আজম খান, শুভ ও আইয়ুব বাচ্চু
আজম খান, শুভ ও আইয়ুব বাচ্চুসংগৃহীত

বামবা থেকে বলা হয়েছিল ব্যান্ডের গান বাণিজ্যিকভাবে গাইতে গেলে অনুমতি নিতে।

অনুমতি নিয়েই গানগুলো করা। বাচ্চু ভাইয়ের স্ত্রী চন্দনা ভাবির থেকে পাঁচটা গান গাওয়ার অনুমতি নেওয়া হয়েছে। সেগুলো হলো ‘ফেরারি মন’, ‘এখন অনেক রাত’, ‘কোনো অভিযোগ’, ‘চলো বদলে যাই’ ও ‘বাংলাদেশ’।

বিজ্ঞাপন

ডিরকস্টার প্রতিযোগিতায় আইয়ুব বাচ্চুর মতো মহাতারকার সান্নিধ্য পেয়েছিলেন। তাঁর সঙ্গে কোনো স্মৃতি মনে পড়ছে?

দুঃখের বিষয় হচ্ছে, ডিরকস্টার প্রতিযোগিতা শেষেই নানা কারণে বাচ্চু ভাইয়ের সঙ্গে আমার ভুল-বোঝাবুঝি তৈরি হয়। তিনি বেঁচে থাকতে সেই ভুল আর ভাঙাতে পারিনি। মারা যাওয়ার ৫ দিন আগে এয়ারপোর্টে দেখা হয়। কনসার্টে আমি চট্টগ্রাম যাচ্ছিলাম। কিন্তু সেদিনও ভুল-বোঝাবুঝির অবসান করতে পারিনি। আফসোস থেকেই গেল।

default-image

কী নিয়ে ভুল-বোঝাবুঝি হয়েছিল?

অনেক লম্বা ইতিহাস। এটা আর না বলি। তবে বাচ্চু ভাইয়ের সঙ্গে দেখা হলেই হাসিমুখে কুশলাদি জানতেন। এটাও ঠিক, আমাদের যে হৃদ্যতা থাকা উচিত ছিল, আমার কারণেই হোক, অন্যদের কারণে হোক, ভুল-বোঝাবুঝিতে তা আর হয়নি। এটা এখনো আমাকে পোড়ায়।

বিজ্ঞাপন
default-image

করোনার কারণে কনসার্ট-নির্ভর শিল্পীদের ক্যারিয়ার কতটা হুমকিতে আছে বলে মনে করেন?

স্টেজ শো তো মোটেও একমাত্র আয়ের উপায় নয়। অথচ আমরা এত দিন যাঁরা গান গেয়েছি, তাঁদের উপার্জনের একমাত্র উপায় ছিল কনসার্ট। পৃথিবীর কোথাও স্টেজ শো দিয়ে শিল্পীরা বেঁচে থাকেন না। একজন শিল্পী একটা গান গাইলেও সেই রয়্যালটি তাঁর প্রাপ্য। আমাদের দেশে তো সেভাবে পেশাদার মিউজিক ইন্ডাস্ট্রি গড়ে ওঠেনি। এটা যদি প্রতিষ্ঠিত হতো, আমাদের দেশের শিল্পীদের আয়-রোজগারের ক্ষেত্রে কনসার্টের কথা ভাবতে হতো না। একটা ভালো ও হিট গান দিয়ে একটা শিল্পীরা পুরো জীবন চলবে। আমাদের এসব নিয়ে কাজ করার সময় এসেছে। করোনা আমাদের নিজেদের সঙ্গে কথা বলার সময় দিয়েছে। এখনই সময় নিজেদের গুছিয়ে নেওয়ার।

মন্তব্য করুন