default-image

নাটকের দল ‘নাট্যজন’-এর সভাপতি ও গ্রুপ থিয়েটার আন্দোলনের অন্যতম পুরোধা ব্যক্তিত্ব তবিবুল ইসলাম বাবু মারা গেছেন। গতকাল শুক্রবার সন্ধ্যা ৬টা ৪৫ মিনিটে রাজধানীর একটি হাসপাতালে শেষনিশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। তাঁর বয়স হয়েছিল ৭৭ বছর। বাংলাদেশে গ্রুপ থিয়েটার ফেডারেশনের সেক্রেটারি জেনারেল কামাল বায়েজিদ তাঁর মৃত্যুর খবরটি নিশ্চিত করেছেন।

তবিবুল ইসলাম বাবু বার্ধক্যজনিত নানা অসুখে আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসাধীন ছিলেন রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে। জানা যায়, সেখানেই তিনি করোনায় আক্রান্ত হন। ধানমন্ডির তাকওয়া মসজিদে দাফনের পর আজই তাঁকে রায়েরবাজার কবরস্থানে দাফনের কথা রয়েছে।

দীর্ঘ সময় মঞ্চে কাজ করেছেন তবিবুল ইসলাম বাবু। মঞ্চজীবনে পেয়েছেন অনেক সম্মান। তবে আক্ষেপ ছিল তাঁর। খেলা, টিভি নাটকের মতো ক্ষেত্রগুলো যতটা পৃষ্টপোষকতা পেত; মঞ্চনাটক ততটা পেত না বলে আক্ষেপ ছিল এই নাট্যজনের। কলকাতায় যেখানে পাড়ায় পাড়ায় মঞ্চ, সেখানে শিল্পকলা একাডেমির তিনটি মঞ্চ নিয়ে ঢাকার নাটক, এ নিয়েও আফসোস ছিল তাঁর।

বিজ্ঞাপন
মঞ্চে ‘সেনাপতি’, ‘চারিদিকে যুদ্ধ’, ‘পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়’, ‘ওথেলো’, ‘এখন দুঃসময়’, ‘জমিদার দর্পণ’, ‘মহাপুরুষ’ তাঁর উল্লেখযোগ্য নাটক। এ ছাড়া ‘আমি রাবেয়া’ ও ‘জীবনঢুলি’ নামে দুটি সিনেমাতেও তিনি কাজ করেছেন।
default-image

মঞ্চে অনেক নাটকে অভিনয় করেছেন তবিবুল ইসলাম বাবু। সেসবের মধ্যে ‘সেনাপতি’, ‘চারিদিকে যুদ্ধ’, ‘পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়’, ‘ওথেলো’, ‘এখন দুঃসময়’, ‘জমিদার দর্পণ’, ‘মহাপুরুষ’ উল্লেখযোগ্য। এ ছাড়া ‘আমি রাবেয়া’ ও ‘জীবনঢুলি’ নামে দুটি সিনেমাতেও তিনি কাজ করেছেন। তবিবুল ইসলাম ছিলেন ফেরদৌসী মজুমদার, আসাদুজ্জামান নূর, ফজলুর রহমান বাবু, আজাদ আবুল কালাম, মোমেনা চৌধুরীর গুণমুগ্ধ ভক্ত। মঞ্চ নিয়ে কথা উঠলে এই অভিনয়শিল্পীদের কথা সব সময় বলতেন তিনি।

প্রথম আলোর সঙ্গে শেষ সাক্ষাৎকারে জীবনের আনন্দময় একটি ঘটনার কথা জানতে চাইলে তিনি বলেছিলেন হুমায়ূন আহমেদের সঙ্গে স্মৃতির কথা। তিনি বলেন, ‘মঞ্চের জন্য নাটক চাইতে হুমায়ূন আহমেদের বাসায় গিয়েছিলাম। সঙ্গে নিয়েছিলাম একমুঠো কলম। এক সপ্তাহ পর তিনি পাণ্ডুলিপি দিয়েছিলেন। যেদিন মঞ্চস্থ হলো, নাটকটি বই আকারে ছেপে নিজে নিয়ে এসেছিলেন মহিলা সমিতিতে। ভীষণ খুশি হয়েছিলেন।’

নাটক থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন