default-image
মিউজিক@ডেস্ক। গান নিয়ে প্রথম আলোর নতুন আয়োজন এটি। আজ শুক্রবার রাত নয়টায় প্রথম আলোর ফেসবুক পেজ ও ইউটিউবে দেখা যাবে অনুষ্ঠানটি। সাংবাদিকতা পেশায় যাঁরা জড়িত, তাঁদের কাজের ব্যস্ততায় বিনোদন খুঁজে নেবার ফুরসত মেলে না। প্রথম আলো তাঁর কর্মীদের বিনোদনের জন্য আয়োজন করেছে নতুন এই অনুষ্ঠানের। কর্মস্থলেই কর্মীদের গান শোনাবেন একজন শিল্পী। প্রতি মাসের এই আয়োজনে প্রথমবার গান শোনাতে এলেন বাপ্পা মজুমদার। মিউজিক@ডেস্ক আয়োজনসহ নানা প্রসঙ্গে কথা হলো বাপ্পা মজুমদারের সঙ্গে।

করোনা মহামারির নতুন স্বাভাবিক সময়ে প্রথম 'অফলাইন' লাইভ কনসার্ট প্রথম আলোর সঙ্গে। কেমন লাগল?

খুব ভালো লেগেছে। চমৎকার ছিল আয়োজনটা। দীর্ঘদিন পর তালির শব্দ কানে এল। এটা খুব উপভোগ করেছি।

কী কী গান গাইলেন?

পরী, দিন বাড়ি যায়, রঙ্গিলা, বায়োস্কোপ, বাজি, গাড়ি চলে না...যে গানগুলো সবচেয়ে বেশি শোনেন শ্রোতারা।

পিয়েতার (বাপ্পা মজুমদারের মেয়ে) জন্মদিনে আপনি গান উপহার দিয়েছেন শুনলাম। গানের শিরোনাম কেন 'এলোমেলো হয়ে গেল'?

এলোমেলো হয়ে গেল কিন্তু সব সময় নেতিবাচক নয়। পিয়েতা যখন ছোট ছোট পা বাড়িয়ে এগোয়, হাত নেড়ে ডাকে, আমার সব এলোমেলো হয়ে যায়। সেই ব্যক্তিগত অনুভব থেকেই গানটি লেখা, গাওয়া।

বিজ্ঞাপন

ওর জন্মের সময় নাকি ডাক্তাররা আপনার গান বাজিয়েছিল মোবাইলে?

হ্যাঁ। এটা আমি শুনেছি ওর মায়ের (উপস্থাপক ও অভিনয়শিল্পী তানিয়া হোসাইন) কাছ থেকে। এর মাকে যখন ওটিতে নিয়ে যাচ্ছিল, তখন ডাক্তার মোবাইলে আমার দিন বাড়ি যায় গানটা ছেড়েছিল। অপারেশনের পুরোটা সময় গানটা বেজেছে। আর ও এই গানটা শুনতে শুনতে জন্মেছে। এ এক অদ্ভুত ঘটনা।

default-image

দলছুটের নতুন অ্যালবাম 'সঞ্জীব'–এর কথা বলুন।

আমাদের ইচ্ছা ছিল, এ বছর অ্যালবামটা মুক্তি দেব। কিন্তু করোনার কারণে সবটা পিছিয়ে গেল। এই অ্যালবামে আটটি গান আছে। সব কটি গান রেকর্ড করা শেষ। ২০১৯ সালের এপ্রিলে মুক্তি পেয়েছিল এই অ্যালবামের প্রথম গান 'মন দাবাড়ু'। দুই সপ্তাহ আগে মুক্তি পেল 'প্রবঞ্চনা'। দুটো গানই শ্রোতারা পছন্দ করেছেন।

সঞ্জীব চৌধুরীর সঙ্গে আপনার অনেক অনেক স্মৃতি। এগুলোর ভেতর একটা গল্প বলেন।

এ তো খুব কঠিন। আমাদের যে কত স্মৃতি, বলে তো শেষ করা যাবে না। একবার আমাদের বন্ধু ইন্দ্রনীলের বাড়িতে গেছি। সাতক্ষীরায়। রাতে ওদের বাড়ির ছাদে আড্ডা হচ্ছে। সেই রাতে আকাশে চাঁদ ছিল না। অমাবস্যার মতো। কিন্তু আকাশ ভর্তি তারা ছিল। আর সঞ্জীবদা আমাদের তারার গল্প বলতে শুরু করলেন। ধ্রুবতারা, সপ্তর্ষিমণ্ডলের পুলহ, পুলস্ত্য, অত্রি, মরীচি...ছায়াপথ...তিনি আকাশের কত তারা যে চিনতেন! আমরা সারা রাত এভাবেই কাটালাম। ওই রাতটা জীবন্ত হয়ে আছে স্মৃতিতে।

default-image

টিকা নিয়েছেন?

না, এখনো নিইনি। শিগগিরই নেব।

বিজ্ঞাপন
আলাপন থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন