মহিলা সমিতি মঞ্চে 'মাত্ব্রিং'

‘মাত্‌ব্রিং’-এর একটি দৃশ্য
‘মাত্‌ব্রিং’-এর একটি দৃশ্য

‘ধরিত্রী ও মানব হত্যার বিরুদ্ধে, মুক্তির উৎসবে’ স্লোগানকে সামনে রেখে বেইলি রোডের মহিলা সমিতিতে জমে উঠেছে নতুন নাটকের উৎসব ‘বটতলা রঙ্গমেলা’। গতকাল শনিবার ছিল তৃতীয় দিন। এ দিন সন্ধ্যায় নীলিমা ইব্রাহিম মিলনায়তনে প্রদর্শিত হলো যশোরের বিবর্তন নাট্যদলের নাটক ‘মাত্‌ব্রিং’ (গভীর অরণ্যচারী)।
নাটকটি লিখেছেন সাধনা আহমেদ। নির্দেশনায় দিয়েছেন ইউসুফ হাসান।
শনিবার নাটক শুরুর আগে সন্ধ্যা সাড়ে পাঁচটায় মিলনায়তনের বাইরে নাসিরুদ্দিন নাদিম মঞ্চে সাংস্কৃতিক সংগঠন দৃষ্টির কবিতা আবৃত্তি পরিবেশন করে।
পরে বটতলা সম্মাননা তুলে দেওয়া হয় রাজশাহী বিভাগের নাট্যজন শ্যামল আচার্য্যকে। পদক তুলে দেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের থিয়েটার অ্যান্ড পারফরমেন্স স্টাডিজ বিভাগের অধ্যাপক ওয়াহিদা মল্লিক।
ঠিক সন্ধ্যা সাতটায় শুরু হয় নাটক। নাটকের পর বিবর্তনের সদস্যদের হাতে বটতলার উৎসব স্মারক তুলে দেন অভিনেতা ও নির্দেশক তৌকীর আহমেদ। নাটক শেষে নাটকের নির্দেশক যোগ দেন বহিরাঙ্গনের রঙ্গ আড্ডাতে।
আজ রোববার বহিরাঙ্গনে স্বরূপ অ্যান্ড ফ্রেন্ডসের পরিবেশনায় গান দিয়ে শুরু হয়েছে চতুর্থ দিনের আয়োজন। সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টায় সম্মাননা পদক দেওয়া হবে রংপুর বিভাগের শাহজাহান শাহকে। নাট্যাভিনেত্রী চিত্রলেখা গুহ পদকটি তুলে দেওয়ার কথা।
সন্ধ্যা সাতটায় রয়েছে নাগরিক নাট্যাঙ্গনের নাটক ‘গহর বাদশা ও বানেছা পরী’। নাটক শেষে চলচ্চিত্র পরিচালক মোরশেদুল ইসলাম নাগরিক নাট্যাঙ্গনকে উৎসব স্মারক তুলে দেবেন। এরপর যথারীতি রয়েছে রঙ্গ আড্ডাতে নির্দেশকের সঙ্গে দর্শকের আলাপচারিতা।
‘বটতলা রঙ্গমেলা ২০১৬’র আয়োজনে সহযোগিতা করেছে সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়, ইএমকে সেন্টার, প্রাইম ব্যাংক ও ঢাকা ব্যাংক।