বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

১৯৬২ সালে মিক জ্যাগার, ইয়ান স্টুয়ার্ট, কিথ রিচার্ডস আর ডিক টেলরকে নিয়ে ব্রায়ান জোনস প্রতিষ্ঠা করেন দ্য রোলিং স্টোনস। ব্যান্ডটিতে যুক্ত হওয়ার প্রস্তাব প্রথমবার ফিরিয়ে দিয়েছিলেন চার্লি ওয়াটস। কিন্তু গড়ানো পাথরের অন্যতম এক পাথর হবেন যিনি, তিনি কীভাবে দূরে থাকেন! ১৯৬৩ সালের জানুয়ারিতে রোলিং স্টোনসের হয়ে প্রথমবারের মতো ড্রামে ঝড় তোলেন চার্লি ওয়াটস।

default-image

শুরু হলো দ্য রোলিং স্টোনসের সঙ্গে পথচলা। একসময় প্রজ্ঞা, ভালোবাসা আর বাদন দিয়ে নিজেকে অনন্য এক উচ্চতায় নিয়ে যান ওয়াটস। জ্যাগার–রিচার্ডস ডুয়োর ক্ষুরধার লেখনিতে প্রথমবার সাড়া জাগায় ‘(আ কান্ট গেট নো) স্যাটিসফেকশন’ গান ১৯৬৫ সালে। ১৯৬৬ সালে ‘পেইন্ট ইট ব্ল্যাক’, ‘নাইন্টিনথ নার্ভাস ব্রেকডাউন’, ‘গেট অফ মাই ক্লাউড’, ‘হ্যাভ ইউ সিন ইয়োর মাদার, বেবি’ ও ‘লেডি জেন’ তুমুল আলোড়ন তোলে। দশকের পর দশক আফটারম্যাথ, স্টিকি ফিঙ্গারস, সাম গার্লস ও ট্যাটু ইউ—ধ্রুপদি সব অ্যালবাম দিয়ে বিশ্ব সংগীতাঙ্গন মাতিয়ে রাখে দ্য রোলিং স্টোনস।

আশির দশকে পুরোনো ভালোবাসার কাছে ফিরে যান চার্লি ওয়াটস। ৩২ জন সদস্য নিয়ে গড়ে তোলেন জ্যাজব্যান্ড ‘দ্য চার্লি ওয়াটস অর্কেস্ট্রা’। নব্বইয়ের দশকে আরেক ব্যান্ড চার্লি ওয়াটস কুইন্টেটের সঙ্গে চার্লি পার্কারের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদনসহ একাধিক অ্যালবাম প্রকাশ করেন। একেবারেই কাছের কিছু ক্লাবে সংগীত পরিবেশনার জন্য ‘এবিসি অ্যান্ড ডি অব বুগি উগি’ নামে একটি ওল্ড স্কুল ব্লুজ ব্যান্ডও প্রতিষ্ঠা করেছিলেন ওয়াটস। তবে দ্য রোলিং স্টোনসের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন হয়নি কখনো। ২০১৮ সালেও ব্যান্ডটির ‘নো ফিল্টার’ সফরের ইউরোপীয় কনসার্টগুলোতে চার্লিকে ড্রামস্টিক হাতে দেখা গেছে।

default-image

১৯৪১ সালের ২ জুন এক ট্রাক ড্রাইভারের ঘরে জন্মেছিলেন চার্লি ওয়াটস। লন্ডনে তখন মুহুর্মুহু বোমা। আর মারা গেলেন এই ২৪ আগস্ট। ১৯৬৪ সালে শার্লি অ্যান শেফার্ডের সঙ্গে জীবনকে ভাগ করে নেন। মৃত্যুর আগপর্যন্ত এক ঘরেই ছিলেন তাঁরা। তাঁদের একটিই মেয়ে—সেরাফিনা।

default-image

ওয়াটসের মৃত্যুতে বিটলস কিংবদন্তি পল ম্যাকার্টনি, রিঙ্গো স্টারসহ সংগীতশিল্পী এল্টন জন সামাজিক মাধ্যমে স্মৃতিচারণা করেন। এক ভিডিও বার্তায় পল ম্যাকার্টনি বলেন, চার্লি ছিলেন পাথরের মতো দৃঢ় ও দারুণ একজন ড্রামার।

হলিউড থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন