default-image

মহামারির হানা থেকে রক্ষা পায়নি বিশ্বের অন্যতম চলচ্চিত্র ইন্ডাস্ট্রি হলিউডও। নতুন ছবির শুটিং বা সিনেমা মুক্তি নয়, প্রযোজকদের দিনরাত যাচ্ছে কোটি কোটি ডলার ক্ষতির হিসাব কষতে কষতে। দিনের পর দিন সিনেমা হল বন্ধ রাখার পর হলমালিকেরা বন্ড সিরিজের নো টাইম টু ডাই সিনেমা নিয়ে আশায় বুক বেঁধেছিলেন।

ছবিটি মুক্তির তারিখ নির্ধারিত হয় এ বছরের এপ্রিল মাসে। কিন্তু করোনার কারণে পিছিয়ে ১২ নভেম্বর যুক্তরাজ্যে এবং ২০ নভেম্বর যুক্তরাষ্ট্রে মুক্তি পাওয়ার কথা শোনা যায়। কিন্তু বন্ডভক্তদের অপেক্ষার প্রহর যেন দীর্ঘই হচ্ছে। নতুন মুক্তির তারিখ ঘোষণা করা হয়েছে ২০২১ সালের ২ এপ্রিল। যেসব হলমালিক এই চলচ্চিত্রের ওপর ভরসা করেই সিনেমা হলে লাভের আশা করেছিলেন, তাঁদের ভরসার জায়গা মিটে গেল নিমেষেই।

বিজ্ঞাপন

বেশ কয়েকটি সিনেমা হলের ভরসা ছিল কেবল নো টাইম টু ডাই সিনেমার মুক্তি। এই একটি ছবি মুক্তির জন্য আরও ছয় মাস সিনেমা হল টিকিয়ে রাখার মতো আর্থিক সংগতি নেই বেশ কিছু সিনেমা হল কর্তৃপক্ষের। তাই বন্ধ হওয়া হলের তালিকায় যুক্ত হতে যাচ্ছে যুক্তরাজ্যের ১২৮টি সিনেমা হল। সেই সঙ্গে বন্ধ ঘোষণা করা হচ্ছে যুক্তরাজ্যেরও বেশ কিছু সিনেমা হল।

default-image

ব্রিটিশ চলচ্চিত্র সমালোচক পিটার ব্র্যাডশ যুক্তরাজ্যের দ্য গার্ডিয়ান পত্রিকায় বড় বড় সিনেমার মুক্তির তারিখ পেছানোতে সমালোচনা করে লেখেন, ‘“জেমস বন্ড” সিরিজ, “ফাস্ট অ্যান্ড ফিউরিয়াস” সিরিজের ছবি এবং ব্ল্যাক উইডোর মতো ছবিগুলো মুক্তি পেছানোয় হল ব্যবসা চরম সংকটে পড়েছে। অথচ এই মুহূর্তে সিনেমা হলকে গতিশীল করাই ছিল প্রথম আর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কাজ। হলের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট হাজার হাজার মানুষ কর্মহীন হয়ে পড়ল।’

অন্যদিকে বিষয়টিকে ইতিবাচকভাবে দেখছেন মিডিয়া পর্যালোচক পল ডেরগারাবেডিয়ান। দ্য অবজারভারকে তিনি বলেন, ‘সিনেমাগুলো মুক্তির তারিখ পেছাচ্ছে, এর মানে, সিনেমার জন্য হলের বিকল্প নেই।’

ড্যানিয়েল ক্রেগও এককথায় বলেছেন, ‘এটা জেমস বন্ড সিনেমা দেখার সময় নয়।’

এটা জেমস বন্ড সিনেমা দেখার সময় নয়।
ড্যানিয়েল ক্রেগ
মন্তব্য পড়ুন 0