default-image

‘দ্য সাউন্ড অব মিউজিক’ ছবির সেই ক্যাপ্টেনের কথা মনে আছে? কড়া আইনকানুন যিনি ঘরের ছেলেমেয়েদের ওপরই প্রয়োগ করেছিলেন। অস্ট্রিয়ায় নাৎসি দখলদারির বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানিয়ে শেষ পর্যন্ত সপরিবার দেশ ছেড়ে চলে গিয়েছিলেন। সেই রুপালি পর্দার ক্যাপ্টেন ভন ট্র্যাপ—ক্রিস্টোফার প্লামার মারা গেছেন গতকাল শুক্রবার।

প্লামারের পারিবারিক সূত্র জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের কানেটিকাটের বাড়িতে মৃত্যু হয়েছে একানব্বই বছর বয়সী ক্রিস্টোফারের। মৃত্যুকালে তাঁর সঙ্গে ছিলেন তাঁর স্ত্রী এলিন টেলর। ৫০ বছর ধরে বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন তিনি। তবে ক্যাপ্টেন ভনের চরিত্র তাঁকে সবচেয়ে বেশি জনপ্রিয়তা এনে দিয়েছিল। যদিও এরপর ছবির প্রধান চরিত্রে কখনো অভিনয় করেননি প্লামার। পার্শ্বচরিত্রেই তিনি অসাধারণ অভিনয় করে গেছেন।

বিজ্ঞাপন

১৯৯৯ সালে ‘দ্য ইনসাইডার’, ২০০১ সালে ‘আ বিউটিফুল মাইন্ড’ তাঁর ক্যারিয়ারের উল্লেখযোগ্য সিনেমা। ২০০৯ সালে ‘দ্য লাস্ট স্টেশন’ ছবিতে অভিনয় করে অস্কারের জন্য মনোনীত হয়েছিলেন। ‘বিগিনার্স’ ছবির জন্য অস্কার পেয়েছিলেন ৮২ বছর বয়সে। সবচেয়ে বেশি বয়সে অস্কার পাওয়ার রেকর্ড এখনো তাঁরই দখলে। ২০১১ সালে বলেছিলেন, ‘যেকোনো পেশায় অবসর মানে মৃত্যু। তাই আমি কাজ চালিয়ে যাব।’ মৃত্যুর আগপর্যন্ত অভিনয়ই করে গেছেন তিনি।

default-image

১৯২৯ সালে কানাডার টরন্টোতে জন্ম হয় এই অভিনেতার। কানাডার তৃতীয় প্রধানমন্ত্রী জন অ্যাবটের বংশধর তিনি। পড়াশোনা শেষ করে যোগ দিয়েছিলেন মন্ট্রিল রেপার্টরি থিয়েটারে। সিনেমায় আত্মপ্রকাশ ১৯৫৮ সালে, ‘স্টেজ স্ট্রাক’ ছবিতে। তাঁর উল্লেখযোগ্য ছবির তালিকায় ‘দ্য সাউন্ড অব মিউজ়িক’ ছাড়া আছে ‘দ্য ম্যান হু উড বি কিং’ ও ‘অল দ্য মানি ইন দ্য ওয়ার্ল্ড’। শার্লক হোমসের চরিত্রেও অভিনয় করেছেন ১৯৭৯ সালের ছবি ‘মার্ডার বাই ডিক্রি’তে।

default-image
বিজ্ঞাপন
হলিউড থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন