default-image

কী দিন ছিল তখন। ইসরায়েলের তেল আবিবে শুটিং গাল গ্যাদতের। সেখান থেকে মাত্র ৩০ ঘণ্টার জন্য এসেছিলেন লস অ্যাঞ্জেলেসে। উদ্দশ্যে একটাই—যে করেই হোক ‘ওয়ান্ডার ওম্যান’ চরিত্রটি চাই-ই চাই।
তখন ক্যারিয়ারের গ্রাফ উঁচু করতে মরিয়া তিনি। কিছুতেই ভাগ্যটা মুখ তুলে চাইছে না। মন বলছে, আর নয়। এবার যদি ভালো কিছু না হয়, তবে অভিনয়টাই ছেড়ে দিতে হবে। তাই অডিশন দিতে তেল আবিব থেকে শুটিং ফেলে চলে এসেছিলেন লস অ্যাঞ্জেলেসে। চোখে স্বপ্ন। ‘ব্যাটম্যান ভার্সেস সুপারম্যান: ডন অব জাস্টিস’ ছবির ওয়ান্ডার ওম্যানের চরিত্রটি বাগিয়ে নেওয়া। তাহলে ক্যারিয়ারের পথটা হবে আরও মসৃণ। তাই এত পরিশ্রম, এত ঘাম ঝরানো।

বিজ্ঞাপন
default-image

সেই স্বপ্ন সত্যি হয়েছিল। গাল গ্যাদতের এখন পরিচয় ওয়ান্ডার ওম্যান হিসেবেই। পৃথিবীজুড়ে এখন তাঁর লাখো ভক্ত। ক্যারিয়ারের গ্রাফটা হুট করেই তরতর করে উঠে গেল উঁচুতে। সেই সময়ের একটি ছবি হঠাৎ চোখে পড়ে গাল গ্যাদতের। অডিশনে পরিচালক জ্যাক স্নাইডারের তোলা সাদাকালো ছবিটি দেখে স্মৃতিকাতর হয়ে পড়লেন এই অভিনেত্রী। আর ছবির পেছনের গল্পটি শেয়ার করলেন ভক্তদের সঙ্গে, ইনস্টাগ্রামে।
‘এই ছবি তুলেছিল জ্যাক স্নাইডার। এদিন আমি ‘ব্যাটম্যান ভার্সেস সুপারম্যান’ ছবির স্ক্রিন টেস্ট করতে গিয়েছিলাম। তেল আবিবে তখন শুটিং করছি। লস অ্যাঞ্জেলেসে মাত্র ৩০ ঘণ্টার জন্য এসেছিলাম। কারণ, ওয়ান্ডার ওম্যান চরিত্রটি আমার চাই-ই চাই। তাই সফরটা আমার কাছে ছিল খুবই গুরুত্বপূর্ণ। জ্যাক, তোমার কাছে সত্যিই কৃতজ্ঞ, আমাকে এই চরিত্রে নেওয়ার জন্য এবং এটা বিশ্বাস করার জন্য যে আমি ডায়ানাকে বাস্তবে রূপ দিতে পারব। যখন ছবিটি তোলা হয়, আমি তখনো জানতাম না ভাগ্য কোন দিকে যাচ্ছে। তাই ছবিটি আমাকে সত্যিই নস্টালজিক করল। এটা আসলে প্রমাণ করে, সবকিছু কারণ ছাড়া হয় না। আমি তো অভিনয় ছেড়ে দেওয়ারই একটা পরিকল্পনা করেছিলাম...। আর তখনই এমন ঘটনা ঘটল।’

default-image

গাল গ্যাদত আর ওয়ান্ডার ওম্যান এখন একই নাম। শোনা যাচ্ছে ওয়ান্ডার ওম্যানের তৃতীয় কিস্তিতেও দেখা যাবে গাল গ্যাদতকে। একই পরিচালক পেটি জেনকিন্সের সঙ্গে ক্লিওপেট্রার জীবনীভিত্তিক ছবির জন্যও প্রস্তুত এই অভিনেত্রী। খাদের কিনার থেকে উঠে এসে জনপ্রিয়তার চূড়ায় এখন গাল গ্যাদত। সেই সময়ের কথা মনে করে স্মৃতিকাতর হবেন না, তা কি হয়!

বিজ্ঞাপন
হলিউড থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন