বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

দেশের বয়সের সঙ্গে সঙ্গেই আপনার বেড়ে ওঠা। এই লম্বা সময়ে এখন পর্যন্ত অনেক কিছু করা হয়েছে। ভবিষ্যতে আর কী করতে চান?

অনেক কিছুই করার আছে। সবচেয়ে বেশি প্রাধান্য দিই স্যোশাল ওয়ার্ক। এটাতে আনন্দ পাই। পাশাপাশি রাজনীতি করতে চাই। আর ব্যবসা-বাণিজ্য তো জীবনেরই অংশ।

default-image

রাজনীতিতে আরও সক্রিয় হতে চান?

আস্তে আস্তে সক্রিয় হতে চাই। সবার সঙ্গে চলব, ফিরব ও শিখব। একটা সময় দায়িত্ব নেওয়ার মতো অবস্থা যখন হবে, তখন হয়তো আরও সামনের দিকে পা বাড়াব। তবে এখনই সেসব চিন্তা না।

রাজনীতিতে আপনার অভিনয়শিল্পীসত্তা কতটা কাজে দিচ্ছে?

অভিনয়ের জায়গাটা তো এমনিতে খুব শক্তিশালী একটা জায়গা। রাজনীতিতে যাঁরা জ্যেষ্ঠ ও সক্রিয়, তাঁদের কথা ভিন্ন। কিন্তু তুলনায় যাঁরা নতুন, তাঁদের সঙ্গে তুলনা করলে অভিনয় আমাকে অনেক প্লাস পয়েন্ট দেয়। সে জন্য আমার ইচ্ছা রাজনীতিতে আরও সক্রিয় হওয়া। তবে এটা কিন্তু সত্যি, কিছু পেতে হবে, এই চিন্তা আমার নেই। মানুষের জন্য কিছু করতে পারলেই আমার ভালো লাগবে।

অনেকে বলাবলি করছে, চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নির্বাচন করবেন।

চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নির্বাচন ঘরোয়া একটা ব্যাপার। এটার জন্য প্রস্তুতির তেমন কিছুই নেই। চিন্তাভাবনা থাকলেই হলো। এটা সময়ের ব্যাপার, যখন সময় হবে দেখা যাবে। তবে একটা চিন্তা তো মনে মনে আছে...

মনে মনে কী আছে, তা-ই তো জানতে চাইছি।

(হাসি) যারা ভালো করছে, তাদের প্রতি আমার সমর্থন ও সহযোগিতা সব সময় ছিল। এখনো করতে চাই। যারা শিল্পীদের পাশে থাকবে, শিল্পীদের নিয়ে ভাববে, তাদের সহযোগিতা করব।

default-image

নির্বাচন করবেন কি না, তা বলেন।

কিছু করতে হলে যে আমাকে নির্বাচন করতে হবে, তা মনে করি না। তবে যদি কখনো প্রয়োজন পড়ে সিদ্ধান্ত নেব। এসব নিয়ে এখন কিছু বলতে চাই না। আমি আমার কাজ নিয়ে বেশি ব্যস্ত থাকি।

জন্মদিন মানে কারও মতে, মৃত্যুর দিকে এগিয়ে যাওয়া।

এটা কিন্তু সত্যি কথা। প্রতিদিনই কিন্তু মৃত্যুর ভাবনা ভাবতে হবে। মৃত্যুকে জয় করতেই মৃত্যুর ভাবনা ভাবতে হবে। কোনো না কোনো দিন আমাকে মরতে হবে, এটাই সত্য। কিন্তু আমার মৃত্যু হবে, এই ভয়ে আমি সারাক্ষণ কিছুই করলাম না, এটা হবে না। আমি ভাবি, যতক্ষণ বেঁচে আছি ততক্ষণ কাজ করব। এরপর অন্য কেউ এসে অবশিষ্ট কাজ করে যাবে। আমি স্বপ্ন দেখতে পছন্দ করি। জেগে জেগে স্বপ্নগুলো লালন করি, যাতে আমার স্বপ্নটা মরে না যায়। ঘুমিয়ে ঘুমিয়ে স্বপ্ন দেখতে পছন্দ করি না।

আপনার এই মুহূর্তের স্বপ্ন কী?

সিম্পল সব স্বপ্ন। সন্তানদের বাইরে বড় স্বপ্নের মধ্যে মৌসুমী ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশনকে অনেক দূর নিয়ে যাওয়ার ইচ্ছা। সুন্দর একটা ওল্ড হোমও করতে চাই। এগুলো করতে পারলে নিজেকে অনেক সফল মনে হবে। আর যদি না-ও করতে পারি, আমার অবর্তমানে কেউ না কেউ করবে।

default-image

প্রথম আলোর ২৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী। এই দীর্ঘ সময়ের প্রথম আলোকে কীভাবে আপনার পাশে পেয়েছেন?

সব সময় প্রথম আলোকে পজিটিভলি পাশে পেয়েছি। চলচ্চিত্রের অনেক সংকটকালে প্রথম আলো দারুণ ভূমিকা রেখেছে। ভুল তথ্য দিয়ে কেউ বিখ্যাত হতে পারে না, প্রথম আলো সেটা আমাদের দেখিয়েছে। তারা সব সময় সত্যটিই সুন্দরভাবে উপস্থাপন করে। একজন শিল্পীর ভুলভ্রান্তি হতে পারে বা আমি বা অন্য কোনো শিল্পীর বলা বা বোঝানোর মধ্যে ভুল থাকলে প্রথম আলো বারবার ক্রস চেক করে শেষ পর্যন্ত সুন্দরভাবে জাতির কাছে উপস্থাপন করে। ভবিষ্যতেও এভাবেই পাশে পাব এটাই প্রত্যাশা।

আলাপন থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন