বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আজ থেকে ১২ নভেম্বর পর্যন্ত শিল্পকলা একাডেমির জাতীয় নাট্যশালা ও পরীক্ষণ থিয়েটার হলে হবে এ আয়োজন।

default-image

ব্যতিক্রমের ৪৫ বছর পদার্পণের এ আয়োজনে ব্যতিক্রম ছাড়াও দেশের আরও সাতটি দল নাটক প্রদর্শনীতে অংশ নেবে। উদ্বোধনী দিনে মঞ্চায়ন হবে থিয়েটার আর্ট ইউনিটের নাটক ‘কোট মার্শাল’। এ ছাড়া উৎসবে নাট্যচক্র ‘একা এক নারী’, ব্যতিক্রম নাট্যদল ‘পাখি’, সংলাপ গ্রুপ থিয়েটার ‘বোধ’, শব্দ নাট্যচর্চা কেন্দ্র ‘চম্পাবতী’, চট্টগ্রামের নান্দিমুখ ‘তবুও মানুষ’, প্রাঙ্গণেমোর ‘কনডেম সেল’ ও লোক নাট্যদল ‘সোনাই মাধব’ মঞ্চায়ন করবে।
নাট্যোৎসবের পাশাপাশি সম্মাননা প্রদান করা হবে নাট্যব্যক্তিত্বদের। নাট্যব্যক্তিত্ব সৈয়দ মহিদুল ইসলামের নামে প্রবর্তিত নাট্যপদক পাচ্ছেন বিশিষ্ট নাট্যব্যক্তিত্ব তারিক আনাম খান।

default-image

থাকছে মঞ্চবন্ধু ও যুগল সম্মাননা। মঞ্চবন্ধুপদক পাচ্ছেন নাট্যকার, নির্দেশক ও অভিনয়শিল্পী অলোক বসু, নাট্যকার, নির্দেশক ও অভিনেতা সেলিম মাহবুব, অভিনেতা, শব্দ ও সংগীত পরিকল্পক শাহাদাৎ হোসেন, অভিনেতা ও আবৃত্তিশিল্পী তানভীন সুইটি, মঞ্চশিল্পী আহাম্মেদ গিয়াস। অভিনেতা, নির্দেশক ও সংগঠক যুগল সম্মাননা পাচ্ছেন মুনীর হেলাল ও সাবিরা সুলতানা বীণা, ওমর সানী ও মৌসুমী, মোহাম্মদ জসীম উদ্দিন ও এনামতারা সাকী, বাকার বকুল ও রুনা কাঞ্চন।

১৯৭৭ সালে দিল্লির ন্যাশনাল স্কুল অব ড্রামা (এনএসডি) থেকে নাট্যতত্ত্বে স্নাতকোত্তর করে এসেছিলেন সৈয়দ মহিদুল ইসলাম। সহপাঠী হিসেবে সেখানে পেয়েছিলেন রাজ বাব্বর, স্মিতা পাতিল, নাসিরউদ্দিন শাহকে। তাঁর সেই পড়াশোনা ঢাকার নাটককে সমৃদ্ধ করতে কাজে দিয়েছিল।

default-image

১৯৮৪ সালে ঢাকায় তিনি চালু করেছিলেন ‘স্কুল অব অ্যাকটিং’। অভিনয় শিখে ঢাকার ছেলেমেয়েরা অভিনয়শিল্পী হবে, এই ছিল তাঁর স্বপ্ন। তিনি নিজে লিখতেন, বিদেশি নাটক অনুবাদ করতেন, নির্দেশনা দিতেন, স্টেজ সাজাতেন। তাঁর নাটকে অতিকায় সেট থাকত না, অভিনয়টাই সেখানে গুরুত্ব পেত। নিজে অভিনয় করেছেন টিভি নাটকে, চলচ্চিত্রে। এমনকি চলচ্চিত্র নির্মাণও করেছেন তিনি। তাঁর নির্মিত ছবি দুটি হলো ‘আমি কার’ও ‘স্বপ্নযাত্রা’।

নাটক থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন