বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
default-image

না, কোনো ইন্টেরিয়র ডিজাইনের অংশ নয় এসব মই। বরং ঘরের কাজের প্রয়োজনেই এসব মই। কেন তাঁর ঘরে মই লাগে, সে কারণ ব্যাখ্যা করতে গিয়ে কুনিস জানান, স্বামী অ্যাস্টন কুচারের সঙ্গে তাঁর উচ্চতার ব্যবধানই প্রধান কারণ। মিলা কুনিস বলেন, ‘আমি ৫ ফুট ৪ ইঞ্চি লম্বা আর আমার স্বামী ৬ ফুট ৩ ইঞ্চি। আর আমাদের ঘর বানানো হয়েছে ৬ ফুট ৩ ইঞ্চি হিসাব করে।’

মিলা আরও বলেন, ‘ফলে ওপর থেকে কোনো কিছু নামাতে সব সময়ই আমাকে বুড়ো আঙুলে ভর দিয়ে দাঁড়াতে হয়।’ ফলে ঘরের ওপর দিকে কিছু রাখতে গেলে কিংবা ওপর থেকে কিছু নামাতে হলেই তাঁর মই চাই। আর এক মই নিয়ে এঘর–ওঘর কে টানাটানি করে! তাই ‘আমার ঘরের সব জায়গায় মই। আমার স্টোররুমে মই, রান্নাঘরে মই। (মই ছাড়া) আমি কোনো কিছুই ধরতে পারি না!’ তাই লস অ্যাঞ্জেলেসের যে খামারবাড়িতে স্বামী ও দুই সন্তানকে নিয়ে থাকেন মিলা, তার প্রতিটি ঘরেই মই।

default-image

ইন্টেরিয়র ডিজাইন ও স্থাপত্য নিয়ে মার্কিন সাময়িকী আর্কিটেকচারাল ডাইজেস্ট–এ তাঁদের বাড়ি নিয়ে একবার কথা বলেছিলেন এই হলিউড তারকা জুটি। কুনিস সে সময় বলেছিলেন, ‘আমরা একটা বাড়ি চেয়েছিলাম, মহাল নয়।’ কুচার বলেছিলেন, ‘আমরা চেয়েছিলাম এমন একটা বাড়ি দেখতে, যা পুরোনো শস্যাগারের মতো। মানে দশকের পর দশক ধরে এখানে কিছু ছিল, সেটি পরে বাড়িতে রূপান্তর করা হয়েছে। কিন্তু এটি দেখতে মনে হয়েছিল আধুনিক ও প্রাসঙ্গিক।’
২০১৫ সালে এক ছাদের নিচে থাকা শুরু করেন কুনিস ও কুচার। আগেই বলেছি, ফুটফুটে দুটি সন্তানের তাঁরা মা–বাবা। মেয়ের বয়স সাড়ে ছয় ও ছেলের সাড়ে চার বছর।

হলিউড থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন