বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আপনার ভাই শামস করিম নাটকটির পরিচালক। ভাইয়ের পরিচালনায় কাজ করতে কেমন লাগল?

ডিরেকশনের সময় সে ভাই না কে এটা তো আর মাথায় থাকে না। তখন সে ডিরেক্টর, আমি অ্যাক্টর। ওর সবচেয়ে বড় বেশিষ্ট্য হচ্ছে, কাজের ক্ষেত্রে সে ভীষণ লজিক্যাল। এর আগে তার সঙ্গে সিঙ্গেল নাটকে কাজ করেছি। সেগুলো দর্শক ভালোভাবেই গ্রহণ করেছে। তার সঙ্গে ধারাবাহিক নাটক এবারই প্রথম করছি। দেখা গেছে, কোনো দৃশ্যে অভিনয়ে হয়তো চমক আছে, যা দর্শকের নজরে পড়বে—কিন্তু সেই অভিনয়টা যদি লজিক্যাল না হয়, সে কোনোভাবেই করে না, সেটা যতই চমকপ্রদ হোক।

default-image

নারী–পুরুষের সমানভাবে এগিয়ে যাওয়ার ব্যাপারটা আপনার পরিবারে কীভাবে কাজ করে?

আমার বাবা বেশ উন্মুক্তমনা মানুষ ছিলেন। মা যদিও গৃহিণী ছিলেন, কিন্তু কনজারভেটিব ছিলেন না। আমার ক্ষেত্রেও তাই। আমি আসলে মানুষের স্বাধীনতায় বিশ্বাস করি, যে স্বাধীনতা অন্যের ক্ষতি না করে। যেটা ক্ষতি করে, সেটা তো স্বাধীনতা না, সেটা হচ্ছে স্বেচ্ছাচারিতা। স্বেচ্ছাচারিতা ও স্বাধীনতার মধ্যে পার্থক্য আছে।

কলকাতায় নতুন একটি সিনেমার শুটিংয়ের কথা ছিল। সেটার খবর কী?

ব্রাত্য বসুর যে সিনেমার ব্যাপারে কথা হয়েছিল, সেটি এই মুহূর্তে এগোচ্ছে না। তবে আজ (রোববার) রাতে অন্য প্রযোজক ও পরিচালকের সঙ্গে নতুন একটি সিনেমার ব্যাপারে কথা হবে।

default-image

‘বকুল ফুল’–এ কাজ করার অভিজ্ঞতা কেমন ছিল?

এটা তো দারুণ অভিজ্ঞতা। পরিচালক, অভিনয়শিল্পী, ডিওপি থেকে শুরু করে সবাই খুব পরিশ্রম করেছি। শরাফ আহমেদ তো বরাবরই ভীষণ খুঁতখুঁতে। আমি সাধারণত পুরো নাটক বা সিনেমা না দেখে কোনো মন্তব্য করি না। কিন্তু বকুল ফুল–এর কয়েক মিনিটের ফুটেজ পাঠাল, দেখে আমি মুগ্ধ। চরকির সঙ্গে কাজের অভিজ্ঞতাও দারুণ।

default-image

ওয়েবের কারণে টেলিভিশনের প্রোডাকশন কি চ্যালেঞ্জের মুখে পড়ছে?

আমি তেমন মনে করছি না। তবে টেলিভিশনে মানুষ দীর্ঘকাল বিনা পয়সায় নাটক–সিনেমা দেখে আসছে। তাই দুটির ধরন দুই রকম। তবে ব্যাপার হচ্ছে, মানুষ যখন বেটার কিছুর স্বাদ পাবে, তখন সেদিকে অগ্রসর হবে।

আলাপন থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন