default-image

টরন্টো চলচ্চিত্র উৎসব কথা দিয়ে কথা রেখেছে। ২০১৭ সাল থেকে তারা পাঁচ বছরের একটি লক্ষ্যমাত্রা ঠিক করেছে। এই সময়ের মধ্যে আয়োজকেরা উৎসবে ক্যামেরার সামনে ও পেছনে থাকা নারীদের কাজ তুলে ধরার প্রত্যয় নেয়। চলচ্চিত্র উৎসবগুলোয় নারী–পুরুষের সমান অংশগ্রহণ নিশ্চিতে তখন থেকেই মনোযোগী টরন্টো চলচ্চিত্র উৎসব। এ বছরের আয়োজনে তাই নারী নির্মাতাদের বানানো চলচ্চিত্রের সংখ্যা সন্তোষজনক হারে বেড়েছে।

বিজ্ঞাপন
default-image

চলতি বছর টরন্টো উৎসবে নির্বাচিত চলচ্চিত্রগুলোয় নারীর অংশগ্রহণ ৪৩ শতাংশ। করোনার কারণে অন্য বছরের তুলনায় জৌলুশ কিছুটা কম হলেও অংশগ্রহণে নারী–পুরুষের সমতা আশা জাগিয়েছে অনেকের মনে। গত বছর যে উৎসবে প্রদর্শিত হয়েছে ২৫০টি পূর্ণদৈর্ঘ্য ও ৮২টি স্বল্পদৈর্ঘ্য ছবি, সেখানে করোনার প্রভাবে তা এ বছর ৫০টি পূর্ণদৈর্ঘ্য ও ৩৫টি স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রে নেমে এসেছে। এর মধ্যেও উজ্জ্বল ও আলোচিত নারী নির্মাতাদের ছবিগুলো। ভেনিস উৎসবে গোল্ডেন লায়ন জয় করার পর টরন্টোতেও ক্লোয়ে ঝাওয়ের নোম্যাডল্যান্ড সবার মন জয় করেছে। প্রশংসার ঝুলি উপচে পড়ছে ব্রুইসড ছবির পরিচালক হ্যালি বেরি ও ওয়ান নাইট ইন মিয়ামির পরিচালক রেজিনা কিংয়ের।

বিজ্ঞাপন

২০১৭ সালে টরন্টো চলচ্চিত্র উৎসবে নারী–পুরুষের অংশগ্রহণে সমতা আনার প্রত্যয়ের পর একটু একটু করে আয়োজকেরা কাজ শুরু করেন। ২০১৮ সালে উৎসবে নারী নির্মাতাদের হার ছিল ১৬ শতাংশ। ২০১৯ সালে এটি বেড়ে ৩৬ শতাংশ হয়। আর এবার হলো ৪৬ শতাংশ। আয়োজকেরা বলেন, আগামীতেও তাঁরা এ প্রতিশ্রুতি রক্ষা করে যাবেন। নিশ্চিত করবেন নারী ও পুরুষের সমান অংশগ্রহণ।

উল্লেখ্য, নারী নির্মাতাদের কাজ বরাবরই চলচ্চিত্রের বিশ্বমঞ্চে উপেক্ষিত থাকে। একটি সমীক্ষায় দেখা গেছে, ২০০৭ থেকে ২০১৮ সালের ভেতর বিশ্বের সর্বোচ্চ আয় করা চলচ্চিত্রের নির্মাতাদের মধ্যে নারীর সংখ্যা মাত্র ৪৬। বড় উৎসব কিংবা পুরস্কারের আসরে নারী নির্মাতাদের কাজ সমান সুযোগ পায় না বলে অভিযোগ তোলেন অনেকেই। আর এ কারণেই নাকি নারী নির্মাতাদের পেছনে লগ্নির হার কম, কম নারী পরিচালক দ্বারা নির্দেশিত ব্যবসাসফল ছবির সংখ্যাও। সূত্র: সিবিসি কানাডার

মন্তব্য পড়ুন 0