বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

বিচ্ছেদের এত দিন পর আপনার সাবেক স্ত্রী এ ধরনের অভিযোগ কেন সামনে আনলেন?

একটা ঘটনা এক বছর আগে যেখানে শেষ হয়ে গেছে, সেটা এখন কেন সেনসেশনালাইজড করা হচ্ছে! কেউ যদি অন্য কোনো ইস্যুতে তোপের মুখে থাকেন, এটাকে দিয়ে কনসেনট্রেশন হয়তো অন্যদিকে ডাইভার্ট করা উদ্দেশ্য হতে পারে। যদিও আমি নিশ্চিত নই। আই ডোন্ট নো, এটা আমার ধারণা। আমি ডমেস্টিক ভায়োলেন্স কখনোই সাপোর্ট করি না। স্বামী বা স্ত্রী যে–ই হোক, কেউ কারও গায়ে কখনো হাত তুলতে পারবে না। ডমেস্টিক ভায়োলেন্সে জড়িত থাকতে পারবে না। আমি কখনোই এসব সাপোর্ট করি না। এখানে সে (শবনম ফারিয়া) যে অভিযোগ এনেছে, তা সত্যিই খুব দুঃখজনক। তা ছাড়া ও (ফারিয়া) কিন্তু সরাসরি কোথাও বলেনি, আমি মেরে হাত ভেঙে দিয়েছি। ভাসা–ভাসাভাবে লিখেছে, যেটার মিনিং দাঁড়ায় যে হাতটা আমি ভেঙে দিয়েছি।

default-image

আপনার কাছে সরাসরি জানতে চাই, আপনার বিরুদ্ধে হাত ভাঙার অভিযোগ সত্য কি মিথ্যা?

আমি এটা স্বীকার করছি না। এটা একদম মিথ্যা। হতে পারে মানসিকভাবে সে ডিস্টার্বড আছে। নয়তো অন্য কোনো ব্যাপারে কনসেন্ট্রেশনটা অন্যদিকে ডাইভার্ট করতে চাইছে; এটা হয়তো হতে পারে, যা আমি আগেও বলেছি।

এত দিন পর এমন একটি ইস্যু তাহলে সামনে এল কেন?

এটা নিয়ে এভাবে সংবাদমাধ্যমে লেখালেখির কারণে আমার পরিবার অকোয়ার্ড একটা পরিস্থিতিতে পড়েছে। বিভিন্ন জায়গায় নিউজ আসছে, আমি বউ পিটাইছি, এই ইমেজ আমি নিজেও কখনো চাইনি। কিন্তু ও (শবনম ফারিয়া) তো এত দিন পর্যন্ত অন্য অনেকের কাছে আমাকে রেসপেক্ট করেছে বলে শুনেছি। আমার পয়েন্টটা হচ্ছে, আমার প্রতি যদি ওর এতই বিরূপ প্রতিক্রিয়া থাকত, তাহলে কিন্তু এই এক বছরে সে আমার সঙ্গে বন্ধু থাকতে চায়, দোয়া করে—এসব বলত না। হঠাৎ এতটা তিক্ত হচ্ছে কেন, এটা আমারও প্রশ্ন। ওর (ফারিয়ার) স্ট্যাটাস দেওয়ার পর আমার প্রথম স্ট্যাটাসে লিখেছিলাম, হতে পারে সে তার জীবনে হ্যাপি না। মানসিকভাবে বিপর্যস্ত। তবে আমি কিন্তু জানি না, সবই আমার ধারণা। হতে পারে সে ইদানীং ইভ্যালি বা অন্যান্য জায়গায় অকোয়ার্ড পরিস্থিতিতে পড়েছে, তাই হয়তো এমন কথা বলেছে। আবারও বলছি, সবই আমার ধারণা।

default-image

আপনাদের বিবাহবিচ্ছেদ তো পারিবারিক সমঝোতার মধ্য দিয়ে হয়েছে।

একদম তাই। আমরা পারস্পরিক বোঝাপড়ার মধ্য দিয়ে ডিভোর্স নিয়েছি, আলাদা হয়েছি। আমাদের তখনো কারও বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ ছিল না। যদি এমন হতো যে ও আমাকে কোনো উকিল নোটিশ পাঠিয়েছে বা আমার বাসা থেকে ওর কাছে নোটিশ গেছে। এ রকম কিছুই কিন্তু হয়নি। আমরা কিন্তু দুজন একসঙ্গে কাজি অফিসে গিয়ে তালাকটা করেছি। ওইখানেও আমরা কোনো কারণে নেতিবাচক মনোভাব দেখাইনি। বনিবনা হয়নি বলা ছাড়া আর তো কিছু নেই। আমি হয়তো সামনে আমার জীবন নিয়ে এগিয়ে যাব, অকারণ এসব নিয়ে কাদা–ছোড়াছুড়ির তো মানে হয় না।

default-image

আপনার দাবি অনুযায়ী আপনি নির্দোষ। তাহলে আপনার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ ছড়ানো হয়েছে, এ নিয়ে আপনি বা আপনার পরিবার কিছু ভাবছেন কি?

এখন পর্যন্ত এ ব্যাপারে কিছুই ভাবিনি। ঘটনাটা তো মাত্র ঘটল। এ ব্যাপারে আমার পরিবার ও কাছের বন্ধুদের সঙ্গেও কথা বলার দরকার আছে। সত্যি কথা বলতে, ও (ফারিয়া) খুব তাড়াহুড়া করে স্ট্যাটাস দিয়ে আবার ডিলিটও করে দেয়, আমি এ ধরনের তাড়াহুড়া করে কিছু করতে চাইছি না। আমি পারিবারিক ছেলে, পরিবার যেভাবে বলে, সেভাবেই পদক্ষেপ নেব। কদিন পর এ ধরনের অভিযোগ আসাটা তো অস্বস্তিকর।

আলাপন থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন