বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
default-image

আহমেদ মুজতবা জামাল বলেন, ‘বিভিন্ন দেশের সাত শর মতো সিনেমা আমরা পেয়েছি। সব সিনেমা জায়গা দেওয়া সম্ভব হবে না। করোনাভাইরাসের নতুন ভেরিয়েন্ট নিয়ে কিছু চিন্তায় আছি। কারণ, এবার আমাদের এক শয়ের মতো অতিথি আসবে। সবকিছুই প্রক্রিয়া মধ্যে রয়েছে। কিন্তু আমাদের যে বাজেট, সেই জায়গায় এখনো ঘাটতি রয়েছে। আমাদের অর্থনৈতিক সহায়তা দরকার।’

default-image

এবারের উৎসবে এশিয়ান কমপিটিশনে প্রতিযোগিতা করবে ২১টি সিনেমা। এই শাখায় বাংলাদেশ থেকে একমাত্র ইন্দ্রনীল রায় চৌধুরীর ‘মায়ার জঞ্জাল’ সিনেমাটি অংশ নিচ্ছে। সিনেমা অব ওয়ার্ল্ড শাখায় দেখানো হবে ৪৬টি সিনেমা। এই শাখায় বাংলাদেশ থেকে প্রতিযোগিতা করবে গোলাম মুস্তাফার ‘আ ফাদারস ডায়েরি’ ও আবিদ হুসাইন খানের ‘ডিজেপিয়ারিং প্রফেশন’। উইমেন ফিল্ম মেকার সেকশনে অংশ নেবে ২৫টি সিনেমা। এ ছাড়া স্পিরিচুয়াল শাখায় ২৯টি, চিলড্রেন শাখায় ১৮টি, শর্ট অ্যান্ড ইন্ডিপেনডেন্ট শাখায় ৬০টি সিনেমা দেখানো হবে। এ বছর নতুন শাখা ওয়াইড অ্যাঙ্গেলে দেখানো হবে বাংলাদেশের পরিচালক শাহীন দিল রিয়াজের ৬টি সিনেমা। বাংলাদেশের সিনেমা নিয়ে বাংলাদেশ প্যানারোমা শাখায় ৯টি সিনেমা দেখানো হবে।

default-image

উৎসবের সিনেমাগুলো জাতীয় জাদুঘরের প্রধান মিলনায়তন ও কবি সুফিয়া কামাল মিলনায়তন, কেন্দ্রীয় গণগ্রন্থাগারের শওকত ওসমান স্মৃতি মিলনায়তন, শিল্পকলা একাডেমির জাতীয় চিত্রশালা ও নৃত্যশালা মিলনায়তন, অলিয়ঁস ফ্রঁসেজ মিলনায়তন, মধুমিতা সিনেমা হল এবং বসুন্ধরা সিটি ও সীমান্ত স্কয়ারের স্টার সিনেপ্লেক্সে দেখা যাবে। উৎসবের আগের আসরটি চলতি বছরের জানুয়ারিতে করোনার মধ্যেই অনুষ্ঠিত হয়। ৯ দিনব্যাপী সেই উৎসবে বাংলাদেশসহ ৭৩টি দেশের ২২৭টি চলচ্চিত্র প্রদর্শিত হয়। গত বছর সেরা সিনেমা হয় কাজাখস্তানের ‘দ্য রোড টু দ্য ইডেন’।

ঢালিউড থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন