বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

অভিনন্দন।

ধন্যবাদ।

default-image

এর আগেও বড় পর্দায় একাধিকবার কাজের খবরের প্রস্তাব শুনেছিলাম।

হ্যাঁ, ব্যাটে–বলে মিলছিল না। এটা মিলে তো ওটা মেলে না। তবে আরও এক পৃথিবীর ক্ষেত্রে সব দিক দিয়ে মিলে গেছে। শতভাগ মিলে গেছে। মন থেকে আমি যেমনটা চাইতাম, এই গল্পটা মনে হয় কাস্টমাইজ করে সাজিয়ে আমার কাছে নিয়ে এসেছে। মনে মনে আমি যখন ভাবছিলাম, তার ঠিক কদিন পরই ফোন আসে। আমি ভাবছিলাম এ রকম একটা ছবি যদি করতে পারি, কেমন হয়। সবকিছু মিলে যখন ফোন আসল, আমিও অবাক হলাম, ভাবলাম, মন থেকে কিছু চাইলে যে পাওয়া হয়, সেটার আবার প্রমাণ পেলাম (হা হা হা)।

কী ভেবেছিলেন?

কোনো বিশেষ ধারা বা অন্য কিছু ভাবিনি। আমি ভেবেছিলাম, একটা ছবি যেখানে অভিনয় করার স্কোপ থাকবে বা নিজেকে আমি একটু অন্যভাবে উপস্থাপন করতে পারব বা আমার চরিত্রটাকে দেখে হয়তো দর্শকের ভালো লাগবে, আমারও ভালো লাগবে। এই ছবির ক্ষেত্রে সবই মিলে গেছে।

default-image

চরিত্রটার কতটা চ্যালেঞ্জ?

পুরোটাই চ্যালেঞ্জ। আমি তো আজ পর্যন্ত কখনোই বাংলাদেশের বাইরে কাজ করি নাই। চরিত্রটা অনেক স্টাডি করতে হচ্ছে। ভৌগোলিক অবস্থান থেকে আমাদের পাশাপাশি দেশ, অনেক কিছু মেলে আবার অনেক কিছুই মেলে না। এই কারণে আসলে কলকাতায় গিয়েছিলাম। অতনু দার সঙ্গে বসে ছবির বিষয়টা নিয়ে ডিসকাস করা বা ওই জীবনটাকে স্টাডি করেছি।

কবে যাচ্ছেন?

১৭ মে। ফিরব জুন মাসের সেকেন্ড উইক।

শুধুই শুটিং নাকি অন্য কোনো পরিকল্পনাও আছে?

আমি অলরেডি এখানে একটা ওয়েব সিরিজের শুটিং করছি। ১৬ তারিখ পর্যন্ত কাজ। এটা শেষ করে যেতে হচ্ছে। এরপর অন্য কাজের শিডিউল আছে।

লন্ডনে আগে কখনো গিয়েছিলেন?

আমি এশিয়ার বাইরে কোথাও যাইনি। যদিও ঘুরতে পারব না—একটু...যাই হোক (হাসি)।

default-image

সিনেমায় কাজের খবরে মা–বাবা কী বলেন?

বাবা প্রথমে একটু নিমরাজি ছিল। এই অঙ্গন সম্পর্কে খুব একটা ধারণাও নেই। তাই আমার বাবার ধারণা ছিল, সিনেমা মানেই হয়তো সেই সব ফর্মুলা টাইপ কিছু। আমার বাবা তাই বলছিল, তুমি নাটকে কাজ করছ ঠিক আছে, কিন্তু সিনেমায় কি দরকার। এই...সেই। এরপর আমি বুঝিয়ে বলার পর আর কিছু বলেনি।

আর মা...

আমি ছবিটি নিয়ে কথা বলতে ১২ দিন কলকাতায় ছিলাম। মা সঙ্গেই ছিলেন। তিনি এমনিতে খুব একটা কিছু বলেন না। সবাই যখন রোজার ঈদের কাজ করছিল, আমি তখন ছবির মিটিংয়ে ব্যস্ত ছিলাম। তাই রোজার ঈদে খুব বেশি নাটকের কাজও করতে পারিনি।

শুটিংয়ের সঙ্গী কি তাহলে মা হচ্ছেন?

এটার ভিসা একটু কমপ্লিকেটেড। একাই যেতে হচ্ছে।

অতনু ঘোষের কোনো সিনেমা দেখা হয়েছিল?

জয়া আপুকে (জয়া আহসান) নিয়ে বানানো ‌'রবিবার' দেখেছি। ‌'ময়ূরাক্ষী' খুবই ভালো লেগেছিল। তাঁর মতো একজন পরিচালক আমাকে হুট করে কাজে ডাকবেন, সেটাও আনএক্সপেক্টেড ছিল। আমার লেডিস অ্যান্ড জেন্টলম্যান–এর ক্রেডিটটা এখানে অনেক। ওইটার কারণেই আসলে আমি ডাক পাই। এইবার যখন ইন্ডিয়া গেলাম, ওদের সাধারণ দর্শক অনেকের সঙ্গে রাস্তাঘাটে বা শপিং মলে দেখা হয়েছে। তাদের মোস্ট অব দেম স লেডিস অ্যান্ড জেন্টলম্যান। কলকাতায় গিয়ে বুঝেছি, বাংলাদেশের কাজের ইন্টারন্যাশনাল অডিয়েন্স আছে। এবং সেটা যে বেশ স্ট্রং তার প্রমাণ পেয়েছি।

আলাপন থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন