default-image

অস্কারের জমকালো আসরে নিজের নাম ঘোষণা কে না দেখতে চায়। কিন্তু বয়স বাধ সেধেছে অ্যান্থনি হপকিন্সের জীবনে। ২৫ এপ্রিল রাতে সেরা অভিনেতার নাম ঘোষণার সময় ঘুমিয়ে পড়েছিলেন তিনি। নিজের বাড়ি ওয়েলসে বিশ্রাম নিচ্ছিলেন এই অভিনেতা। ভোরে তাঁর এজেন্ট ফোন করে তাঁকে জানান, ইতিহাস তৈরি করেছেন তিনি। শুনে খুশি হন জাঁদরেল এই অভিনেতা। ৮৩ বছরের অভিনয়জীবনে কম জমকালো আসরে ঘোষিত হয়নি নিজের নাম। তবু পড়ন্ত বেলায় এমন ইতিহাসের অংশ হওয়া নিঃসন্দেহে আনন্দের বৈকি!
‘দ্য ফাদার’ ছবিতে দুর্দান্ত অভিনয়ের জন্য অস্কার ঘরে তোলেন তিনি। একাডেমির ইতিহাসে পুরস্কার পাওয়া সবচেয়ে বয়স্ক অভিনেতা তিনি। অস্কার ঘোষণার পরে একটি বিবৃতি দেন হপকিন্সের এজেন্ট জেরেমি বারবার। তিনি জানান, অ্যান্থনি হপকিন্স রাতে ঘুমিয়ে পড়েছিলেন। পরে তাঁকে এ সংবাদ ফোন করে জানানো হয়।

বিজ্ঞাপন

মার্কিন সাময়িকী পিপলকে জেরেমি বলেন, ‘টনি (অ্যান্থনি হপকিন্স) ওয়েলসে ছিলেন, যেখানে তিনি বেড়ে উঠেছেন। তিনি ঘুমিয়ে ছিলেন। সকালে আমি যখন তাঁকে ঘুম থেকে তুলে এ খবর বলেছি, তিনি খুবই খুশি হয়েছেন এবং ধন্যবাদ জানিয়েছেন।’
৯৩তম একাডেমি অ্যাওয়ার্ডে অ্যান্থনি হপকিন্সের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে লড়েছেন রিজ আহমেদ, চ্যাডউইক বোজম্যান, গ্যারি ওল্ডম্যান ও স্টিভেন ইয়ুন। অ্যান্থনি হপকিন্স অস্কার জেতায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ‘ব্ল্যাক প্যান্থার’–এর ভক্তরা বেজায় খেপেছেন। তাঁরা হপকিন্সকে নিয়ে মিম ও ট্রল করেছেন।

default-image

তবে বর্ষীয়ান অভিনেতা সকালে ঘুম থেকে উঠে একটি ভিডিওতে অস্কার কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ জানিয়ে ছোট্ট বক্তৃতা করেন। সেখানে তিনি শ্রদ্ধা জানিয়েছেন প্রয়াত চ্যাডউইক বোজম্যানকে। হপকিন্স বলেন, ‘শুভ সকাল। আমি এখন আছি আমার গ্রামের বাড়ি ওয়েলসে। এই ৮৩ বছর বয়সে আমি সত্যিই আশা করিনি, অস্কার জিতব। পুরস্কার পাওয়ার কোনো আশাই ছিল না আমার। আমি সত্যিই একাডেমি কর্তৃপক্ষের কাছে কৃতজ্ঞ এবং তাদের ধন্যবাদ জানাচ্ছি। আমি শ্রদ্ধা জানাচ্ছি চ্যাডউইক বোজম্যানকে। যাঁকে খুব তাড়াতাড়ি আমাদের ছেড়ে চলে যেতে হয়েছে। আবারও সবাইকে ধন্যবাদ জানাই। আবারও বলছি, আমি সত্যিই আশা করিনি, এটা জিতব। তাই আমি খুবই সম্মানিত বোধ করছি। ধন্যবাদ সবাইকে।’
তবে এটাই হপকিন্সের একমাত্র সোনালি মূর্তি নয়। ১৯৯২ সালে ‘দ্য সাইলেন্স অব দ্য ল্যাম্বস’ ছবি দিয়ে সেরা অভিনেতার পুরস্কার বাগিয়ে নেন।

default-image
বিজ্ঞাপন
হলিউড থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন