ক্যাপ্টেন মার্ভেলকে ব্রি লারসনের ‘না’

 ব্রি লারসন
ব্রি লারসনইনস্টাগ্রাম
বিজ্ঞাপন

নারী–পুরুষনির্বিশেষে এই মুহূর্তে বিশ্বের সবচেয়ে প্রভাবশালী ১০০ মানুষের একজন ব্রি লারসন। এ খবর টাইম ম্যাগাজিনের। মাত্র ৩০ বছর বয়সেই ব্রি লারসন একাডেমি, বাফটা, গোল্ডেন গ্লোব, স্ক্রিন অ্যাক্টরস গিল্ড অ্যাওয়ার্ডসহ নামকরা স্বীকৃতির প্রায় সবই পকেটে পুরে ঘুরে বেড়াচ্ছেন হলিউডের রাস্তায়।

অনেকে বলেন, অভিনেতার নাম যখন চরিত্রের আড়ালে হারিয়ে যায়, সেটিই নাকি সেই শিল্পীসত্তার সবচেয়ে বড় অর্জন। তেমনটাই ঘটেছে ব্রির বেলায়। লোকে তাঁকে ডাকতে শুরু করেছে ক্যাপ্টেন মার্ভেল নামে। কিন্তু তিনি নাকি হতেই চাননি ক্যাপ্টেন মার্ভেল। দু–দুবার মুখের ওপর না করে দিয়েছিলেন প্রযোজককে। সম্প্রতি নিজের ইউটিউব চ্যানেলে এমনটাই জানালেন ‘রুম’খ্যাত এই হলিউড তারকা।

default-image
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
‘আমার অ্যাজমা আছে, আর আমি অন্তর্মুখী স্বভাবের। অনেক মানুষের ভেতর আমার গলা শুকিয়ে আসে। নিজেকে বেঢপ আর জবুথবু লাগে। সেই সময় ক্যাপ্টেন মার্ভেল ছবিটি আমাকে সামাজিক উদ্বিগ্নতা আর বিষণ্ণতা থেকে মুক্ত হতে অনেকটা সাহায্য করেছিল। এ রকম একটা সুপারহিরো চরিত্রই যেন আমি খুঁজছিলাম নিজেকে আড়াল করার জন্য।’
ব্রি লারসন, হলিউড তারকা

ইউটিউবের প্রথম ভিডিওতে ব্রি বলেছিলেন নিজের বিষণ্নতা আর হতাশা নিয়ে। জানিয়েছিলেন, এসব থেকে তাঁকে মুক্তি দিয়েছিল ক্যাপ্টেন মার্ভেল। সেসময় যেকোনো সামাজিক অনুষ্ঠান এড়িয়ে চলতেন ব্রি।

এর কারণ নিয়ে ব্রির বক্তব্য, ‘আমার অ্যাজমা আছে, আর আমি অন্তর্মুখী স্বভাবের। অনেক মানুষের ভেতর আমার গলা শুকিয়ে আসে। নিজেকে বেঢপ আর জবুথবু লাগে। সেই সময় ক্যাপ্টেন মার্ভেল ছবিটি আমাকে সামাজিক উদ্বিগ্নতা আর বিষণ্ণতা থেকে মুক্ত হতে অনেকটা সাহায্য করেছিল। এ রকম একটা সুপারহিরো চরিত্রই যেন আমি খুঁজছিলাম নিজেকে আড়াল করার জন্য।’

default-image
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বক্স অফিসেও দুর্দান্ত করেছে ছবিটি। বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ১০ হাজার কোটি আয় করেছে ছবিটি। হয়েছে নারীর ক্ষমতায়নের সুপারহিরো সিনেমায় এক বৈশ্বিক আইকন।

আর এবার জানালেন, দুবার ছবিটির প্রস্তাব ফিরিয়ে দিয়েছিলেন। বললেন, ‘আমি তখন কং: স্কাল আইল্যান্ড ছবির শুটিং করছিলাম। তখন ফোনটা এল। বলা হলো, আমি ক্যাপ্টেন মার্ভেল চরিত্রটার জন্য নির্বাচিত হয়েছি। আমার প্রথম প্রতিক্রিয়া ছিল, না, আমি এই সিনেমা করব না। আমি এত চাপ নিতে পারব না। আমি এসবের মধ্যে নেই। তারপর মনে হলো, এই নারী সুপারহিরো আমাকে আমার বিষণ্নতা থেকে বাঁচাতে পারে। আর দিনশেষে নারী পরিচালক, নারীকেন্দ্রিক গল্প আর নারী ক্রু মিলিয়ে দুর্দান্ত একটা কাজ হলো।’

বক্স অফিসেও দুর্দান্ত করেছে ছবিটি। বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ১০ হাজার কোটি আয় করেছে ছবিটি। হয়েছে নারীর ক্ষমতায়নের সুপারহিরো সিনেমায় এক বৈশ্বিক আইকন।

ব্রি জানিয়েছেন, মানুষ তাঁকে সেভাবেই চেনে, যেভাবে পরিচালক তাঁকে দেখাতে চান। কিন্তু ইউটিউব চ্যানেলের মাধ্যেমে সত্যিকারের ব্রি লারসনকে জানা যাবে।

বিজ্ঞাপন
মন্তব্য পড়ুন 0
বিজ্ঞাপন