বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আগের তুলনায় অভিনয়ে আপনাকে কিছুটা কম দেখা যাচ্ছে। কেন?

বিশেষ কোনো কারণে নয়। যতটুকু সময় করতে পারি বা ভালো লাগে, চেষ্টা করি অভিনয় চালিয়ে যেতে। এখন পরিবারকে সময় দিতে হয়। তা ছাড়া বাকের খনি, গুলশান এভিনিউ–২ তে অভিনয় করছি। এগুলোর জন্য অনেকটা সময় চলে যায়। এ ছাড়া ভালো গল্প চরিত্র পেলে সব সময়ই অভিনয় করে যাব।

default-image

গতকাল ছিল আপনাদের ১৫তম বিবাহবার্ষিকী। দিনটি কীভাবে উদ্‌যাপন করলেন?

প্রচুর ব্যস্ততার মধ্যে গেছে। পারিবারিক কিছু আয়োজন ছিল। আমার ছেলে-মেয়ে, ভাগনে-ভাগনি, বোন, বন্ধুরা একসঙ্গে বাইরে বের হয়েছিলাম। সবাই মিলে একসঙ্গে বাইরে খাওয়াদাওয়া করেছি। ঘনিষ্ঠ মানুষদের সঙ্গে ভালো সময় কাটিয়েছি। মেয়ে প্ল্যান করে আমাদের অ্যানিভারসারির প্রথম প্রহরে উপহার দিয়েছে।

বিনোদন অঙ্গনে আপনাদের আদর্শ দম্পতি বলা হয়। এ আদর্শ তৈরির রহস্য কী?

কোনো রহস্য নেই। একসঙ্গে থাকার ইচ্ছেটা থাকতে হয়। আমাদের মধ্যে অনেক সমস্যা থাকবে। সেটাকে না বাড়িয়ে সমস্যাগুলো কমানোর চেষ্টা করতে হবে। আমাদের যেমন সবাই বলে আদর্শ দম্পতি, এটা আমাদের সন্তানদেরও বলতে হবে, যে হ্যাঁ, আমাদের বাবা–মা আদর্শ দম্পতি। এ জন্য কিছুটা ত্যাগ স্বীকার করতে হয়। এটাকেই আমি রহস্য বলব। আমি মনে করি, সবকিছুর পরেও আমাদের মধ্যে বোঝাপড়া ভালো। আমাদের মধ্যে পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ আছে। আমরা একে অন্যকে শ্রদ্ধা করি।

পরস্পরের বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ নেই, এ রকম কিন্তু আজকাল হয় না!

অভিযোগ থাকেই। সব পরিবারের মতো আমরাও আলাদা নই। আমাদের প্রচুর তর্কবিতর্ক হয়। দেখা যায়, না বুঝে অনেক সময় তর্ক হয়। কারণ, আমরা নিজেরা নিজেদের ভুল কী, সেটা বুঝতে পারি। একসঙ্গে চলতে গেলে মান–অভিমান থাকবেই। সেগুলো নিজেদের জায়গা থেকে বোঝার চেষ্টা করি। তাঁকে (শাহেদ) নিয়ে আমার কোনো অভিযোগ থাকলে সেটা সে খণ্ডানোর চেষ্টা করে। অনেক সময় সে নিজেই ভুল স্বীকার করে। সন্তানদের কথা ভেবে কখনোই আমরা পরস্পরের সঙ্গে কথা বলা বন্ধ করি না। এতে তাদের মনের ওপর বিরূপ প্রভাব পড়বে। মোট কথা, আমাদের বড় ধরনের কোনো মান-অভিমান হয় না।

default-image

আপনার স্বামী (শাহেদ আলী) কি বাসার কাজ করেন?

সরাসরি কোনো কাজ করে না। করলেও আমার মনমতো হয় না। অনেক বিষয়ই সে আমার ওপর ছেড়ে দেয়।

এই দীর্ঘ দাম্পত্য জীবনে সেরা প্রাপ্তি কী?

আমার দুই সন্তান। তা ছাড়া মানুষ আমাকে চেনে, সম্মান করে। এগুলোই প্রাপ্তি।

২২ বছরের ক্যারিয়ারে পেছনে তাকালে কোন ঘটনাগুলো অনুপ্রাণিত করে?

পেছনে খুব বেশি তাকাই না। আগে অনেক কাজ করেছি, এখন বড় হচ্ছি, এই তো। এটা ভাবি যে, আমাকে তেমন একটা স্ট্রাগল করতে হয়নি। সময়ের সঙ্গেই আমি এগিয়েছি। ক্যারিয়ার নিয়ে কোনো ঝামেলা হতে পারে, এসব বিয়ের সময় ভাবিনি। যখন বাচ্চা নেওয়ার দরকার ছিল, নিয়েছি। আমি আমার মতো করেই পরিবারকে সময় দিয়েছি। এখন সন্তানেরা বড় হচ্ছে, তাদের কথা ভেবে ভবিষ্যতের কথা ভাবতেই ভালো লাগে।

default-image

ক্যারিয়ার নিয়ে কোনো আফসোস আছে?

না, নেই। আমি খুবই খুশি। কিছু আফসোস আছে, কিন্তু যখন সন্তানের মুখের হাসি দেখি, তখন কোনো কিছুই মনে থাকে না। এবারও আমাদের বিবাহবার্ষিকীতে তারা সারপ্রাইজ দিয়েছে। এসব উপহার যখন পাই, তখন মনে হয়, অনেক কিছু না পাওয়ার চেয়েও এটাই সেরা পাওয়া।

default-image
আলাপন থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন