চলচ্চিত্রে অবদানের জন্য বাচসাস এবার গুণীজন সম্মাননা দিয়েছে অভিনেতা, পরিচালক ও প্রযোজক আলমগীর, নির্মাতা ছটকু আহমেদ ও চিত্রগ্রাহক আব্দুল লতিফ বাচ্চুকে; টেলিভিশন ও মঞ্চে রামেন্দু মজুমদার, আতাউর রহমান ও আসাদুজ্জামান নূর; সংগীতে সৈয়দ আব্দুল হাদী, রুনা লায়লা ও গাজী মাজহারুল আনোয়ার; সাংবাদিকতায় রফিকুজ্জামান, শহিদুল হক খান ও অনুপম হায়াৎকে। অনুষ্ঠানে রুনা লায়লা, আসাদুজ্জামান নূর ও শহিদুল হক খান ছাড়া বাকি সবাই সশরীরে উপস্থিত হয়ে সম্মাননা গ্রহণ করেন। উপস্থিত না হতে পারলেও তাঁরা এ সম্মাননার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন।

default-image

বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির সভাপতি ইলিয়াস কাঞ্চনের নেতৃত্বে বাচসাসের অনুষ্ঠানে এসেছিলেন অঞ্জনা, নিপুণ, নিরব, শাহনূর প্রমুখ। আরও ছিলেন শিল্পী সংঘের সভাপতি আহসান হাবীব নাসিম, সাধারণ সম্পাদক রওনক হাসান, অনুষ্ঠান সম্পাদক রাশেদ মামুন অপু। অনুষ্ঠানে আরও এসেছিলেন আজিজুল হাকিম, গীতিকার কবির বকুল, তনিমা হামিদসহ অনেকে। অনুষ্ঠান সঞ্চালনায় ছিলেন সৈকত সালাহউদ্দিন।
অনুষ্ঠানে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী বলেন, ‘এত গুণী মানুষকে সম্মাননা জানাতে পারাটা আনন্দের। যাঁরা আজ সম্মাননা পেয়েছেন, তাঁরা সবাই রাষ্ট্রের গর্ব। বাচসাসকে ধন্যবাদ এসব গুণী মানুষকে সম্মানিত করার জন্য।’
নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী বলেন, ‘এত গুণী মানুষের সঙ্গে বসে আমি গর্ববোধ করছি। আমার পাশে আছেন কিংবদন্তি অভিনেতা আলমগীর ভাই। তাঁর সিনেমা দেখার জন্য কৈশোরে পাগল ছিলাম। এ ছাড়া এখানে সবাই আমাদের গর্ব ও অহংকারের মানুষ। এসব মানুষকে সম্মাননার জন্য বেছে নেওয়ায় সাংবাদিকদের স্বনামধন্য সংগঠন বাচসাসকে ধন্যবাদ জানাই।’

অভিনেতা আলমগীর বলেন, ‘এর আগেও আমি বাচসাস থেকে সেরা অভিনেতার পুরস্কার ও আজীবন সম্মাননা পুরস্কার পেয়েছি। এবার পেলাম গুণীজন সম্মাননা। আমাকে গুণীজন হিসেবে এই সম্মাননা দেওয়ার জন্য বাচসাসের সবাইকে ধন্যবাদ।’
রামেন্দু মজুমদার বলেন, ‘বাংলাদেশ চলচ্চিত্র সাংবাদিক সমিতির প্রতি কৃতজ্ঞতা। আমি শুধু একটা কথাই বলব, সাংবাদিক ভাইয়েরা চলচ্চিত্রের পাশাপাশি নাটকেরও সমালোচনা করবেন। আমাদের এখানে নাটকের সমালোচনা করার জায়গাটা খুবই দুর্বল।’
গুণীজন সম্মাননা ও ইফতার মাহফিলে উপস্থিত ছিলেন বাচসাসের বর্তমান কমিটির সদস্যরা।

ঢালিউড থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন