বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বাংলাদেশে এ ধরনের কাজ আগে হয়নি। চার দেয়ালের একটা ঘরে পুরো একটা গল্প। আস্তে আস্তে গল্পটা খুলে। ছবির একদম শেষে গিয়ে বোঝা যায় গল্পটা আসলে কী।
default-image

সাফল্যের রহস্যটা কী?

আমি আসলে সেরা একটা টিম পেয়েছিলাম। পরিচালক রায়হান রাফি, ক্যামেরায় রাজীব ভাই, সহশিল্পী বাবু ভাই—সব মিলিয়ে দারুণ একটা টিমের সঙ্গে কাজ করেছি আমরা। সেরা মানুষদের সঙ্গে কাজ করতে গিয়ে আমার কাজটাও অটো ভালো হয়ে যায়। আসলে যখন অনেক ভালো ভালো শিল্পীর সঙ্গে কাজ করা হয়, তখন কাজটা আলটিমেটলি বেরিয়ে আসে। আমার জায়গা থেকে আমি শতভাগ চেষ্টা করেছি। আমার যতটুকু কমতি ছিল, বাবু ভাই, রাফি ভাইয়ের মুনশিয়ানায় তা-ও পূরণ হয়ে যায়। পরিচালকের পরামর্শে নিজেকে ভিন্নভাবে তৈরি করেছি। তৃষ্ণা ও খাবারের ক্ষুধা যেন চেহারায় বোঝা যায়, সে জন্য খুব কম খেতাম। সকালে হালকা নাশতা, দিনে হালকা ফলমূল। এমনও হয়েছে, সারা দিন খালি পেট, রাতে হোটেলে ফিরে হালকা কিছু খেলাম আরকি। আপনি তো ছবিটা দেখেছেন। ওই যে একটা সিন আছে না, পাউরুটি খাচ্ছি। ওটা সত্যি সত্যি ময়লা ছিল। কলের টেপে মুখ লাগিয়ে পানি খাওয়ার দৃশ্যটাও ন্যাচারাল ছিল, আমাকে ওই ময়লা পানিই খেতে হয়েছে।

default-image

কেমন সাড়া পেলেন?

যথেষ্ট ভালো সাড়া পেয়েছি। প্রচুর কল, এসএমএস পেয়েছি। যারা একবার দেখেছে, প্রশংসা করেছে। এখন তো নতুন চ্যালেঞ্জ। ব্যাক টু ব্যাক দু–তিনটা ভালো কাজ যাওয়ার পরে হুট করে যেকোনো কাজে যাওয়া যায় না। তা ছাড়া যেহেতু বেশ কিছুদিন দেশে থাকব না, তাই কাজ আমি শুরু করিনি। জানুয়ারিতে দেশে ফিরে আশা করি পুরোদমে কাজ শুরু করব। কয়েকটি ভালো কাজে নিজেকে প্রমাণ করতে পেরেছি, ঠিক করেছি, এখন একদম বেছে বেছে কাজ করব।

default-image

সামনে দর্শক আপনাকে নতুন কোন কাজে দেখবে?

আনন্দী ছবিটির কাজ শেষ করলাম। ডাবিংও শেষ। যৌনপল্লির শিশুদের জীবনের গল্প। দৌলতদিয়া যৌনপল্লিতে শুটিং করেছি। সে এক অন্য রকম অভিজ্ঞতা। অনেক কিছু শিখতে পেরেছি এ ছবি করতে গিয়ে। অন্যদিকে ফ্রম বাংলাদেশ ছবিরও কাজ প্রায় শেষ। আমার শুটিং শেষ, ডাবিং বাকি আছে। এটিও মুক্তিযুদ্ধের সময়কার গল্পের ছবি। সাদাকালো ছবি।

default-image
যারা একবার দেখেছে, প্রশংসা করেছে। এখন তো নতুন চ্যালেঞ্জ। ব্যাক টু ব্যাক দু–তিনটা ভালো কাজ যাওয়ার পরে হুট করে যেকোনো কাজে যাওয়া যায় না। তা ছাড়া যেহেতু বেশ কিছুদিন দেশে থাকব না, তাই কাজ আমি শুরু করিনি। জানুয়ারিতে দেশে ফিরে আশা করি পুরোদমে কাজ শুরু করব।
default-image

শুনলাম প্রযোজনায়ও আসছেন।

ঠিকই শুনেছেন। ফেব্রুয়ারিতে ঘোষণা দিয়ে কাজও শুরু করে দিয়েছি। তবে কাজটা সিরিয়াসলি করছি, করব। তবে ধীরে, সাবধানে এগোব। আমরা কষ্টার্জিত অর্থের যথাযথ বিনিয়োগ করব। আমি চাই, আমার টাকাটার প্রপার ইউটিলাইজ হোক। ইতিমধ্যে তৌকীর ভাইয়ের সঙ্গে একটা চুক্তিও করেছি। কিছুটা বিনিয়োগও করেছি। পরে তিনি আমেরিকায় চলে গেলেন, কোভিডের নতুন ঢেউ এল, আমাদের কাজটাও পিছিয়ে গেল।

আলাপন থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন