শুটিং সেটে সারাক্ষণ মাস্ক পরে থাকতে হতো ব্রিটিশ অভিনেতা ইদ্রিস এলবাকে। সেটা ঠিক করোনার জন্য নয়, অন্য কারণে। তাঁর নতুন সিনেমা ‘কংক্রিট কাউবয়’-এর গল্প ঘোড়া নিয়ে। অথচ ঘোড়ায় অ্যালার্জি তাঁর। তাই শুটিংয়ের পুরোটা সময় মুখে মাস্ক পরে থাকতেন এলবা।

default-image

ইদ্রিস এলবা একাধারে লেখক, প্রযোজক, র‍্যাপার, সংগীতশিল্পী, গীতিকার এবং ডিজে। কনক্রিট কাউবয় ছবিতে তাঁর কাজ করার কথা ছিল না। পরিচালক তাঁর কাছে ছবিটার প্রযোজক হওয়ার প্রস্তাব নিয়ে গিয়েছিলেন। শুরুতে মুখের ওপর ‘না’ বলে দিয়েছিলেন তিনি। পরে অবশ্য সৌজন্যের খাতিরে বলেন, ‘চিত্রনাট্যটা দেন, পড়ে দেখি।’ ভেবেছিলেন কোনো এক সফরে বিমানে বসে পড়ার কিছু পাওয়া গেল! সেটাই করলেন তিনি। বিমানে বসে পুরো চিত্রনাট্য মন দিয়ে পড়লেন। বিমান অবতরণের পর পরিচালককে ফোন করে বললেন, ‘আমি রাজি। এমনকি আপনার যদি আপত্তি না থাকে হার্ব চরিত্রটাও আমি করব।’
 

default-image
বিজ্ঞাপন

কেন গল্পটা এত ভালো লাগল তাঁর? এক সাক্ষাৎকারে এলবা বলেন, ‘গল্পটা এত সুন্দর ছিল যে পারলে সবগুলো চরিত্রে আমি নিজেই অভিনয় করতাম। এই গল্পের ভেতর একটা সহজ সত্য আছে। গল্পটা মূলত একটা কৃষ্ণাঙ্গ ছেলেকে নিয়ে। তার বাবা একটা ঘোড়ার খোঁয়াড় দেখাশোনা করেন। বাবার পেশা ও সুযোগ পেয়ে যাওয়া অপরাধজগৎ—এ দুইয়ের কোনটিকে সে বেছে নেবে, ভেবে দ্বিধান্বিত হয়ে পড়ে। দরিদ্র বাবা ও উচ্চাভিলাষী সন্তানের সম্পর্কের সংকটময় এ গল্পের সঙ্গে অনেক বাবা-ছেলে নিজেদের একাত্ম করতে পারবেন। ভালো লাগবে তাঁদের।’

default-image

ঘোড়ায় অ্যালার্জি নিয়ে এলবা তাহলে ছবিটি শেষ করলেন কীভাবে? এই অভিনেতা বলেন, ‘আমার জন্য চরিত্রটা করা বেশ কঠিন ছিল। কিন্তু যা কিছু কঠিন আর চ্যালেঞ্জিং, তার সবই আমার করতে ইচ্ছে করে। তাই আমি প্রচুর অ্যান্টি-হিস্টামিন খেয়েছি আর শট দিয়েছি।’

default-image

শুক্রবার নেটফ্লিক্সে মুক্তি পেয়েছে ‘কংক্রিট কাউবয়’ ছবিটি।

হলিউড থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন