পরিচালকেরা পাত্তাই দিতেন না তাঁকে

বিজ্ঞাপন
default-image

দুবার অস্কার মনোনয়ন পেয়েছেন তিনি। ২০১৮ সালেও তিনি বিশ্বের সবচেয়ে বেশি অর্থ উপার্জনকারী অভিনেত্রী হয়েছেন। ২০১৯ সালে বিশ্ব চলচ্চিত্র উৎসবগুলোয় তাঁর অভিনীত ‘জো জো র‍্যাবিট’ ও ‘ম্যারেজ স্টোরি’ চলচ্চিত্র দুটি দারুণ প্রশংসিত হয়। এই মুহূর্তে তিনি হলিউডের সর্বোচ্চ পারিশ্রমিক গোনা তারকাদের একজন। তিনি স্কারলেট জোহানসন। অথচ তাঁকে ক্যারিয়ার গড়তে হয়েছে কিনা ‘দ্বিতীয় পছন্দ’ হয়ে। আর ক্যারিয়ারের শুরুতে অসংখ্যবার যেতে হয়েছে প্রত্যাখ্যানের ভেতর দিয়ে। পরিচালকেরা পাত্তাই দিতেন না তাঁকে। শুরুতে বেশির ভাগ পরিচালকই বলেছেন, ‘তুমি বরং অন্য কিছু করে ক্যারিয়ার গড়ো। অভিনয় তোমার জন্য নয়।’ সম্প্রতি ইনসাইডারের প্রতিবেদনে এমনটাই উঠে এসেছে।

প্যারেড সাময়িকীকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ‘গার্ল উইথ আ পার্ল ইয়াররিং’, ‘আয়রন ম্যান টু’, ‘হার’, ‘লুসি’-খ্যাত এই তারকা বলেন, ‘আমি জীবনভর দ্বিতীয় পছন্দ হয়েই ক্যারিয়ার গড়েছি। ১২ বছর বয়স থেকে অসংখ্যবার আমাকে “রিজেকটেড” শব্দটা শুনতে হয়েছে। এমনকি “ব্ল্যাক উইডো”র জন্যও আমি প্রথম পছন্দ ছিলাম না। ভাগ্যিস, এমিলি ব্লান্টের সময় মেলেনি। আমি পরিচালকদের বলেছি, “তোমার প্রথম পছন্দ যদি না মেলে, আমি তৈরি। কেউ যদি কাজটা করতে না চায়, আমি করব।” তাই আপনি যদি কারও প্রথম পছন্দ না হন, আত্মবিশ্বাস হারাবেন না। দ্বিতীয়, তৃতীয় থেকেই প্রমাণ করে দিন যে আপনিই সেরা। বুঝিয়ে দিন, আপনার পরে কোনো “সেকেন্ড অপশন” নেই।’

default-image

১২ ও ১৩ বছর বয়সে ‘হোম অ্যালোন টু’, ‘দ্য হর্স হুইসপার’-এর মতো বড় ছবিতে ছোট ছোট চরিত্র করে একটু একটু করে আজ স্কারলেট জোহানসন হলিউডের প্রথম শ্রেণির তারকা। টনি, বাফটা ও গোল্ডেন গ্লোবজয়ী এই তারকা সংগীতশিল্পী হিসেবেও বেশ পরিচিত।

বিজ্ঞাপন
মন্তব্য পড়ুন 0
বিজ্ঞাপন