ছবির প্রযোজক সারা আফরীন জানালেন, ‘শেষে অবস্থা এমন হলো যে হয় আমাদের নিজেদেরকেই শুটিং করতে হবে, নয়তো শুটিং বাতিল করতে হবে। এই রকম একটা পরিস্থিতিতে সিদ্ধান্ত নিলাম, যা করার আমরাই করব। আগে কখনো আমাকে ইক্যুইপমেন্ট নিয়ে সরাসরি প্রোডাকশনে কাজ করতে হয়নি। কিন্তু হাইতিতে আর কোনো উপায় ছিল না।’
প্রায় মাসখানেক লাইভ সাউন্ড রেকর্ডিং শিখলেন সারা, আর কামার তো সেই ‘শুনতে কি পাও!’ থেকে নিজেই ক্যামেরা চালান—মুম্বাই আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব থেকে শ্রেষ্ঠ চিত্রগ্রাহকের একটা আন্তর্জাতিক পুরস্কারও আছে তাঁর ঝুলিতে। তারপর প্রস্তুতি নিয়ে কয়েকটা পেলিক্যান স্যুটকেস ভর্তি শুটিং গিয়ার নিয়ে দুজন রওনা দিলেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে, তারপর সেইখান থেকে হাইতি।
প্লেনে একটা কান্না অনুসরণ করতে গিয়েই ‘নীল মুকুট’-এর জন্ম হয়েছে। ছবিটি বিষয়ে এর বেশি কিছু বলতে নারাজ কামার। তাঁর মতে, ‘আমি আসলে ছবি বানাই একটা ঘোরের মধ্যে, আমি চাই আমার দর্শকেরাও আমার সেই ঘোরের সাথি হোক, আমার মতোই তারাও আবিষ্কার করুক আমার ছবির চরিত্র আর তাদের জীবনের একটা অধ্যায়।’
কোনো উৎসবে পাঠানোর আগে দেশেই ছবিটা মুক্তি দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছিলেন কামার। কিন্তু করোনার কারণে গত বছরের ২৭ মার্চ ছবিটির মুক্তি বাতিল হয়ে যায়। এরপর কয়েকবার চেষ্টা করেও ছবিটি মুক্তি দেওয়া যায়নি। শেষে এগিয়ে আসে ভিডিও স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্ম চরকি। নিজস্ব প্ল্যাটফর্মে ছবিটি মুক্তির ঘোষণা দেয় তারা। চরকিতে আগামী মাসেই ছবিটি মুক্তির কথা আছে। প্রেস রিলিজ