বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
default-image

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে নতুন মঞ্চনাটক ‘স্বপ্নভুকের শুভারম্ভ’ নামের একটি পেজে নাটকটি সম্পর্কে কিছু বার্তা দেওয়া হয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে, মানুষের একেকটি স্বপ্ন গ্রাস করে একেকটি বাস্তবতা। আবার সেই বাস্তবতায় রচিত হয় মানুষের নতুন নতুন স্বপ্ন। এই স্বপ্নের মূলে থাকে সত্য। আদিকাল থেকেই মানুষ সত্যান্বেষী। চিরকাল সে সত্য জীবনের প্রয়োজনেই মানুষ গ্রহণ করেছে দ্বিধাহীনভাবে। এ সত্যই আলোকিত করে মানুষের প্রার্থিত জীবন। জীবনের আবশ্যিক শর্ত যে সপ্রাণতা, সেই বিশিষ্ট চিরচঞ্চল দিকটি নিজের প্রয়োজনেই সৃষ্টি করে নেয় ভিন্নতর গঠন-সংজ্ঞা, নিজের গন্তব্য অনুযায়ী ঠিক করে নেয় লক্ষ্য ও গতি। এমনই এক জীবনের ভেতরে আরেক জীবন অর্জনের গল্প বলবে ‘স্বপ্নভুক’।

default-image

সৈয়দ শামসুল হকের ‘জনক ও কালোকফি’ উপন্যাস অবলম্বনে লেখা নাটক ‘স্বপ্নভুক’। উপন্যাসটি ১৯৬৩ সালে লিখেছিলেন তিনি। লেখক এটি ইংরেজিতে অনুবাদ করেছিলেন। ‘দ্য ড্রিমইটার’ নামে এটি প্রকাশিত হয়েছিল ষাটের দশকে বাংলা একাডেমির ইংরেজি সাহিত্যপত্রে। ‘স্বপ্নভুক’ নাটকের নাট্যকার ও নির্দেশক সাইফ সুমন সংবাদমাধ্যমকে জানান, ‘উপন্যাসজুড়ে রয়েছে ঘটনার বর্ণনা এবং সেই ঘটনার ফলে ব্যক্তিমনের অবস্থা ও তার দার্শনিক মনোবিশ্লেষণ। উপন্যাসটি পাঠ করতে করতেই মাথায় ভাবনা চলে আসে এটি নিয়ে মঞ্চে কাজ করার। সৈয়দ হকের ভাষার সৌন্দর্য আমাকে মুগ্ধ করে। নাটকে তাঁর গদ্যভাষাটাই রাখতে চেষ্টা করেছি। নাটকে ব্যবহৃত কবিতাগুলো সৈয়দ শামসুল হক ও সুমন মজুমদার রচিত।’

default-image

সাইফ সুমন আরও বলেন, ‘বেশ কয়েক বছর ধরে বাইরের ঘটনার চেয়ে মানুষের মনের অন্তর্গত ঘটনাগুলোই আমাকে কৌতূহলোদ্দীপিত করছে। ক্ষমতার রাজনীতি নিয়ে আমরা যতটা ভাবিত, সম্পর্কের রাজনীতিগুলো ততটাই গুরুত্বহীন আমাদের কাছে। আমাদের অন্তর্গত জগতে গন্ডগোল আছে বলেই সময়ের এ হাহাকার অবস্থা। দেশ ও রাজনীতির কিছুই পরিবর্তন হবে না, যত দিন মানুষ মানুষ না হচ্ছে। সেই মানুষভজন, তার ব্যক্তি–জীবনবীক্ষণ উপেক্ষিত থেকেছে আমাদের থিয়েটারে।’
‘স্বপ্নভুক’ নাটকে ‘কবি’ চরিত্রে মোহাম্মদ বারী এবং ‘ছায়া’ চরিত্রে এস আর সম্পদ।

নাটক থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন