গান মুক্তি পেয়েছে। চাকরি কি খোঁজা লাগবে মনে হয়?

করোনা শুরুর পর থেকে আমার মনের মধ্যে একটা ভয় ঢুকে গেছে। এটাও ঠিক, গানের কাজও করছি। মাঝেমধ্যে চাকরির বইও পড়ি, আবার টুকটাক কাজও করি। এভাবেই চলছে আরকি।

default-image

আপনি তো একটা বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে চাকরিও করছিলেন?

গানের জন্যই ওটা ছেড়ে দিয়েছিলাম। দুটো আসলে একসঙ্গে হয় না। বিশ্ববিদ্যালয়ের চাকরিও যে আমি খুব আনন্দ নিয়ে করছিলাম, তা–ও না।

এখন তাহলে পরিকল্পনা কী?

ভালো সুযোগ পেলে তো অবশ্যই গানের পাশাপাশি চাকরিও করব। গানটা প্যাশন অ্যান্ড প্রফেশন—দুটোই। চাকরির চিন্তা আপাতত নেই, আবার যখন ডিপ্রেশন শুরু হবে, তখন খোঁজা শুরু করব। মাস্টার্স পাস করার পর এটা চলছে।

default-image

আপনি তো যন্ত্রানুষঙ্গ নিয়েও কাজ করতেন।

করছি এখনো। আরও উন্নতি করার চেষ্টা করছি। এর মধ্যে চারজন মেয়ে মিলে একটা ব্যান্ড করেছি। সবাই সবকিছু করি। আমাদের ব্যান্ডের নাম ইচ্ছে গান। সবাই সিঙ্গার, সবাই আবার বিভিন্ন ইনস্ট্রুমেন্ট বাজাতে পারে। আমার দলের অন্য সদস্যরা হলেন কাজী নওরীন, শাকিলা শুক্লা, ইন্নিমা রশ্মি। আমাদের ব্যান্ডের একটা টাইটেল গান তৈরি হয়েছে। ব্যান্ড তৈরির পরিকল্পনা আমাদের কয়েক বছরের ছিল। করোনার মধ্যে সবার ভাবনা এক হওয়ায় ব্যান্ড তৈরি করে ফেললাম।

default-image

গানের ব্যাপারে আপনার পরিবার কতটা আন্তরিক?

মুখে বলে, তারা অতটা পছন্দ করছে না, কিন্তু মনে মনে যে খুশি, এটা বুঝতে পারি। মায়ের সাপোর্ট তো অবশ্যই আছে, না হলে এত বছর তো গাইতে পারতাম না। বিশেষ করে আমার দিদি বেশি সাপোর্ট করে। পরিবারে বড় বোনই একমাত্র গান করতেন, এখন আর করে না। ছোট বোন নাচ করে।

default-image

বাবা পছন্দ করতেন?

বাবাই মূলত আমাকে নিয়ে স্বপ্নটা দেখেছিলেন। তাঁর বিশ্বাস ছিল, মেয়ে একদিন গানের জগতে নাম করবে। ছোটবেলায় বিভিন্ন কম্পিটিশনে বাবা নিয়ে যেতেন। আমাদের তিন বোনকে নিয়ে তাঁর বক্তব্য ছিল, তোমরা পড়াশোনা করতেছ করো, পাশাপাশি কিছু একটা করতে হবে। ২০০৬–এ বাবা মারা যান। বাবা মারা যাওয়ার আগে ওই বছরে আমি ক্লোজআপ ওয়ানে নাম দিয়েছিলাম। ৫৫-তে বাদ পড়ে যাই। বাবা খবরটা শুনে খুব কষ্ট পেয়েছিলেন। আজ আমার কিছুটা পরিচিতি তৈরি হয়েছে, কিন্তু বাবা দেখে যেতে পারলেন না।

default-image

নতুন গান, কাজের খবর বলুন।

কয়েকটা গান তৈরি করছি। কয়েকটা তৈরি হয়ে আছে। নিজের ইউটিউবে এসব গান ছাড়ব।

default-image
আলাপন থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন