বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
default-image

এর মধ্যে আছেন সৈয়দ জামিল আহমেদ, তারিক আনাম খান, ভাস্বর বন্দ্যোপাধ্যায়, গোলাম সারোয়ার, লিয়াকত আলী লাকী, কামাল উদ্দিন নীলু প্রমুখ। তারিক আনাম খান ফরাসি নাট্যকার মলিয়েরের ‘দ্য মাইজার’ অবলম্বনে অনুবাদ করলেন ‘কঞ্জুস’। ১৯৮৩ সালের প্রথম দিকে নাটকটি মঞ্চে আনা হয়। ১০টি প্রদর্শনীর পর ১৯৮৭ সালে নাটকটি সম্প্রচারিত হয় বিটিভিতে। তারপর নাট্যদল আর নাটকটি মঞ্চস্থ করেনি। পরে নতুন আঙ্গিকে নাটকটি মঞ্চে আনে লোক নাট্যদল। নির্দেশনা দেন লিয়াকত আলী লাকী।

default-image

মলিয়েরের নাটকটি পুরোপুরি বাংলাদেশি আবহে এনে ফেলা হয়েছে। সংলাপে ব্যবহার হয়েছে পুরান ঢাকার ভাষা। পুরান ঢাকার বাসিন্দাদের জীবনধারার আবহ তৈরি করার জন্য এই নাটকে পুরোনো দিনের জনপ্রিয় সব হিন্দি গান ব্যবহৃত হয়েছে। প্রথম আলোকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে লোক নাট্যদলের প্রধান লিয়াকত আলী বললেন, জীবদ্দশায় মলিয়ের সমালোচকদের দ্বারা নানাভাবে সমালোচিত হয়েছেন। কিন্তু তাঁর নাটক দেশে দেশে মানুষের মধ্যে কত যে শক্তি সঞ্চারিত করেছে, তা কঞ্জুস দিয়েই বোঝা যায়।

নাটকটির শততম প্রদর্শনী হয় ১৯৯৩ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি। ৪০০তম প্রদর্শনী হয় ২০০১ সালের ২১ সেপ্টেম্বর। ২০০৬ সালের ২৯ ডিসেম্বর নাটকটির ৫০০তম প্রদর্শনী হয়। ২০১৭ সালের ১৫ ডিসেম্বর নাটকটি ৭০০তম প্রদর্শনী হয়।

default-image

দেশ ও বিদেশে বহু পুরস্কারও অর্জন করেছে কঞ্জুস। ১৯৯৩ সালে দিল্লিতে অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক অলিম্পিকে অন্যতম সেরা প্রযোজনার পুরস্কার পেয়েছে। মোনাকোয় অনুষ্ঠিত ‘বিশ্ব থিয়েটার উৎসব ২০১৩’তে অংশগ্রহণ করে প্রশংসিত হয়। যুক্তরাজ্যের ব্র্যাডি সেন্টারেও কঞ্জুস-এর উপস্থাপনা দর্শকনন্দিত হয়।

নাটক থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন