বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
default-image

শর্তগুলো মেনে চলচ্চিত্রটি নির্মাণ করতে চান না অমিতাভ। তাঁর মতে, ‘আমি কিন্তু মোটেও শর্তগুলোর বিরোধিতা করছি না। হুমায়ূন আহমেদ স্যারের কর্মের সঠিক সুরক্ষা দেওয়ার জন্যই নিশ্চয় নিয়মগুলো করা হয়েছে। তবে সেটি পালন করে এ চলচ্চিত্র বানানো মোটেও সম্ভব নয়। এভাবে ছবি বানাতে গেলে যে পরিমাণ টাকা লাগবে, ওই পরিমাণ টাকা দিয়ে আমি এই সিনেমা বানাতে চাই না।’

default-image

অমিতাভ রেজা জানান, পাঁচ-সাত বছর ধরে এই চলচ্চিত্রের গল্প ও স্ক্রিপ্ট নিয়ে কাজ করে আসছিলেন তিনি। কয়েকটি শর্তের কারণে চলচ্চিত্রটি নির্মাণের সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসাটা তাঁর জন্য ভীষণ বেদনাদায়ক। তিনি বলেন, ‘একটি চলচ্চিত্রের সঙ্গে একজন নির্মাতার প্রেমের সম্পর্ক তৈরি হয়। একবার প্রেমের সম্পর্ক ছুটে গেলে আর ফিরে আসে না। আমি তো এত দিন ছবিটি নিয়ে ভাবছি। সবচেয়ে বড় ব্যাপার হচ্ছে, সবকিছু যতটা সুন্দর ও যথাযথ সম্মানের মধ্য দিয়ে করার, করেছি। এরপরও হয়নি। সরকারের টাকা যাতে নষ্ট না হয়, সেদিকটা ভেবে টাকা ফেরত দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিই।’

গল্পটি নিয়ে কাজ শুরুর আগে লেখক বা তাঁর পরিবারের কাছ থেকে অনুমতি নেননি? জানতে চাইলে অমিতাভ রেজা বলেন, ‘হুমায়ূন আহমেদ বেঁচে থাকতে গল্পটা চেয়ে নিয়েছিলাম। ক্যানসার ধরা পড়ার পর সিঙ্গাপুরে যাওয়ার পথে ফ্লাইটেও স্যার আমাকে এই ছবির কথা জিজ্ঞেস করেছিলেন। বলেছিলেন, ছবিটা বানাবে না? তাড়াতাড়ি বানায়ে ফেলো।’

default-image

নাটক ও বিজ্ঞাপনচিত্র নির্মাতা অমিতাভ রেজা প্রথম চলচ্চিত্র আয়নাবাজি বানিয়েই জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার অর্জন করেন। সামনে আসছে তাঁর ইংরেজি ভাষার ছবি রিকশা গার্ল।

ঢালিউড থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন