জানতে ইচ্ছা হতেই পারে দীপু নাম্বার টু ছবির সেই চরিত্রগুলো এখন কোথায়-কেমন আছে? মুহম্মদ জাফর ইকবালের উপন্যাস অবলম্বনে মোরশেদুল ইসলামের তৈরি সেই ছবির চরিত্রগুলো এখন অনেকটাই খবরের আড়ালে। তবু এর মধ্য থেকে এক চরিত্রের সঙ্গে দেখা হয়ে গেল হঠাৎ। দীপুর বন্ধু তারেক। সেই তারেক এখন অনেক বড় হয়ে গেছেন। তাঁর আসল নাম শুভাশীষ রায়। নির্মাণ করছেন স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র। কথা হলো তাঁর সঙ্গে

default-image

‘দীপু নাম্বার টু’ ছবির তারেকের পর চাইলেই অভিনয় করতে পারতেন, পরিচালনার দিকে ঝুঁকলেন কেন?
আমি শুধু দীপু নাম্বার টু ছবিতেই অভিনয় করেছি। তারপর পড়াশোনা নিয়ে ব্যস্ত ছিলাম। তা ছাড়া ওই সময় থেকেই আমার ইচ্ছে ছিল ক্যামেরার পেছনে কাজ করার। এরই মধ্যে সরকারি-বেসরকারি প্রায় ৫০টি তথ্যচিত্র তৈরি করেছি। বছর চারেক আগে যে শহর চোরাবালি নামে একটি স্বল্পদৈর্ঘ্য ছবি নির্মাণ করেছিলাম।
আপনার নতুন ছবির নাম ‘কাটুস কুটুস’?
হ্যাঁ। এটা সম্পূর্ণ প্রেমের গল্প। এই সময়ের প্রেম ও এর সামাজিক প্রতিক্রিয়া নিয়ে তৈরি। আমাদের শহরে নিরাপদে প্রেম করার জায়গা নেই। যেখানেই যাই, মনে হয় কেউ না কেউ আমাদের দেখছে। এতে অভিনয় করছেন পিয়া বিপাশা ও মনোজ। মূল গল্প এবং পরিচালনা আমার। নির্বাহী প্রযোজক সামির আহমেদ।
এ দেশে স্বল্পদৈর্ঘ্য ছবির বাজার কেমন?
আমি মনে করি বাজারটা তৈরি করে নিতে হয়। আমার আগের ছবি যে শহর চোরাবালিতে আমাদের ব্যয় হয় প্রায় ১৮ লাখ টাকা। আয় হয়েছে প্রায় ৪৫ লাখ টাকা। আমাদের মতো দেশে এটা কিন্তু কম নয়।
‘দীপু নাম্বার টু’র কারও সঙ্গে দেখা কিংবা কথা হয়?
খুব কম। তবে সপ্তাহ খানেক আগে অরুণ সাহা অর্থাৎ দীপুর সঙ্গে একটি ফ্যাশন হাউসে দেখা হয়েছিল। এত দিন অরুণ দেশের বাইরে ছিল। সম্প্রতি দেশে এসেছে। এখন ও মিউজিক নিয়ে কাজ করার চিন্তা করছে।
সাক্ষাৎকার: হাবিবুল্লাহ সিদ্দিক

বিজ্ঞাপন
আলাপন থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন