>কলকাতা থেকে শিকারি ছবির টানা শুটিং শেষ করে ৩ মে দেশে ফিরেছেন অভিনেতা শাকিব খান। এসেই শামীম আহমেদের বসগিরি ছবির শুটিংয়ে অংশ নিয়েছেন। গত বৃহস্পতিবার থেকে এই ছবির শুটিং শুরু হয়েছে। কলকাতায় শুটিংয়ের অভিজ্ঞতাসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে কথা বলেছেন তিনি
default-image

কেমন হলো ‘শিকারি’ ছবির শুটিং?
প্রায় ৪০ দিন একটানা কাজ করেছি। তবে শুটিং এখনো শেষ হয়নি। মাঝে বসগিরি ছবির জন্য আগেই শিডিউল দেওয়া ছিল। এ কারণেই দেশে আসা। যতদূর জানি বসগিরি ঈদুল আজহায় মুক্তি দেওয়া হবে। ২২ মে পর্যন্ত টানা বসগিরি ছবির কাজ হবে। ২৩ মে শিকারি ছবির শুটিং করতে যুক্তরাজ্যে রওনা হব।
কলকাতায় শুটিং অভিজ্ঞতা নিশ্চয় ভালো?
নতুন অভিজ্ঞতা হয়েছে। প্রতিদিন শুটিং শুরু হতো সকাল সাতটায়। এ কারণে ঘুম থেকে উঠতে হতো ভোর ছয়টায়। প্রতিটি দৃশ্য করার আগে মহড়া করতে হয়েছে। আর গানের শুটিংয়ের দুই দিন আগ থেকেই নাচের মহড়া। সবকিছুই নিয়মের মধ্যে। কাজও গোছানো। পেশাদার হলে যা হয় আর কি।
কিন্তু ঢাকার চলচ্চিত্রে এই পেশাদারত্বের অভাব কেন?
আমাদের এফডিসির নিয়মেই তো সমস্যা। সরকারি নিয়ম অনুযায়ী সকাল নয়টার আগে এফডিসির অফিস খোলে না। ফলে এফডিসি থেকে লাইট, ক্যামেরা বা কোনো কর্মীকে সকাল নয়টার আগে পাওয়া যাবে না। আমাদের শিল্পীদেরও দায়িত্ব আছে। কলকাতায় কাজ করতে গিয়ে দেখলাম, সেখানকার চেয়ে ঢাকার চলচ্চিত্রের মানুষের মেধা কম নয়। শুধু কারিগরি দিক থেকে কিছুটা পিছিয়ে আছি আমরা।
আপনার কলকাতার শুটিংয়ের অভিজ্ঞতা কোনো কাজে আসবে কি?
মাঝে একবার উদ্যোগ নিয়েছিলাম। কিন্তু পারিনি। সামনে প্রযোজক সমিতির নির্বাচন হচ্ছে। নির্বাচনের পর প্রযোজক সমিতি ও শিল্পী সমিতি মিলে একটা নিয়মে আসতে চাইছি। এরই মধ্যে বসগিরি ছবির শুটিংয়ের প্রথম দিন থেকেই নিয়মটি চালু করে দিয়েছি।

অনেকই বলছেন, ‘বসগিরি’ ছবি থেকে অপু বিশ্বাসকে আপনি বাদ দিয়েছেন।
বিষয়টি ঠিক না। এই ছবির চরিত্রের জন্য শারীরিকভাবে এখনো প্রস্তুত হতে পারেননি বলে নিজ থেকেই তিনি সরে দাঁড়িয়েছেন। এটি একজন শিল্পীর ভালো দিক। আমি আর অপু বিশ্বাস ঢাকার চলচ্চিত্রে পরীক্ষিত ও জনপ্রিয় জুটি। ফলে ছবি থেকে তাঁকে বাদ দেওয়ার প্রশ্নই আসে না। অপু চাইলে এখনো এই ছবিতে একসঙ্গে কাজ করব।
সাক্ষাৎকার: শফিক আল মামুন

বিজ্ঞাপন
আলাপন থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন