বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
default-image

দীর্ঘ সময় পর প্রেক্ষাগৃহে আসা দর্শকদের ধরে রাখতে কী কী করতে হবে বলে মনে করেন?

দর্শক যে ধরনের ছবি পছন্দ করছেন, সে ধরনের ছবি নিয়মিত বিরতিতে মুক্তি দিতে হবে। বছরে একটি বা দুই বছরে একটি ভালো ছবি তৈরি হলো, এমন নয়। উৎসব ছাড়াও এমন ছবি মুক্তি দিতে হবে, যা দেখতে দর্শকেরা প্রেক্ষাগৃহে ভিড় করেন। এতে ছবি দেখাটা একটা অভ্যাসে পরিণত হবে। সিনেমা দেখা, সিনেমা হলে আসা—চর্চার বিষয়। এবার ফ্যামিলি অডিয়েন্স শান দেখলেন, গলুই দেখছেন, তাঁদের নিরাশ না করে পরবর্তী সময়ে যেন একটা ভালো ছবি দিতে পারি—আমাদের এই চেষ্টা থাকতে হবে। যেমন ২০ মে পাপ পুণ্য মুক্তি পাচ্ছে। আমার মনে হয়, এই ছবি দিয়ে দর্শকদের আমরা ভালো কিছু দিতে পারব। দর্শকেরা আবার আনন্দিত হতে পারবেন।

এই ছবি আপনার অভিনয়জীবনে নতুন কী যোগ করবে?

শান যে ধরনের ছবি, পাপ পুণ্য একেবারেই তা থেকে ভিন্ন। এটা আমার অভিনয়জীবনে অলরেডি অনেক কিছু যোগ করেছে। খুব সুন্দর একটি অভিজ্ঞতা হয়েছে। এই ছবিতে দারুণ সব অভিনয়শিল্পীর সঙ্গে কাজ করার সুযোগ পেয়েছি, যাঁরা প্রত্যেকে প্রত্যেকের জায়গায় সেরা। পরিচালকের কথাই যদি বলি, তাঁর সঙ্গে আমার প্রথম কাজ করার সুযোগ হয়েছে, সেখান থেকেও অনেক কিছু শেখার ছিল।

default-image

আপনার অর্জনের কথা বললেন। দর্শক ছবি থেকে নতুন কিছু পাবে বলে আপনার মনে হয়?

আমাদের বাংলা চলচ্চিত্রের জন্য পাপ পুণ্য কিন্তু অলরেডি মাইলফলক স্পর্শ করেছে। যতটুকু জানতে পেরেছি, আমেরিকা ও কানাডায় ১১২টি হলে মুক্তি পাচ্ছে ছবিটি। এটা আমাদের বড় অর্জন। আমরা বারবার বলি, আমাদের টেকনিক্যাল সাপোর্ট থেকে শুরু করে সবকিছুতে লিমিটেশন থাকে। আমাদের বাজার যদি বড় হয়, দেশের বাজারের বাইরেও একটা বাজার যদি তৈরি হয়, এটা অবশ্যই আমাদের সিনেমার জন্য পজিটিভ। তখন সিনেমাতে আরও নিরীক্ষা ও লগ্নির সুযোগ আসবে। সিনেমার ব্যবসাটা শুধু একটি বাজারকেন্দ্রিক হবে না। আমার মনে হয়, পাপ পুণ্য অডিয়েন্সকে একটা কিছু দিতে পারবে। আমাদের দেশে ছবিটি যখন রিলিজ হবে, একই দিনে প্রবাসীরাও দেখতে পারবেন—এটা দারুণ ব্যাপার মনে হচ্ছে। আমাদের এই ছবির কাস্টিং পজিটিভ। গল্পটা শতভাগ আমাদের বাংলাদেশের গল্প। এই ছবির গল্পের সঙ্গে প্রত্যেকটি মানুষ খুব সহজে রিলেট করতে পারবেন। এই গল্প বোঝার জন্য উচ্চমার্গীয় সিনেমাবোদ্ধা হওয়ার প্রয়োজন নেই। সাধারণ মানুষ পরিবার নিয়ে যেতে পারবেন এবং আমার বিশ্বাস, তাঁরা একটি ভালো গল্প ও ভালো অভিনয় দেখে বের হবেন।

কিন্তু টিজার প্রকাশের পর অনেকেই একটু আশাহত হয়েছেন।

আমার মনে হয়, বাংলাদেশের অডিয়েন্স এরই মধ্যে বুঝে গেছে যে ট্রেলার আর ফিল্ম আসলে বেশির ভাগ ক্ষেত্রে সামঞ্জস্যপূর্ণ হয় না। দর্শকদের টিজার দেখে মন যদি একটু খারাপ হয়, ফিল্ম দিয়ে তাঁদের সেই মন ভালো করে দিতে পারব বলে আশা করি।

default-image

‘শান’ নিয়ে বেশ ছুটছেন। দর্শকের সঙ্গে সরাসরি কথা হচ্ছে। তাঁরা আপনাকে কাছে পেয়ে কোন কথাটি বেশি বলেছেন?

সত্যি কথা বলতে, আমাকে খুব ভালো ফিডব্যাক দিয়েছে বাচ্চারা। শান ছবিটা পছন্দ করেছে তারা। একটা ডায়ালগ বারবার বলছিল, ‘ভিতুরা মরে বারবার আর সাহসীরা মরে একবার।’ আমার আশা, তারা এটা তাদের ব্যক্তিগত জীবনেও প্রয়োগ করবে। আরেকটা ডায়ালগ তাদের পছন্দ হয়েছে, ‘বাঘ দেখলে কেউ তালি দেয় না, বাঘ দেখলে ভাগে।’

আলাপন থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন