default-image
মাত্র আট বছর বয়সে সিনেমায় নাম লেখান শাবানা। এহতেশাম পরিচালিত ‘নতুন সুর’ নামের ছবিতে তিনি শিশুশিল্পী হিসেবে কাজ করেন। এরপর ‘চকোরী’ ছবিতে নায়িকা চরিত্রে অভিনয় শুরু। ১৭ বছর ধরে অভিনয় থেকে দূরে সরে আছেন চলচ্চিত্রের গুণী এই অভিনয়শিল্পী। অভিনয়জীবনে জনপ্রিয়তার তুঙ্গে থাকা অবস্থায় হুট করেই যুক্তরাষ্ট্রে চলে যান তিনি। স্বামী ওয়াহিদ সাদিকসহ থাকছেন যুক্তরাষ্ট্রের নিউজার্সিতে। পরিচালক আজিজুর রহমান ছাড়া বাংলাদেশের কারও সঙ্গে তাঁর তেমন যোগাযোগ নেই। যুক্তরাষ্ট্রে গেলেও শাবানা প্রায়ই ঢাকায় আসেন, প্রয়োজনীয় কাজ সেরে আবার চলে যান। এ বছরের এপ্রিলে আবার ঢাকায় আসেন তিনি। থাকবেন মাস তিনেক। গণমাধ্যম এড়িয়ে চলা শাবানা সম্প্রতি প্রথম আলোর সঙ্গে কথা বলেন। জানান প্রবাসজীবন, ঈদের স্মৃতি, সন্তান, যৌথ প্রযোজনাসহ আরও নানা প্রসঙ্গে। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন মনজুর কাদের

এবার কি বহুদিন পর দেশে ঈদ করছেন?
না। আমি বছরে একবার সম্ভব না হলেও দুই বছর পর ঢাকায় আসি। সন্তানদের ব্যস্ততা কমলেই আসি। গতবারও ঈদ ঢাকায় করেছি। আমি নিজের মতো করে আসি, কাজ সেরে আবার চলে যাই। 

১৭ বছর ধরে স্বামী-সন্তানসহ সবাইকে নিয়ে নিউজার্সিতে আছেন। আপনার কাছে ঈদ কোথায় আনন্দের হয়?
আমার মা, ভাইবোন, সন্তানেরা সবাই তো ওখানে। সবাই একসঙ্গে থাকতে পারার আনন্দটাই অন্য রকম। তবে ওখানে ঈদের আনন্দ টের পাই না। এখানে যেমন ঈদ নিয়ে সবার মধ্যে হইচই একটা ব্যাপার, উচ্ছ্বাস—সেটা ওখানে পাই না। দেশের টান, মনের টান—এটা একেবারেই অন্য রকম। আমার জন্ম, বেড়ে ওঠা, অভিনয়জীবন, মানুষের ভালোবাসায় শাবানা হয়ে ওঠা—সবই তো এখানে। তাই যতই আমি দেশের বাইরে থাকি না কেন, আমার কাছে ঈদের আনন্দ দেশেই সবচেয়ে বেশি। কিন্তু ঈদে যখন ঢাকায় থাকি, তখন বাচ্চাদের মিস করি। এবার ঈদেও তাঁদের মিস করব।

ঈদের দিনে সাদিক ভাই (শাবানার স্বামী ওয়াহিদ সাদিক) আপনার হাতে কী খেতে পছন্দ করেন?
সাদিক সাহেব আমার হাতে লাচ্ছা সেমাই খেতে পছন্দ করেন। তাই ঈদের দিন আর যা-ই রান্না করি না কেন, লাচ্ছা সেমাই থাকবেই। অন্যান্য সময় আমার হাতে যা রান্না করি, তা-ই পছন্দ করেন। টেবিলে অনেক খাবার সাজানো থাকলেও সে বুঝে যায়—কোনটা আমার রান্না, কোনটা অন্য কারও। সন্তানেরাও মায়ের হাতে সব ধরনের খাবার পছন্দ।

default-image

ছোটবেলার ঈদের কথা মনে পড়ে?
বান্ধবীদের সঙ্গে ঘুরে বেড়াতাম। বড়দের সালাম করতাম। সালামি নেওয়ার জন্য অপেক্ষা করতাম। ঈদের দিনে সালামি পাওয়ার পর খুব ভালো লাগত। এখন তো সালামি দিতে আনন্দ পাই। আমরা তিন ভাই তিন বোন। এর মধ্যে সবার ঈদের জামাকাপড় আমি দেখতাম। কিন্তু আমারটা ঈদের আগের দিন পর্যন্ত লুকিয়ে রাখতাম। কাউকে দেখতে দিতাম না।

অভিনয়ে যখন আপনি খুবই ব্যস্ত, ঠিক তখনই কাউকে কোনো কিছু বুঝতে না দিয়ে সিনেমা ছেড়ে যুক্তরাষ্ট্র চলে গেলেন। হঠাৎ করে এমন সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণটা কী ছিল?
সবার আন্তরিকতা নিয়ে দীর্ঘদিন সিনেমায় অভিনয় করলাম। লাখো মানুষের ভালোবাসায় শাবানা হলাম। হঠাৎ মনে হলো, সন্তানদেরও তো সময় দেওয়া দরকার। আমার বড় মেয়ে সুমী তখন এ লেভেল শেষ করল। উচ্চশিক্ষার জন্য তাকে যুক্তরাষ্ট্রে পাঠানো হলো। কিছুদিন পর ছোট মেয়ে ঊর্মি আর ছেলে নাহিনও যুক্তরাষ্ট্রে চলে গেল। ওদের সবার বয়সই বা তখন আর কত। বাচ্চারা আমাকে খুব মিস করছিল। দেশে যখন ছিল, তখন তো আমার চোখের সামনেই ছিল। কাজের ফাঁকে দেখতাম। তখন আমিও ভাবলাম, মা হিসেবে আমার তো কিছু দায়িত্ব আর কর্তব্য আছে। সন্তানদের যদি ঠিকভাবে গড়ে তুলতে না পারি, তাহলে আমার এই অভিনয়জীবন দিয়ে কী হবে! তাই কষ্ট হলেও সিনেমা ছেড়ে সন্তানদের ব্যাপারে মনোযোগী হলাম। এ জন্যই যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিলাম। সাদিক সাহেবও ওখানে কিছু ব্যবসার ব্যবস্থা করলেন। এ জন্যই আমি দেখলাম যে অনেক দিন তো সিনেমা ইন্ডাস্ট্রিতে ছিলাম, এবার ঘরের দিকে মনোযোগী হই। তাই চলে গেলাম। তবে চলচ্চিত্র ইন্ডাস্ট্রিও কিন্তু আমার কাছে একটা পরিবারের মতো ছিল। সেখানে আমি রাত-দিন অবসরবিহীন কাজ করেছি। সহশিল্পী, পরিচালকদের সঙ্গে দারুণ সম্পর্ক গড়ে উঠল। কাউকে ভাই, আবার কাউকে চাচা ডাকতাম। সবাইকে খুব মিস করি। কিন্তু মানুষের জীবনে একটা সময় আসে, যখন কোনো উপায় থাকে না। জীবনের ধাপে ধাপে কিছু সময় আসে, সে সময় সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়া খুব দরকার। সৃষ্টিকর্তার কাছে শুকরিয়া, আমি সঠিক সময়ে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে পেরেছি। আল্লাহ আমাকে সবদিক থেকে পরিপূর্ণ করেছেন।

যে সন্তানদের জন্য আপনি সিনেমা ছেড়ে দেশের বাইরে গেলেন, তাঁরা কী করছেন?
বড় মেয়ে সুমী ইকবাল এমবিএ ও সিপি-এ করেছে। বিয়ে করে এখন সে পুরোদস্তুর গৃহিণী। ছোট মেয়ে ঊর্মি সাদিক মাস দু-একের মধ্যে হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পিএইচডি শেষ করবে। ছেলে নাহিন সাদিক রটগার্স বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মাস্টার্স করে এখন ব্লুমবার্গে চাকরি করছে।

আপনি তো অনেক সিনেমায় অভিনয় করেছেন। সেগুলো কি এখন দেখেন?
এখানে তো সব কাজ নিজেকেই করতে হয়। তাই ব্যস্ততা একটু বেশি। ব্যস্ততার ফাঁকে যখন টেলিভিশন ছাড়ি, তখন নিজের সিনেমা চললে দেখা হয়। আমাদের ওখানে চ্যানেল আই, এনটিভি, এটিএন, বাংলাভিশন দেখার সুযোগ আছে। এসব চ্যানেলে আমার সিনেমা প্রায়ই দেখায়। যখন দেখি সত্যি ভালো লাগে। সিনেমাগুলো দেখার সময় শুটিংয়ের সময়ের স্মৃতিগুলো মনে পড়ে। আনন্দও হয়।

দেশের এখনকার সিনেমা সম্পর্কে খোঁজখবর রাখেন?
শাকিব খানের সিনেমা টেলিভিশনে দেখেছি। কয়েক বছর ধরে তাঁর নাম শুনছি, অপু বিশ্বাসের কথাও শুনেছি। শুনলাম, শাকিব নাকি এখন ভারতেও বেশ জনপ্রিয়। আমাদের দেশের শিল্পী ওই দেশে জনপ্রিয়, এটা শুনে খুব ভালো লেগেছে। এ ছাড়া পত্রিকার মাধ্যমে মাহী ও পরীমনির কথাও জেনেছি। টেলিভিশনের বাইরে পত্রিকাও পড়া হয় বেশি।

দেশের বাইরে থেকে সিনেমা নিয়ে কোন খবরটা শুনে মন খারাপ হয়?
যখন শুনি সিনেমার কাজ সেভাবে হচ্ছে না, আগের মতো হলও নেই, দর্শকেরা সিনেমা হলে যাচ্ছে না, তখন মনটা খারাপ হয়। অথচ একটা সময় কী জমজমাট ছিল এফডিসি! প্রত্যেক ফ্লোরে কাজ ছিল। সেট ফেলার কোনো জায়গা পাওয়া যেত না। শিল্পীদের শিডিউলও পাওয়া যেত না। ঈদে যখন সিনেমা মুক্তি পেত, তখন তো উৎসব। দেখার মতো পরিবেশ ছিল। আবার মাঝেমধ্যে যখন খবর নিয়ে জানতে পারি, এখন সেভাবে সিনেমা নেই, তখন মনটাই খারাপ হয়ে যায়। কিছুক্ষণ চুপ হয়ে যাই।

default-image

এখন যৌথ প্রযোজনা ইস্যুতে আন্দোলন হচ্ছে। যৌথ প্রযোজনা নিয়ে আপনার বক্তব্য কী?
সরকার থেকে যে নিয়মনীতি করে দিয়েছে, সে অনুযায়ী যদি সিনেমা বানানো হয়, তাহলে তো কারও কোনো কথা বলার কিছু দেখছি না। এতে দুই দেশেরই কোনো ক্ষতি হবে না। দুই দেশের শিল্পীরা কাজ করবে। দুই দেশে শিল্পীদের আলাদা একটা বাজার তৈরি হলো। আমি শুনলাম, শাকিব খান নাকি অনেক সিনেমা করছে। কলকাতায় ধরতে গেলে এখন নাকি সে খুব জনপ্রিয়। অনেক বেশি ব্যস্তও। আমাদের দেশের শিল্পী ওই দেশে গিয়ে জনপ্রিয় হচ্ছে, এটা তো খুব ভালো। ওর মাধ্যমে পরবর্তীকালে আরও অনেকের সেখানে অবস্থান তৈরি হবে। আমাদের চেয়ে ওদের চলচ্চিত্রশিল্প তো বিশ্বব্যাপী আরও বেশি জনপ্রিয়। আমাদেরটা তো অতটা না।

দেশের সিনেমার খোঁজখবর আর কার মাধ্যমে নেন?
আমার বয়স যখন আট বছর, তখন ‘নতুন সুর’ সিনেমায় অভিনয় করি। পরিচালক ছিলেন এহতেশাম সাহেব। সম্পর্কে তিনি আমার চাচা ছিলেন। আমার আব্বার খালাতো ভাই। এহতেশাম সাহেবে চিফ অ্যাসোসিয়েট ডাইরেক্টর ছিলেন আজিজুর রহমান। শিশুশিল্পী হিসেবে যখন কাজ করি, তখনই আজিজ চাচাকে পাই। এটা আনুমানিক ১৯৬৩ সালে। আমার নাম ছিল রত্না। তখন তো সিনেমায় মহড়া হতো। আজিজ চাচা আমাকে দিয়ে স্ক্রিপ্ট মুখস্থ করানো, কীভাবে সংলাপ দেব, কীভাবে স্ক্রিনের সামনে দাঁড়াব—সব তিনি শিখিয়ে দিতেন। এখন তো অনুশীলন নেই। নায়িকা হওয়ার পর চাচার ও তাঁর পরিবারের সঙ্গে আমার পরিবারের দারুণ একটা সম্পর্ক তৈরি হয়। এই সম্পর্কটা এখনো আছে। তাঁর সঙ্গেই নিয়মিত যোগাযোগ হয়। সিনেমা মুক্তির খবর, মানুষের আগ্রহ কেমন, সিনেমার কে কেমন আছেন—সবই তাঁর মাধ্যমে জানতে পারি।

default-image

সিনেমা নিয়ে এখন কোনো ভাবনা আছে?
এখন এসব নিয়ে ভাবছি না। সাদিক সাহেব হয়তো সিনেমা প্রযোজনা করতে পারেন। আমাদের এসএস প্রোডাকশন থেকে অনেক সিনেমা হয়েছে। প্রচুর সুপারহিট সিনেমা আমরা উপহার দিতে পেরেছি। সিনেমা করতে গেলে প্রচুর সময় দিতে হয়। এলাম আর গেলাম বললে তো হবে না। গল্প নিয়ে সবকিছু ভাবতে হয়। ও বলে সিনেমা বানাবে, জানি না করতেও পারে।

এফডিসিতে যেতে মন চায় না?
অনেক সময় আমার খুব খারাপ লাগে। আমি যাঁদের সঙ্গে কাজ করেছি, তাঁদের অনেকেই এখন আর নেই। এই ব্যাপারটা ভাবতেই খারাপ লাগে। এহতেশাম চাচা, মোস্তফা মেহমুদ, কামাল আহমেদ, দিলীপ বিশ্বাস, সুভাস দত্ত—এঁরা কেউ নেই। পরিচালকদের মধ্যে আজিজ চাচা ছাড়া আর কেউ নেই। অনেক শিল্পীও নেই। গেলে হয়তো আরও খারাপ লাগে। ওখানে যাব, কাকে চিনব? ভালো লাগবে না যে তা নয়। স্মৃতিগুলো তো আনন্দের। আনন্দের স্মৃতিগুলো চোখে ভাসবে। কষ্ট লাগবে আরও বেশি, যাঁদের সঙ্গে কাজ করেছি—তাঁরা নেই। এ বিষয়টি ভাবতেই যাওয়ার সাহস আর পাই না।

জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে আজীবন সম্মাননা পাচ্ছেন। কেমন লাগছে?
এটা অনেক আনন্দের ও গর্বের। এই আনন্দ, গর্ব, সম্মাননা শুধু আমার একার নয়, আমার পরিচালক, যাঁরা আমাকে তৈরি করেছিলেন, তাঁদের সম্মান। আমার মা-বাবা যাঁরা আমাকে হাত ধরে সিনেমায় নিয়ে এসেছিলেন, তাঁদের সম্মান। আমার দর্শক যাঁরা আমাকে শাবানা বানিয়েছেন, তাঁদের সম্মান। এটা খুবই মধুর স্মৃতি, সারা জীবন বুকে নিয়ে বেড়াব।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে দেখা হলো। তাঁর সঙ্গে আড্ডা দেওয়ার অভিজ্ঞতা বলুন।
আমি শুনে আসছি যে উনি মানুষের দুঃখ-দুর্দশা শুনে এগিয়ে আসেন। উনি সেদিন আমাকে যেভাবে জড়িয়ে ধরলেন, সত্যি আমার খুব আনন্দ হয়েছে। আমি তাঁর আন্তরিকতায় মুগ্ধ। উনি যে কত বড় মনের মানুষ, এটা আমি বলে বোঝাতে পারব না! উদারমনা। তাঁর সঙ্গে বহু বছর আগে এফডিসিতে একবার দেখা হয়েছিল। তখন এত কথা হয়নি। এবার দেখা হওয়ার পর অনেক কথা হয়েছে। আমার স্বপ্ন, সবকিছু সার্থক হয়েছে।

আপনার জন্মস্থান চট্টগ্রামে শেষ কবে গিয়েছিলেন?
আমি যখন যুক্তরাষ্ট্রে চলে যাই, তার আগে গিয়েছিলাম। এখন আর এখানে আমার দাদা-দাদি, চাচা-চাচি কেউ নেই। ছেলেমেয়েরা যাঁরা আছেন, তাঁরা দেশের বাইরে। আমার পৈতৃক বাড়ি চট্টগ্রাম জেলার রাউজান উপজেলার ডাবুয়া গ্রামে। ওখানে বাড়ি আছে। জমিজমা দেখার জন্য কেয়ারটেকার আছে। হয়তো আমার চাচাতো ভাইয়েরা বছর বছর আসেন।

আপনার শুটিং করা শেষ সিনেমা কোনটি ছিল?
শেষ শুটিং করা সিনেমা ‘ঘরে ঘরে যুদ্ধ’।

দীর্ঘ অভিনয়জীবনে কতটি সিনেমায় কাজ করেছেন?
আমার পুরো অভিনয়জীবনে মোট ২৯৯টি সিনেমায় অভিনয় করেছি। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি সিনেমায় অভিনয় করেছি আলমগীর ভাইয়ের সঙ্গে। তাঁর সঙ্গে জুটি হয়ে আমি ১৩০টি সিনেমায় অভিনয় করেছি। এরপরই যাঁর সঙ্গে বেশি অভিনয় করেছি, তিনি হলেন রাজ্জাক ভাই।

আপনার সমসাময়িক যাঁরাই ছিলেন, সবার সঙ্গে অভিনয় করেছেন। আপনাকে যদি প্রথম পাঁচজন নায়কের নাম বলতে বলি, তাহলে কাদের কথা বলবেন?
আমি তো সব হিরোর সঙ্গে কাজ করেছি। বুলবুল আহমেদ, জাফর ইকবাল, উজ্জ্বল, নাদিম ফারুক, ওয়াসিম, জসীম, ইলিয়াস কাঞ্চন, সোহেল রানা। সেই সময়ের যাঁরাই ছিলেন, তাঁদের সবার সঙ্গে কাজ করেছি। আমার চোখে সবাই সমান। সবাই আমার সহশিল্পী ছিলেন। তবে কারও সঙ্গে বেশি কাজ করেছি, কারও সঙ্গে কম।

বিজ্ঞাপন
আলাপন থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন