default-image

‘বঙ্গবন্ধু’ বায়োপিকে অভিনয় করার জন্য এ মাসেই ভারতের মুম্বাইয়ে যাওয়ার কথা ছিল অভিনয়শিল্পী রিয়াজের। যাওয়ার আগে তিনি মার্চ মাসের শেষের দিকে করোনা পরীক্ষা করতে দেন। ফলাফল আসে পজিটিভ। তারপর থেকে তিনি বাসায়ই নিয়মিত চিকিৎসা নিচ্ছিলেন। ২১ দিন পর আবার করোনা পরীক্ষা করে জানলেন, করোনামুক্ত হয়েছেন তিনি।

রিয়াজ বলেন, ‘তিন দিন আগে করোনার নেগেটিভ রিপোর্ট হাতে পেয়েছি। এখন আগের মতোই পরিবারের সঙ্গে সময় কাটাচ্ছি। তবে খুবই সাবধানে থাকছি। চিকিৎসক বলে দিয়েছেন নিউমোনিয়া বা অন্য কোনো সমস্যা থেকে দূরে থাকতে। সাবধানতা মেনে চলতে হচ্ছে। আপাতত আমার শারীরিক অবস্থা এখন ভালো।’

বিজ্ঞাপন
default-image

রিয়াজ জানান, দ্বিতীয়বার করোনা পরীক্ষায় ফলাফল পজিটিভ এলে দীর্ঘ সময় ধরে তাঁকে একা আইসোলেশনে থাকতে হয়েছে। এ সময় দেশে করোনার ভয়াবহ পরিস্থিতি নিয়ে ভেবেছেন। তিনি যখন করোনায় আক্রান্ত হন, তখন দেশের অনেক সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব করোনায় আক্রান্ত ছিলেন। তাঁদের মধ্যে অনেকেই মারা গেছেন। তিনি জানান, করোনাকে সহজভাবে নেওয়ার কোনো সুযোগ নেই। এটি একটি ভয়ংকর ভাইরাস। বেশ কয়েক দিন তাঁর শরীরে প্রচণ্ড ব্যথা ও দুর্বলতা ছিল। ফুসফুস সব সময় পর্যবেক্ষণে রাখতে হয়েছে। শরীর ভালো থাকার পরও ভাইরাস হঠাৎ করেই শরীরকে প্রচণ্ড দুর্বল করে দেয়। জীবন–জীবিকার প্রয়োজনে লকডাউনে অনেককেই বাইরে যেতে হচ্ছে। তাঁদের পরিবারের কথা চিন্তা করে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান এই নায়ক।

default-image

রিয়াজ এ সময় উপলব্ধি করেছেন, বাসায় থেকেও পরিবারের সবার কাছ থেকে আলাদা থাকা কতটা কষ্টের। এ সময় তাঁকে সার্বিকভাবে সহযোগিতা করেছেন তাঁর স্ত্রী তিনা। রিয়াজ বলেন, ‘আমার ছোট্ট মেয়েটা আমার জন্য খুবই কষ্ট পেয়েছে। সে সব সময় আমার কাছে থাকে। করোনার জন্য বাবাকে কাছে পাচ্ছিল না। আমার সামনেই দোয়া করেছে আমার সুস্থতার জন্য। এই পরিস্থিতিতে পরিবারের কাছ থেকে একা থাকা কষ্টের। এসব অনুভূতি কাউকে বোঝানো যাবে না। অনুরোধ করব সবাই সাবধানে থাকবেন।’ ‘বঙ্গবন্ধু’ বায়োপিকে রিয়াজকে দেখা যাবে তাজউদ্দীন আহমদের চরিত্রে। করোনা পরিস্থিতি কিছুটা ভালো হলেই আবারও শুরু হবে সিনেমাটির শুটিং।

বিজ্ঞাপন
ঢালিউড থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন