুদ্দুছ।

উদ্বোধনী সন্ধ্যায় মূল হলে মঞ্চস্থ হবে থিয়েটার প্রযোজনা ‘পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়’। নাটকটি রচনা করেছেন সৈয়দ শামসুল হক ও নির্দেশনা দিয়েছেন আবদুল্লাহ আল মামুন। পরীক্ষণ থিয়েটার হলে থাকবে আরণ্যক নাট্যদলের প্রযোজনা ‘কহে ফেসবুক’। নাটকটির রচনা ও নির্দেশনায় রয়েছেন মামুনুর রশীদ। এ ছাড়া স্টুডিও থিয়েটার হলে জেলা শিল্পকলা একাডেমি, ঢাকার প্রযোজনা ‘জনকের মৃত্যু নেই’ মঞ্চায়িত হবে। এটি রচনা করেছেন আবদুল হালিম আজিজ এবং নির্দেশনা দিয়েছেন স্মরণ সাহা। উন্মুক্ত মঞ্চের সাংস্কৃতিক পর্ব প্রতিদিন বিকেল ৪টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত এবং মঞ্চনাটক প্রতিদিন সন্ধ্যা ৭টায় শুরু হবে। নাটকের অগ্রিম টিকিট কাউন্টারে পাওয়া যাবে।

default-image

বুধবারের সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন উৎসব উদ্‌যাপন পরিষদের সদস্যসচিব এবং নাট্যজন আকতারুজ্জামান, উৎসবের অর্থ উপপরিষদের আহ্বায়ক আহমেদ গিয়াস, উদ্‌যাপন পর্ষদের সদস্য খোরশেদুল আলম, মানজার চৌধুরী সুইটসহ বিশিষ্ট সাংস্কৃতিক ব্যক্তিরা।

মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন