default-image

আট বছর পরে ফিরছেন এই দম্পতি। কেন সিনেমাটি দেখতে দর্শক সিনেমা হলে যাবেন—এমন প্রশ্নের মুখে অনন্ত গণমাধ্যমে বলেন, ‘অনেকেই সিনেমার ট্রেলার আর গান শুনে কথা বলছে। সিনেমা দেখলে দর্শক বুঝতে পারবে। আমাদের সঙ্গে প্রতিযোগিতা করার মতো কোনো ছবি আসেনি। “সাইকো” ও “পরাণ” আমাদের সঙ্গে মুক্তি পেলেও এগুলো আমাদের লেভেলে প্রতিযোগিতা করার মতো নয়।’ এ সময় তিনি আরও বলেন, ২০১৬ সালে আমার “মোস্ট ওয়েলকাম টু” ও শাকিবের ছিল “হিরো দ্য সুপারস্টার”। তখন প্রতিযোগিতা হয়েছিল।’ এদিকে ‘সাইকো’ সিনেমার পরিচালক অনন্য মামুনকে নিয়েও বিভিন্ন কথা বলেন তিনি। সেগুলো নিয়ে কিছু বিতর্ক হতে দেখা গেছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে।

সিনেমা প্রচারণায় গিয়ে ‘সাইকো’ সিনেমার পাশাপাশি ‘পরাণ’ সিনেমাকে প্রতিযোগিতার বাইরে রাখার কথা জানিয়েছেন অনন্ত জলিল। এমনকি ইচ্ছাকৃত তাদের জন্য সামান্যসংখ্যক হল ছেড়ে দিয়েছেন অনন্ত জলিল। এমন কথাগুলোকে কেন্দ্র করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের অনেকেই বিরূপ মন্তব্য করেছেন। একটি লাইভে ‘সাইকো’ সিনেমার পরিচালক অনন্য মামুনকেও উদ্দেশে বিরূপ মন্তব্য করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। যে কারণে অনন্য মামুন ফেসবুক স্ট্যাটাসে লিখেছেন, ‘মি. অনন্ত জলিল সাহেব, আমি আপনার বেতনভুক্ত কর্মচারী নই, ব্যাপারটা মাথায় রাখবেন...সামনে আসতে হবে না। আপনি বলেন কোথায় আসতে হবে, আমি চলে আসব...আপনার কোটি টাকা থাকতে পারে, আমার সততা আছে।’

default-image

তবে সিনেমার প্রচারণায় শান্ত মেজাজেই ছিলেন নায়িকা পূজা চেরি। বাজেট বিচারে অনন্ত জলিল তাঁদের সিনেমাকে প্রতিযোগিতায় রাখেননি, সেই খবর পূজা জেনেছেন। তিনি বিষয়টি নিয়ে গণমাধ্যমে বলেন, ‘এখকার দর্শক সিনেমা বাজেট বা টাকা পরিমাণ দেখে সিনেমা দেখে না। তারা ভালো গল্প চায়। সেটার বাজেট হতে পারে ১০ লাখ, ৫০ লাখ বা ১০০ কোটি টাকা। “সাইকো” সিনেমায় ভালো একটি গল্প আছে। এখন যে সিনেমাগুলো মুক্তি পাচ্ছে আমি চাই দর্শক সব সিনেমাই দেখুক। সেটা হতে পারে অনন্ত জলিল স্যারের সিনেমা, হতে পারে রায়হান রাফির ভাইয়ে সিনেমা, হতে পারে আমাদের সিনেমা।’ সিনেমার প্রচারণায় এসব কথা বলেন পূজা। এই সময় তাঁর সঙ্গে ছিল ‘সাইকো’ সিনেমার পরিচালক অনন্য মামুন ও চিত্রনায়ক রোশান।

এদিকে তিন বছর পর ঈদে মুক্তি পাচ্ছে বিদ্যা সিনহা মিমের সিনেমা ‘পরাণ’। সিনেমাটি পরিচালনা করেছেন তরুণ নির্মাতা রায়হান রাফি। সিনেমায় আরও অভিনয় করেছেন শরীফুল রাজ ও ইয়াশ রোহান। সিনেমাটি গত বছর মুক্তির কথা ছিল বলে জানান মিম। তিনি বলেন, ‘“পরাণ” ছবিটি তৈরি হওয়ার মাঝে কয়েক বছর চলে গেছে, করোনাসহ নানা কারণে মুক্তি পাচ্ছিল না। এই ঈদে ভক্তদের জন্য আমাদের উপহার। ঈদ উৎসবে তাঁদের কোনো ছবি মুক্তি পেলে ঈদের আনন্দ দ্বিগুণ হয়। আনন্দ নিয়েই সিনেমা প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছি। এখন আমরা আর দিন নয়, ঘণ্টা–মিনিট গুনছি। আশা করছি সিনেমাটি দর্শক ভালো ভাবে নেবেন।’

default-image

ঈদের দিন থেকেই সিনেমা হলে যাওয়া কথা রয়েছে এই টিমের। সিনেমাটির পরিচালক রায়হান রাফি বলেন, ‘কোরবানি শেষ করেই আমাদের সিনেমা দেখতে আসুন। ঈদের দ্বিতীয় দিন থেকে আমরা টিম নিয়ে গাজীপুরের ঝুমুর ও ময়মনসিংহের পূরবী সিনেমা হলে আসছি। আপনারা আমাদের সিনেমা দেখুন।’ এদিকে ধারণা করা হচ্ছে ‘পরাণ’ সিনেমাটি একটি সত্য ঘটনা অবলম্বনে। সেটা নিয়েও সিনেমা মুক্তির শেষ দিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জোরেশোরে আলোচনা–সমালোচনা হচ্ছে। এটি বাস্তব ঘটনা কি না, সে সম্পর্কে জানতে চাইলে পরিচালক সিনেমা হলে গিয়ে দেখার আহ্বান জানান।

জানা যায়, ১৩৪ সিনেমা হলে ৩টি সিনেমা মুক্তি পাচ্ছে। সর্বাধিক দেশের ১০৬টি সিনেমা হলে মুক্তি কথা রয়েছে ‘দিন: দ্য ডে’ সিনেমার। ১৭ হলে মুক্তির কথা রয়েছে ‘সাইকো’ সিনেমার। অন্যদিকে ‘পরাণ’ ঢাকা ও ঢাকার বাইরে ১১টি হলে মুক্তি পাচ্ছে।

ঢালিউড থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন