বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

জেমসের সঙ্গে কখনো দেখা হয়েছে, কথা হয়েছে?

রিয়েলিটি শো শেষে আমার প্রথম ইউএসএ ট্যুর নগরবাউলের চুক্তিতে। সেই ট্যুরে নগরবাউলের সঙ্গে একসঙ্গে হোটেল রুম শেয়ার ও ঘোরাঘুরি করছি। আমার জীবনের সবচেয়ে বড় অর্জন আসলে পাওয়ার ভয়েস উইনিং মনে করি না, আমি যাকে ফলো করি, আইডিওলাইজ করি, তাঁর সঙ্গে ট্যুর করতে পারা, একই মঞ্চে গাইতে পারা—স্বপ্নের মানুষের সঙ্গে বিদেশ সফর সত্যিই রোমাঞ্চকর।

default-image

এবার আপনার প্রসঙ্গ। রিয়েলিটি শো শেষে আপনার গানের সংখ্যা কম বলে অভিযোগ অনেকের।

পারিবারিক কারণ একটা বড় ব্যাপার। আরেকটা ব্যাপার, আমাদের এখানে নিজের গান গেয়ে জনপ্রিয় হতে হয়। আমি জেমস ভাইয়ের বা তাঁর প্যাটার্নের গান বেশি গাওয়াতে কনসার্টের সংখ্যা বেশি। হাটে–ঘাটে–মাঠে চাহিদা বেশি। কনসার্টে গাইতে গিয়েই নিজের গানের প্রতি সুবিচার করতে পারিনি। আমি নিজে থেকে পরিকল্পনা করে কোনো গান করি না। তবে এত কিছুর পরও ২০–২১টা চলচ্চিত্রে প্লেব্যাক করেছি। সিঙ্গেল করছি। কিন্তু নিজের গান প্রমোট যে করব, সেই আগ্রহ পাচ্ছি না।

কেন?

সংগীত এখনো শিখছি। মনমতোও তো হতে হবে। দর্শকেরা আমাকে দেখলেও অবশ্য জেমস ভাইয়ের গানটাই শুনতে চায়। আমার মা–ও বলেন, ‘নিজের গান করো।’ তবে জেমস ভাইয়ের গান গাওয়াটা স্বপ্নের মতো। কারণ, দর্শক আমার কাছ থেকেও জেমস ভাইয়ের গান শুনতে চায়। একই রিঅ্যাকশন পাচ্ছি। কনসার্টে আমরা যে চেষ্টা করি, সফল হয় তখন, যখন দর্শক হাততালি দেয়।

নিজের গান করতে না পারার দুঃখবোধ আছে?

এটা আমাকে পোড়ায়। আমার নিজের ও বন্ধুদের লেখা ও সুর করা অনেকগুলো গান রয়েছে। এই গানগুলো করব। আমি আসলে একটু আলসে টাইপের। প্রচারবিমুখ। জেমস ভাইকে অনুসরণ করতে গিয়ে তাঁর জীবনের অনেক কিছুও আমার মধ্যে ভর করেছে। তবে আমি এটাও ভাবি, আমার তো মাত্র শুরু। এবারের আরটিভি মিউজিক অ্যাওয়ার্ডে বেস্ট প্রমিজিং শিল্পীর মনোনয়ন পেয়েছি। তাই আমি মনে করি, এখনো নবাগত।

default-image

আপনার সংগীতজীবন নিয়ে স্বপ্ন কী?

খুব বেশি দৌড়াদৌড়ি না করা। নিজের গান করা। ভালো গান করা, যেটা বাণী বহন করে। আমরা যেমন জেমস ভাইয়ের গান শুনে মোহিত হয়েছি, তেমনি পরের প্রজন্মও আমাদের গানগুলো শুনে যেন মোহিত হয়।

আলাপন থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন