বিজ্ঞাপন

অপূর্ব অভিনীত বেশ কিছু নাটক রয়েছে আলোচনায়। তিনি বলেন, ‘আলোচিত নাটকগুলোই ভালো নাটক, বিষয়টা এমন নয়। অনেক সময় ভালো নাটকও প্রচারণার অভাবে, নানা কারণে ‘আন্ডাররেটেড’ থেকে যায়। আর ঈদে বা উৎসবের মেজাজের সঙ্গে ‘কমেডি’ বা ‘হ্যাপি এন্ডিং’-এর নাটকগুলো বেশি দেখার সংস্কৃতি এখনো চলছে। এর মধ্যেও এবারের ঈদে নাটকের গল্পে বৈচিত্র্য ছিল।’

default-image

এবারের ঈদুল ফিতরে নতুন সিনেমা মুক্তি পেয়েছে মাত্র একটি। ফলে ঈদের বিনোদন ছিল নাটক, টেলিছবি, ওয়েব ফিল্ম আর স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রনির্ভর। শুটিং–সংকটে অন্যবারের তুলনায় এবার মুক্তিপ্রাপ্ত নাটকের সংখ্যা কম। তবে বেশ কিছু নাটকের গল্পে দেখা গেছে বৈচিত্র্য। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনলাইনকেন্দ্রিক কনটেন্ট নিয়ে দর্শক জানিয়েছেন তাঁদের ভালো লাগা, মন্দ লাগা। সেই প্রমাণ মেলে ইউটিউবে ‘ভিউ’, মন্তব্য আর ফেসবুকে নাটকের গ্রুপগুলোতে ঢুঁ দিলে।

আলোচিত নাটকগুলোই ভালো নাটক, বিষয়টা এমন নয়। অনেক সময় ভালো নাটকও প্রচারণার অভাবে, নানা কারণে ‘আন্ডাররেটেড’ থেকে যায়।
অপূর্ব

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বারবার যে নামগুলো উচ্চারিত হয়েছে, সেগুলোর ভেতর ‘পাশের বাসার ছেলেটা’, ‘মায়া’, ‘সিকিউরিটি গার্ড’, ‘তেজপাতা’, ‘রাত গভীর হয়’, ‘অহং’, ‘শহরে টুকরো রোদ’, ‘লাবণী’, ‘আবার ভালোবাসার সাধ জাগে’, ‘নামকরণ’, ‘একটুখানি’, ‘মিস্টার গিট্টু’, ‘মেরুন’, ‘রাজা’, ‘অ্যান্টিহিরো’, ‘মরণোত্তম’, ‘২২শে এপ্রিল’, ‘বরফ কলের গল্প’, ‘বিলাপ’, ‘চরের মাস্টার’, ‘চা খাবেন?’, ‘লাশে গেলাম ফেঁসে’সহ আরও বেশ কিছু কনটেন্ট উল্লেখযোগ্য। এবার বাংলা নামের প্রাধান্য ছিল। কিছু নাটক টেলিভিশনে প্রচারিত হয়েছে এক নামে, ইউটিউবে সে নাম বদলে ফেলা হয়েছে। বৈচিত্র্যময় গল্পের নাটকগুলো দর্শকপ্রিয়তা পেয়েছে।

default-image

ফোনের ওপাশে সাবিলা নূর। টাঙ্গাইলে ঈদুল আজহার নাটকের শুটিংয়ে তিনি ব্যস্ত। ঈদুল ফিতরের নাটকের প্রসঙ্গ টানতেই বললেন, ‘আমি খুবই খুশি। ঈদে আমার সাতটা নাটক আর একটা শর্টফিল্ম মুক্তি পেয়েছে। এর ভেতর পাশের বাড়ির ছেলে, এমন যদি হতো, রক্ত, তেজপাতা, ব্রেকিং নিউজ নাটকগুলো দর্শক দেখেছেন, প্রশংসা করেছেন। তবে আমার হাতে আরও চমৎকার সব গল্পের চিত্রনাট্য ছিল। সেগুলো লকডাউনের বিধিনিষেধে আর শুটিং করা হয়নি।’

“মরণোত্তম” দিয়ে দীর্ঘদিন পর কাজে ফিরেছেন ইলিয়াস কাঞ্চন। তাঁকে মুখ্য চরিত্রে রেখে এই অন্য রকম গল্পটা দর্শক সাদরে গ্রহণ করেছেন।

নির্মাতা সঞ্জয় সমাদ্দার গরমে অস্থির, তাই এখনো শুরু করেননি ঈদুল আজহার নাটকের শুটিং। ঈদুল ফিতরে তাঁর চারটি কাজই কমবেশি সমাদৃত হয়েছে। তিনি বলেন, ‘এবার ঈদে আমার চারটা কাজ চার রকম ছিল। দর্শকের কাছ থেকে বৈচিত্র্যময় সব প্রতিক্রিয়া পেয়েছি। “মরণোত্তম” দিয়ে দীর্ঘদিন পর কাজে ফিরেছেন ইলিয়াস কাঞ্চন। তাঁকে মুখ্য চরিত্রে রেখে এই অন্য রকম গল্পটা দর্শক সাদরে গ্রহণ করেছেন। অভিজ্ঞ শিল্পীদের নিয়ে আমাদের আরও বেশি করে ভাবা দরকার।’

default-image
তবে আমার হাতে আরও চমৎকার সব গল্পের চিত্রনাট্য ছিল। সেগুলো লকডাউনের বিধিনিষেধে আর শুটিং করা যায়নি।
সাবিলা নূর
একজন বা দুজন সহশিল্পীর সঙ্গে জুটিনির্ভর অভিনয় থেকে বেরিয়ে বেশ কিছু সহশিল্পীর সঙ্গে পর্দা ভাগ করে প্রশংসা কুড়িয়েছেন তানজিন তিশা।

তরুণদের মধ্যে প্রশংসিত হয়েছে সাবিলা নূর, সোহেল মণ্ডল, খায়রুল বাশার, ইমতিয়াজ বর্ষণদের অভিনয়। বৈচিত্র্যময় সব চরিত্রে ভালো অভিনয় জারি রেখেছেন জাহিদ হাসান, মোশাররফ করিম, চঞ্চল চৌধুরী, নুসরাত ইমরোজ তিশা, অপূর্ব, আফরান নিশো, মেহ্‌জাবীন চৌধুরী, অপর্ণা ঘোষ, মনোজ প্রামাণিক, শাহেদ আলীরা। একজন বা দুজন সহশিল্পীর সঙ্গে জুটিনির্ভর অভিনয় থেকে বেরিয়ে বেশ কিছু সহশিল্পীর সঙ্গে পর্দা ভাগ করে প্রশংসা কুড়িয়েছেন তানজিন তিশা। সাড়া ফেলেছে শাফায়েত মনসুর রানার ‘শর্টকাট সিরিজ’।

করোনার এই সময়ে সাবধানে শুটিং করতে হয়েছে। এ কারণে নাটকের সংখ্যাও কম। তবে করোনাকালীন জীবনযাপনের ছাপ ছিল গল্পে।

নাটক থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন