বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আশির দশক। ইতালীয় ক্লাব নাপোলিতে খেলতে এলেন ম্যারাডোনা। এই ফুটবল কিংবদন্তিকে পেয়ে তরুণদের সে কী উন্মাদনা! সেই দলে আছেন সরেন্তিনোও। ১৯৮৭ সালের ৫ এপ্রিল। এম্পলি–নাপোলি খেলার দিন কাকতালীয়ভাবে তরুণ সরেন্তিনোর জীবন বাঁচিয়ে দিয়েছিলেন ম্যারাডোনা। সরেন্তিনোর বয়স তখন ১৬। ছুটিতে তাঁর মা–বাবার কাছে তাঁদের স্কি হাউসে যোগ দেওয়ার কথা। কিন্তু সেখানে গেলে ম্যারাডোনার খেলা মিস। তাই সেখানে আর গেলেনই না সরেন্তিনো। সেদিন তাঁদের স্কি হাউসে কার্বন মনো–অক্সাইড বিষে মারা যান তাঁর মা–বাবা। বেঁচে যান সরেন্তিনো। এভাবে পরোক্ষভাবে তাঁর জীবন বাঁচিয়েছিলেন ম্যারাডোনা।

default-image

মা–বাবার এই আচমকা মৃত্যু সরেন্তিনোর জীবনে একটা বড় ধাক্কা। আজীবন এটি নিয়ে ছবি বানাতে চেয়েছেন তিনি। জীবনের সেই ট্র্যাজেডিকে সেলুলয়েডে তুলতে তাঁর লেগে গেল ৩৪ বছর। বিধিনিষেধে যখন পৃথিবী চুপ, তাঁর তারুণ্যে তাকানোর সুযোগ পেলেন সরেন্তিনো।

ছবিটি ভেনিসে জিতে নিয়েছে সিলভার লায়ন গ্রান্ড জুরি প্রাইজ। ২০০১ সালে এই ভেনিসেই দেখানো হয়েছিল তাঁর প্রথম ছবি ওয়ান ম্যান আপ। ২০২১ সালে আবার ভেনিসেই পুরস্কৃত হলেন। পাওলো সরেন্তিনো ইতালির আর্ট হাউস সিনেমার বিখ্যাত নাম। অস্কার, গোল্ডেন গ্লোব, বাফটা, কান, ভেনিস, প্রধান সব আন্তর্জাতিক পুরস্কারই তাঁর ঝুলিতে আছে ।

হলিউড থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন