বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
default-image

অনেকে গানটা কাভার করছেন, টিকটক করছেন।

অদ্ভুত রকম ভালো লাগছে। একসময় আমরা বড়দের গান নিয়ে এসব করতাম, মানে নিজের মতো করে গাওয়ার চেষ্টা করতাম। এখন যখন দেখি আমার মতো সামান্য গায়কের গাওয়া গান অনেকে গাইছেন নিজের মতো করে, তখন অনেক আনন্দ লাগে, গর্ব হয়।

ফেসবুকে দেখলাম ফাইভ মিলিয়ন লেখা একটা কেক। কে পাঠাল?

আমার এক বন্ধু। জীবনের প্রথম যে রেডিওতে কাজ করেছিলাম, সেখানে আমরা একসঙ্গে অনুষ্ঠান করতাম। সেখানেই পরিচয় ও বন্ধুত্ব। সে সব সময় আমাকে অনুপ্রেরণা দেয়। শিল্প–শিল্পীকে সম্মান দিতে জানে, এ রকম একজন সে। সে কবিতা লেখে, আমিও তাঁর ভক্ত।

default-image

গান নিয়ে কখনো হতাশ হন?

গানের মাধ্যমে আমরা অনেক সূক্ষ্ম অনুভূতি প্রকাশ করি কিন্তু সেসব ঠিকমতো মানুষের কাছে পৌঁছায় না। সামগ্রিকভাবে এটা একটা হতাশারই ব্যাপার। গানটা এখন হয়ে গেছে বিনোদনের ব্যাপার। মানুষ এখন আর করতালি দিচ্ছেন না। সারা দিনের ক্লান্তি নিয়ে পাঁচ মিনিটের জন্য গানটা শুনে শেষ। কিন্তু শিল্পীদের জন্য করতালি এক অন্য রকম অনুপ্রেরণা।

শুক্রবার রাত ১২টায় এবিসি রেডিওতে আপনার অনুষ্ঠান ‘ইনসমনিয়া’। এত দিন ধরে চলছে কীভাবে এটা?

এই অনুষ্ঠান বহু মানুষের দীর্ঘশ্বাস ফেলার জায়গা। আমি মানুষের কাছে তাঁদের সবচেয়ে কষ্টের ব্যাপারটা জানতে চাই। বহু মানুষ আমাকে তাঁদের দুঃখের কথা জানিয়ে হালকা হয়েছেন। অনেক শ্রোতাও পেয়েছি, যাঁরা মেসেজ করেছেন, এখন কী করব, কোথায় যাব। বাবা–চাচার হাতে নিপীড়নের শিকার মেয়েরা কোথাও তাঁদের কথাগুলো বলার জায়গা পেতেন না, পরিচয় গোপন রেখে আমাদের অনুষ্ঠানে শেয়ার করেছেন। মানুষের আসলে মনের যন্ত্রণা কাউকে বলার নেই। করোনায় অনেক কিছু বন্ধ হয়ে গেলেও আমাদের এই শো বন্ধ হয়নি।

আপনারও নিশ্চয়ই দুঃখ আছে?

আমার একটাই দুঃখ, কোনো ইন্সট্রুমেন্ট বাজাতে পারি না। ছোটবেলা থেকে ভোকালদের ফ্যান ছিলাম। তাই ভোকালটাকেই গড়ে তুলতে চেয়েছি। ইউটিউবে তানপুরা চালিয়ে এখনো একা একা রেওয়াজ করি। এটা আমার একটা লিমিটেশনও বটে।

আলাপন থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন